বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বাল্যবিবাহ একটি সামাজিক ব্যাধি। সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের জন্য যেখানে বিভিন্নমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, সেখানে বাল্যবিবাহ ও এর পরিণতি সংক্রান্ত বিষয়ে নিস্পৃহ দৃষ্টিভঙ্গি কোন সচেতন নাগরিকের কাম্য হতে পারেনা। তাই এ অবস্থা উত্তরণে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।
বাল্যবিবাহ রোধে কার্যকরী কিছু পদক্ষেপ নিচে আলোচিত হলঃ
এক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হয় সরকারকে। কেননা সরকার যদি নমনীয় হয় এবং বাল্যবিবাহ বন্ধে আইনের সঠিক প্রয়োগ করেন তাহলে বাল্যবিবাহ রোধ বহুলাংশে সম্ভব।আমাদের সদিচ্ছাই পারে বাল্যবিবাহ রোধ করতে। তাই বাল্যবিবাহ রোধে ব্যপকভাবে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।
দারিদ্রতা দূরীকরণের যথেষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। কেননা যারা দরিদ্র তাদের মধ্যে বাল্যবিবাহের প্রভাব সবচেয়ে বেশি। আবার যারা দারিদ্র্য থেকে উঠে এসেছে তারা চেষ্টা করে বাল্যবিয়ে না দিতে। দরিদ্র পরিবারে একজন মেয়েকে বোঝা মনে করা হয় এবং দ্রুত বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। ফলে এই মেয়ে পড়ালেখার সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে।
দেশের প্রত্যন্ত গ্রামে বলা হয় যে, মেয়ে ঋতুপ্রাপ্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিয়ে দিয়ে দাও। এর ফলে বাল্যবিবাহের সংখ্যা বাড়ছে। তাই যৌতূক, অশিক্ষা আর কুসংস্কার এর ন্যায় অনাচার দূর করতে হবে সমাজ থেকে। এ ক্ষেত্রে স্ব-স্ব সমাজের মুরব্বিদের এগিয়ে আসতে হবে। সরকারী প্রচার প্রচারণা থেকে এ ক্ষেত্রে বলিস্ট ভুমিকা রাখতে পারে সমাজের নওজোয়ানরা।
আমাদের গণমাধ্যমগুলোকেও কার্যকর দায়িত্ব পালন করতে হবে। আগে বাল্যবিবাহ ব্যাপক আকারে হলেও সেটা পত্রিকায় বা গণমাধ্যমে আসত না। ফলে মানুষ এটি সম্পর্ক জানতে পারত না। কিন্তু বর্তমানে গণমাধ্যমগুলোর ইতিবাচক ভূমিকার ফলে অনেক ঘটনা জানতে পাচ্ছি এবং সেই অনুসারে পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে। বর্তমানে গণমাধ্যমকে সামাজিক দায়বদ্ধতার দৃষ্টিকোণ থেকে আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে হবে। পত্র-পত্রিকায় বিভিন্ন কেস স্টাডির মাধ্যমে ও ইলেক্ট্রোনিক মিডিয়ায় বিভিন্ন অনুষ্ঠান যেমন নাটক, চলচ্চিত্র, টকশো ইত্যাদির মাধ্যমে সচেতন কাযর্ক্রম দৃঢ় করতে হবে।
বাল্য বিবাহ রোধে সবচেয়ে বেশি কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে সচেতনতা ও শিক্ষা। কেননা যখন সবাই সচেতন হবে তখন বাল্য বিবাহ রোধে সবাই অগ্রনী  ভূমিকা রাখতে পারবে। এছাড়া শিক্ষা হলো নারীদের জন্য অপরিহার্য। শিক্ষিত নারী-ই পারে সমাজের সকল অনিয়মের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে। নারীরা যখন তাদের অধিকার আদায়ের ব্যাপারে সচেতন হবে তখন আশে পাশের মানুষগুলো অন্তত নড়েচড়ে বসবে। কোন কিছু চাপিয়ে দিতে তারা ভাববে।
এখন সময় এসেছে নারীদের নিজেদের অধিকার বুঝে নেয়ার। আমাদের পিতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় নারীরা যদিও কর্তৃত্বের সুযোগ থেকে পিছিয়ে আছে তথাপি এ গন্ডি থেকে নারীদের নিজে থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। বাল্য বিবাহ রোধে নারীদেরকেই কার্যকরী ভূমিকা রাখতে হবে। পরিবারে বোঝা না হয়ে নিজেকে শিক্ষিত ও স্বাবলম্বী করতে হবে।
মোটকথা বাল্যবিবাহ বন্ধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে এবং সচেতন করতে হবে পিতা-মাতাকে, বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নিতে হবে। তা হলে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করা সম্ভব।সূত্র: ডিপিএফ
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বাল্যবিবাহ একটি সামাজিক ব্যাধি। সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের জন্য যেখানে বিভিন্নমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, সেখানে বাল্যবিবাহ ও এর পরিণতি সংক্রান্ত বিষয়ে নিস্পৃহ দৃষ্টিভঙ্গি কোন সচেতন নাগরিকের কাম্য হতে পারেনা। তাই এ অবস্থা উত্তরণে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।
বাল্যবিবাহ রোধে কার্যকরী কিছু পদক্ষেপ নিচে আলোচিত হলঃ
এক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হয় সরকারকে। কেননা সরকার যদি নমনীয় হয় এবং বাল্যবিবাহ বন্ধে আইনের সঠিক প্রয়োগ করেন তাহলে বাল্যবিবাহ রোধ বহুলাংশে সম্ভব।আমাদের সদিচ্ছাই পারে বাল্যবিবাহ রোধ করতে। তাই বাল্যবিবাহ রোধে ব্যপকভাবে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।
দারিদ্রতা দূরীকরণের যথেষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। কেননা যারা দরিদ্র তাদের মধ্যে বাল্যবিবাহের প্রভাব সবচেয়ে বেশি। আবার যারা দারিদ্র্য থেকে উঠে এসেছে তারা চেষ্টা করে বাল্যবিয়ে না দিতে। দরিদ্র পরিবারে একজন মেয়েকে বোঝা মনে করা হয় এবং দ্রুত বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। ফলে এই মেয়ে পড়ালেখার সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে।
দেশের প্রত্যন্ত গ্রামে বলা হয় যে, মেয়ে ঋতুপ্রাপ্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিয়ে দিয়ে দাও। এর ফলে বাল্যবিবাহের সংখ্যা বাড়ছে। তাই যৌতূক, অশিক্ষা আর কুসংস্কার এর ন্যায় অনাচার দূর করতে হবে সমাজ থেকে। এ ক্ষেত্রে স্ব-স্ব সমাজের মুরব্বিদের এগিয়ে আসতে হবে। সরকারী প্রচার প্রচারণা থেকে এ ক্ষেত্রে বলিস্ট ভুমিকা রাখতে পারে সমাজের নওজোয়ানরা।
আমাদের গণমাধ্যমগুলোকেও কার্যকর দায়িত্ব পালন করতে হবে। আগে বাল্যবিবাহ ব্যাপক আকারে হলেও সেটা পত্রিকায় বা গণমাধ্যমে আসত না। ফলে মানুষ এটি সম্পর্ক জানতে পারত না। কিন্তু বর্তমানে গণমাধ্যমগুলোর ইতিবাচক ভূমিকার ফলে অনেক ঘটনা জানতে পাচ্ছি এবং সেই অনুসারে পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে। বর্তমানে গণমাধ্যমকে সামাজিক দায়বদ্ধতার দৃষ্টিকোণ থেকে আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে হবে। পত্র-পত্রিকায় বিভিন্ন কেস স্টাডির মাধ্যমে ও ইলেক্ট্রোনিক মিডিয়ায় বিভিন্ন অনুষ্ঠান যেমন নাটক, চলচ্চিত্র, টকশো ইত্যাদির মাধ্যমে সচেতন কাযর্ক্রম দৃঢ় করতে হবে।
বাল্য বিবাহ রোধে সবচেয়ে বেশি কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে সচেতনতা ও শিক্ষা। কেননা যখন সবাই সচেতন হবে তখন বাল্য বিবাহ রোধে সবাই অগ্রনী  ভূমিকা রাখতে পারবে। এছাড়া শিক্ষা হলো নারীদের জন্য অপরিহার্য। শিক্ষিত নারী-ই পারে সমাজের সকল অনিয়মের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে। নারীরা যখন তাদের অধিকার আদায়ের ব্যাপারে সচেতন হবে তখন আশে পাশের মানুষগুলো অন্তত নড়েচড়ে বসবে। কোন কিছু চাপিয়ে দিতে তারা ভাববে।
এখন সময় এসেছে নারীদের নিজেদের অধিকার বুঝে নেয়ার। আমাদের পিতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় নারীরা যদিও কর্তৃত্বের সুযোগ থেকে পিছিয়ে আছে তথাপি এ গন্ডি থেকে নারীদের নিজে থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। বাল্য বিবাহ রোধে নারীদেরকেই কার্যকরী ভূমিকা রাখতে হবে। পরিবারে বোঝা না হয়ে নিজেকে শিক্ষিত ও স্বাবলম্বী করতে হবে।
মোটকথা বাল্যবিবাহ বন্ধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে এবং সচেতন করতে হবে পিতা-মাতাকে, বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নিতে হবে। তা হলে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করা সম্ভব।সূত্র: ডিপিএফ