ইজাজুলঃ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন কর অঞ্চল ১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী সাইদুর রহমান ও তার সাথে রোড কাটিং বানিজ্য পার্টনার ওয়াসার কো- অর্ডিনেটোর মিলন এর বিরুদ্ধে অবৈধ কাটিং বানিজ্যের গুরত্বর অভিযোগ উঠেছে। ফলে সরকারী মোটাংকের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সংশ্লিষ্ঠ প্রশাসন।
রোড কাটিং পারমিট না থাকা সত্বেও সিটি করপোরেশনের নির্মাণ করা মসৃন রাস্তা রাতের আধারে কাটছে ওয়াসা। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নির্মাণ করা মসৃণ রাস্তা যখন-তখন কাটছে ঢাকা ওয়াসা। সম্প্রতি কর অঞ্চল (১) এর আওতাধীন উত্তরখান, দক্ষিনখান আজমপুর এলাকায় সিটি করপোরেশন এর রাস্তা রোড কাটিং পারমিট ছাড়াই রাতের আধারে কাটাকাটি চলছে।রাস্তা কাটার পর সংস্থাগুলো কোনোরকম মেরামত করে দায় সারে। পরবর্তীতে রাস্তার কাটা অংশে সৃষ্টি হয় উঁচু-নিচু গর্ত। এতে যানবাহন চলাচলে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা।
জানা যায়, সেবা সংস্থাগুলোর মসৃণ রাস্তা কেটে গ্রাহকদের গ্যাস কিংবা পানির লাইনের সংযোগ দেয়ার পর রাতের আঁধারে নিম্নমানের বিটুমিন দিয়ে তড়িঘড়ি করে মেরামত করে চলে যায়। এতে কয়েকদিন গেলেই কাটা রাস্তায় উঁচু-নিচু গর্তের সৃষ্টি হয়। অর্থাৎ রাস্তা মেরামতকাজে ব্যাপক অনিয়ম হয়। এছাড়া কোথাও কোথাও নামমাত্র বিটুমিন ব্যবহার করে কার্পেটিং করা হয়।
এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের নির্বাহী প্রকৌশলী সাইদুল কে বার বার অবহিত করা হলে তিনি রোড কাটিং এর কোন পারমিট দেখাতে পারেনি। তিনি মুঠোফোনে কাটিং পারমিট দেওয়া আছে বললেও তার অফিসে গেলে দি ক্রাইমকে কোন নথি দেখাতে পারেনি। বরং সে সাংবাদিকদের আপস রফার চেষ্টা করে।
আর এবিষয়ে ওয়াসার কোর্ডিনেটর অফিসার মিলনের কাছে জানতে চাইলে তিনি দি ক্রাইমকে বলেন, আগামী কাল রোড কাটিং স্পট দেখবেন। কিন্তু সরজমিনে গেলে মেলেনা অফিসারের হদিস। সেখানে কাজের যারা দায়িত্বে আছেন তারা কাগজ পত্র অফিসে আছে বলে এড়িয়ে যায়। অভিযোগ উঠেছে, এ অঞ্চলের নির্বাহী প্রকৌশলী সাইদুর রহমান এর রহস্যজনক নিরবতা ও উদাসীনতায় এসব কাজ হরহামেশা চলছে। তবে গত ছয় মাসের কাটিং পারমিট তাদের কাছে নাই ।




