স্টাফ রিপোর্টারঃ রাজধানীর বিমানবন্দর বঙ্গমাতা কলেজের গলিতে পথচারীদের রাস্তা দখল করে ফুটপাত চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, রাস্তার দুই পাশ দখল নিয়ে এই বাণিজ্য চলছে দীর্ঘ দিন যাবৎ।হাজী ক্যাম্পের বিপরীত পাশে চোখ তাকালেই দেখা যাবে দীর্ঘ সারি সারি দোকান।মাছ,তরকারি, ফল,ভাজাপোড়ার দোকান,কাপড়ের দোকান,সহ হরেক রকম দোকান। সব মিলিয়ে প্রায় ১৫০-২০০ দোকান।এই দোকান গুলোর জন্যই সারাক্ষণ লেগে থাকে যানজট।পথচারী ঠিকমতো তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেনা।

কিছু দিন আগে উওরা জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার মোর্শেদ আলম ফুটপাত থেকে দোকানপাট উচ্ছেদ করা সত্বেও ফের কিছু অসাধু পুলিশ কমকর্তা এই ফুটপাতে পুনরায় দোকান বসিয়ে আবার বাণিজ্য শুরু করেছে।

জয় নামের জনৈক দোকানী দি ক্রাইমকে জানান, দোকান বসানোর জন্য তাকে প্রতিদিন ৫০০ টাকা চাঁদাদিতে হয়।না দিলে দোকান বসাতে দেয় সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসন ও তাদের নিয়োজিত চাঁদাবাজরা।

নাসিম নামের জনৈক মাছের দোকানী দি ক্রাইমকে বলেন, প্রতিদিন ১ হাজার টাকা করে দেই। কাকে দেন জিজ্ঞেস করলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন,আপনিতো সব কিছু জানেন।

তবে নাম প্রকাশ না করার শতে জনৈক দোকানী দি ক্রাইমকে বলেন,এয়ারপোর্টে পুলিশ বক্সের কিছু অসাধু কমকর্তা ও রাজনৈতিক দলের কতিপয় চাঁদাবাজ নেতারা এই টাকা সবার কাছ থেকে সন্ধার আগে নিয়ে যায়।

ফুটপাত বাণিজ্যের বিষয় এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ দি ক্রাইমকে বলেন,কে বা কারা এই দোকান বসিয়েছে তা তিনি জানেন না।

 সিটি করপোরেশনের নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট জুলকার নাইন দি ক্রাইমকে বলেন,জনগণের রাস্তা দখল করে ফুটপাত বাণিজ্য চলবে না।এই রাস্তার মালিক জনগণ। দু এক দিনের মধ্যেই অভিযান পরিচালনা করা হবে।

 স্টাফ রিপোর্টারঃ রাজধানীর বিমানবন্দর বঙ্গমাতা কলেজের গলিতে পথচারীদের রাস্তা দখল করে ফুটপাত চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, রাস্তার দুই পাশ দখল নিয়ে এই বাণিজ্য চলছে দীর্ঘ দিন যাবৎ।হাজী ক্যাম্পের বিপরীত পাশে চোখ তাকালেই দেখা যাবে দীর্ঘ সারি সারি দোকান।মাছ,তরকারি, ফল,ভাজাপোড়ার দোকান,কাপড়ের দোকান,সহ হরেক রকম দোকান। সব মিলিয়ে প্রায় ১৫০-২০০ দোকান।এই দোকান গুলোর জন্যই সারাক্ষণ লেগে থাকে যানজট।পথচারী ঠিকমতো তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেনা।

কিছু দিন আগে উওরা জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার মোর্শেদ আলম ফুটপাত থেকে দোকানপাট উচ্ছেদ করা সত্বেও ফের কিছু অসাধু পুলিশ কমকর্তা এই ফুটপাতে পুনরায় দোকান বসিয়ে আবার বাণিজ্য শুরু করেছে।

জয় নামের জনৈক দোকানী দি ক্রাইমকে জানান, দোকান বসানোর জন্য তাকে প্রতিদিন ৫০০ টাকা চাঁদাদিতে হয়।না দিলে দোকান বসাতে দেয় সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসন ও তাদের নিয়োজিত চাঁদাবাজরা।

নাসিম নামের জনৈক মাছের দোকানী দি ক্রাইমকে বলেন, প্রতিদিন ১ হাজার টাকা করে দেই। কাকে দেন জিজ্ঞেস করলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন,আপনিতো সব কিছু জানেন।

তবে নাম প্রকাশ না করার শতে জনৈক দোকানী দি ক্রাইমকে বলেন,এয়ারপোর্টে পুলিশ বক্সের কিছু অসাধু কমকর্তা ও রাজনৈতিক দলের কতিপয় চাঁদাবাজ নেতারা এই টাকা সবার কাছ থেকে সন্ধার আগে নিয়ে যায়।

ফুটপাত বাণিজ্যের বিষয় এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ দি ক্রাইমকে বলেন,কে বা কারা এই দোকান বসিয়েছে তা তিনি জানেন না।

 সিটি করপোরেশনের নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট জুলকার নাইন দি ক্রাইমকে বলেন,জনগণের রাস্তা দখল করে ফুটপাত বাণিজ্য চলবে না।এই রাস্তার মালিক জনগণ। দু এক দিনের মধ্যেই অভিযান পরিচালনা করা হবে।