রাজধানীর মিরপুর এলাকায় ন্যূনতম মজুরির দাবিতে ফের সড়ক অবরোধের চেষ্টা করেছেন পোশাকশ্রমিকরা। প্রথমে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে এবং পরবর্তীতে মিরপুর-২ এলাকায় সংঘবদ্ধ হয়ে তারা সড়কে নামার চেষ্টা করেন। তবে পুলিশের কড়া তৎপরতা ও ধাওয়ায় তারা সরে যেতে বাধ্য হন। বর্তমানে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে পুরো মিরপুর এলাকা জুড়েই সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ।

ঘটনাপ্রবাহ থেকে জানা যায়, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রথম দফায় মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করেন আন্দোলনকারী শ্রমিকরা। সে সময় পুলিশ ধাওয়া দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এরপর পুলিশি তাড়া খেয়ে শ্রমিকরা সরে গিয়ে মিরপুর-২ এলাকার বিভিন্ন অলিগলিতে অবস্থান নেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গলির ভেতর থেকে মাঝেমধ্যেই শ্রমিকরা সংগঠিত হয়ে মূল সড়কে নামার চেষ্টা করছিলেন এবং পুলিশ দেখামাত্রই তাদের ধাওয়া দেয়। পরে বেলা ১১টার দিকে তারা আবারও সংঘবদ্ধ হয়ে রাস্তায় নামলে পুলিশ কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এতে শ্রমিকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। এ সময় শ্রমিকরা একটি বাস ভাঙচুরেরও চেষ্টা চালান।

এদিকে পরিস্থিতির মধ্যেই লাঠিসোঁটা হাতে সরকারদলীয় কর্মীদের মিরপুর-১০ থেকে মিরপুর-২ নম্বর সড়ক পর্যন্ত অবস্থান নিতে ও শোডাউন দিতে দেখা গেছে। মাঠে নামা সরকারদলীয় কর্মীরা জানান, সাধারণ মানুষের চলাচলে বাধা দেওয়া তাদের উদ্দেশ্য নয়; বরং আন্দোলনের নামে যারা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটাবে, তাদের প্রতিহত করতেই তারা রাস্তায় অবস্থান নিয়েছেন।

এমন পরিস্থিতিতে পুরো মিরপুর এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে এলাকার অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ রাখা হয়েছে। পুলিশ সড়কে কাউকে দাঁড়াতে দিচ্ছে না এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও কয়েকজনকে আটক করেছে। সামগ্রিক বিষয়ে মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান বলেন, ‘শ্রমিকরা রাস্তা অবরোধ করতে এসেছিল। আমরা তাদের সরিয়ে দিয়েছি।’ উল্লেখ্য, ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে গত রোববার থেকে শ্রমিকদের এই আন্দোলন শুরু হয়, যেদিন পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল।

রাজধানীর মিরপুর এলাকায় ন্যূনতম মজুরির দাবিতে ফের সড়ক অবরোধের চেষ্টা করেছেন পোশাকশ্রমিকরা। প্রথমে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে এবং পরবর্তীতে মিরপুর-২ এলাকায় সংঘবদ্ধ হয়ে তারা সড়কে নামার চেষ্টা করেন। তবে পুলিশের কড়া তৎপরতা ও ধাওয়ায় তারা সরে যেতে বাধ্য হন। বর্তমানে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে পুরো মিরপুর এলাকা জুড়েই সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ।

ঘটনাপ্রবাহ থেকে জানা যায়, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রথম দফায় মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করেন আন্দোলনকারী শ্রমিকরা। সে সময় পুলিশ ধাওয়া দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এরপর পুলিশি তাড়া খেয়ে শ্রমিকরা সরে গিয়ে মিরপুর-২ এলাকার বিভিন্ন অলিগলিতে অবস্থান নেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গলির ভেতর থেকে মাঝেমধ্যেই শ্রমিকরা সংগঠিত হয়ে মূল সড়কে নামার চেষ্টা করছিলেন এবং পুলিশ দেখামাত্রই তাদের ধাওয়া দেয়। পরে বেলা ১১টার দিকে তারা আবারও সংঘবদ্ধ হয়ে রাস্তায় নামলে পুলিশ কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এতে শ্রমিকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। এ সময় শ্রমিকরা একটি বাস ভাঙচুরেরও চেষ্টা চালান।

এদিকে পরিস্থিতির মধ্যেই লাঠিসোঁটা হাতে সরকারদলীয় কর্মীদের মিরপুর-১০ থেকে মিরপুর-২ নম্বর সড়ক পর্যন্ত অবস্থান নিতে ও শোডাউন দিতে দেখা গেছে। মাঠে নামা সরকারদলীয় কর্মীরা জানান, সাধারণ মানুষের চলাচলে বাধা দেওয়া তাদের উদ্দেশ্য নয়; বরং আন্দোলনের নামে যারা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটাবে, তাদের প্রতিহত করতেই তারা রাস্তায় অবস্থান নিয়েছেন।

এমন পরিস্থিতিতে পুরো মিরপুর এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে এলাকার অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ রাখা হয়েছে। পুলিশ সড়কে কাউকে দাঁড়াতে দিচ্ছে না এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও কয়েকজনকে আটক করেছে। সামগ্রিক বিষয়ে মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান বলেন, ‘শ্রমিকরা রাস্তা অবরোধ করতে এসেছিল। আমরা তাদের সরিয়ে দিয়েছি।’ উল্লেখ্য, ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে গত রোববার থেকে শ্রমিকদের এই আন্দোলন শুরু হয়, যেদিন পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল।