ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর এখন নির্বাচনী কেন্দ্রগুলোতে ভোট গণনা চলছে।

সকাল ৮টা থেকে আসনটির ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। কোনো বিরতি ছাড়াই এই ভোটগ্রহণ কার্যক্রম বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে। ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী এলাকা নিয়ে গঠিত এই আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৪০ জন।

নির্বাচনে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁরা হলেন বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের মির্জা ফয়সল আমিন, জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের দেলাওয়ার হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের বটগাছ প্রতীকের মো. আব্দুল আলীম নিজামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের মো. খাদেমুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের ডাব প্রতীকের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।

নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। নির্বাচনী এলাকায় দায়িত্ব পালন করেছেন ২১ প্লাটুন বিজিবি, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) ২৫১ সদস্য, পুলিশের ২ হাজার ২৭২ সদস্য এবং আনসার বাহিনীর ২ হাজার ৪৬৫ সদস্য। এছাড়া নির্বাচনী দায়িত্বে বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা নিয়োজিত ছিলেন।

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর এখন নির্বাচনী কেন্দ্রগুলোতে ভোট গণনা চলছে।

সকাল ৮টা থেকে আসনটির ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। কোনো বিরতি ছাড়াই এই ভোটগ্রহণ কার্যক্রম বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে। ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী এলাকা নিয়ে গঠিত এই আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৪০ জন।

নির্বাচনে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁরা হলেন বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের মির্জা ফয়সল আমিন, জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের দেলাওয়ার হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের বটগাছ প্রতীকের মো. আব্দুল আলীম নিজামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের মো. খাদেমুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের ডাব প্রতীকের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।

নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। নির্বাচনী এলাকায় দায়িত্ব পালন করেছেন ২১ প্লাটুন বিজিবি, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) ২৫১ সদস্য, পুলিশের ২ হাজার ২৭২ সদস্য এবং আনসার বাহিনীর ২ হাজার ৪৬৫ সদস্য। এছাড়া নির্বাচনী দায়িত্বে বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা নিয়োজিত ছিলেন।