নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম শহরের ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকা রিয়াজউদ্দিন বাজারের আমতলা এলাকায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ(সিডিএ) কর্তৃক হকার পুর্ণবাসনের জন্য প্রায় ১০০ কোটি টাকা মুল্যমানের জায়গা হকার সমিতি নামের একটি সংগঠনকে বরাদ্ধ দেয়া হয়েছিল। পরবর্তিতে সে জায়গায় ইমপ্লাস ডেভলামেন্ট এর মালিক সেলিমউল্লাহ ১৯৯৯ সালে চউক থেকে সেমি বেইজম্যান্টসহ ৭তলা ভবন নির্মাণের অনুমোদন নেয়। বর্তমানে ওই জায়গায় সম্পূর্ণ অপরিকল্পিত ও ব্যত্যয়কৃতভাবে ১০ তালা ভবন নির্মাণ চলমান থাকলেও কর্তৃপক্ষ চোখে টিনের চশমা লাগিয়ে নাকে তৈল দিয়ে সুখ নিদ্রা যাচ্ছে।

সুত্রটি জানান, বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহনের পর নবাগত সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন নতুন প্রকল্প তৈরীর চেষ্ঠা না করে ডেপুটেশনে আসা বিজ্ঞ বিচারক ও তিনি নিজেই নিজের এফবি’র মাধ্যমে লাইভ শোডাউন দিয়ে কল্পিত নগরায়নের বিভোর স্বপ্নে অনাহুত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে নগরবাসীর পকেট কাটা শুরু করেছে। অন্যদিকে চউকের সৃষ্ঠ আবাসন ও জড়াজীর্ন স্থাপনাগুলো কি হালে রয়েছে তা তদারকি এবং নিজের অফিসে প্রশাসনিক ব্যর্থতার কারণে যে জনদুর্ভোগ ও লুটপাটের মহোৎসব চলছে তা পর্যবেক্ষন করা থেকে রহস্যজনক কারণে বিরত রয়েছে। এছাড়াও প্রশাসনিক দুর্নীতি কি হারে বৃদ্ধি পেয়েছে তা তার প্রশাসনিক অদুরদর্শীতার লক্ষণ বলে বিজ্ঞমহলের অভিমত।

নগরীর বাণিজ্যিক ভবন ও মার্কেট নির্মাণের ক্ষেত্রে অনুমোদিত নকশা, ভবনের ব্যবহার, নিরাপত্তা এবং যানবাহন পার্কিংয়ের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ আমতলার সিডিএ মার্কেটে পর্যাপ্ত পার্কিং সুবিধা না থাকায় প্রতিদিনই ব্যবসায়ী, ক্রেতা ও পথচারীদের নানা ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, মার্কেটটিতে বেসমেন্টের মতো একটি জায়গা রয়েছে। কিন্তু সেটি যদি অনুমোদিত নকশায় যানবাহন পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত হয়ে থাকে, তাহলে সেখানে বর্তমানে দোকান স্থাপন করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে কি না—এ প্রশ্নও সামনে এসেছে। যদি সত্যিই পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত জায়গা দোকান হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে, তাহলে সেটি কোন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনে এবং কী নিয়মে করা হয়েছে, তা পরিষ্কার করা প্রয়োজন।

অন্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, সিডিএ মার্কেটের ক্ষেত্রে কী?

নগরীর বিভিন্ন ভবন ও মার্কেটের ক্ষেত্রে পার্কিংয়ের জায়গা দখল, নকশা বহির্ভূত নির্মাণ কিংবা অনুমোদনের শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) বিভিন্ন সময়ে অভিযান ও জরিমানার ব্যবস্থা নিয়ে থাকে। নকশা বহির্ভূত স্থাপনা নিয়ে কঠোর অবস্থানের কথাও বলা হয়। তাহলে প্রশ্ন উঠছে—নিজেদের নামে থাকা বা সিডিএ-সংশ্লিষ্ট এই মার্কেটের ক্ষেত্রেও কি একই আইন ও বিধি প্রযোজ্য ?

যদি আমতলার সিডিএ হকার মার্কেট অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী নির্মিত হয়ে থাকে, তাহলে সেই নকশা জনসম্মুখে প্রকাশ করে পার্কিংয়ের জন্য কতটুকু জায়গা নির্ধারিত ছিল তা জানানো যেতে পারে। আর যদি নির্মাণ বা পরবর্তী ব্যবহারে নকশার কোনো ব্যত্যয় ঘটে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কেন এখন পর্যন্ত ব্যবস্থা নেয়নি—সেটিও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

সাধারণ মানুষের প্রশ্ন ও নগরবাসীর প্রশ্ন, আইন ও বিধিমালা কি সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য? একটি বেসরকারি ভবনে পার্কিংয়ের জায়গা দোকান হিসেবে ব্যবহার করা হলে যদি কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেয়, তাহলে একই ধরনের অভিযোগ কোনো সরকারি বা সিডিএ-সংশ্লিষ্ট স্থাপনার ক্ষেত্রে উঠলে তারও কি একইভাবে তদন্ত হওয়া উচিত নয়?

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিষয়টি নিয়ে অনুমান বা অভিযোগের ভিত্তিতে সিদ্ধান্তে না গিয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করা প্রয়োজন। মার্কেটটির অনুমোদিত নকশা, নির্মাণ অনুমোদন, ভূমি ব্যবহারের অনুমতি, পার্কিংয়ের নির্ধারিত স্থান এবং বর্তমানে সেই স্থানের ব্যবহার—সবকিছু সরেজমিন পরিদর্শন ও নথি যাচাইয়ের মাধ্যমে পরিষ্কার করা সম্ভব।

জবাবদিহি চান নগরবাসী

আমতলার সিডিএ মার্কেটের বিষয়ে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা খুবই স্পষ্ট—অনুমোদিত নকশা থাকলে তা প্রকাশ করা হোক, নকশাবহির্ভূত কিছু হয়ে থাকলে তা চিহ্নিত করা হোক এবং পার্কিংয়ের জায়গা অন্য কাজে ব্যবহৃত হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

একই সঙ্গে সিডিএ কর্তৃপক্ষের কাছে নগরবাসীর প্রশ্ন—মার্কেটটির নির্মাণ ও বর্তমান ব্যবহার কি অনুমোদিত নকশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ? বেসমেন্টে দোকান বরাদ্দের অনুমতি কে দিয়েছে? সেখানে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকার কথা ছিল কি না? আর থাকলে সেই জায়গায় দোকান করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি? এসব প্রশ্নের উত্তর প্রকাশ্যে আসা জরুরি। কারণ নগর পরিকল্পনা ও ভবন নির্মাণের নিয়ম যদি সাধারণ মানুষের জন্য কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হয়, তাহলে সরকারি বা কর্তৃপক্ষ -সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোর ক্ষেত্রেও একই মানদণ্ড প্রয়োগ হচ্ছে কি না—সেটি নিশ্চিত করাও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।

নগরবাসীর দাবি, আমতলার সিডিএ মার্কেটের অনুমোদিত নকশা ও বর্তমান বাস্তব অবস্থা সরেজমিন তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একই সঙ্গে পার্কিংয়ের জায়গা থাকলে তা পুনরুদ্ধার করে যানজট নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থাও নেওয়া হোক।

চোখ রাখুন ধারাবাহিক পর্ব-৩এ (সিস্টেম এনালিস্ট কর্তৃক অফিস মালামাল সাপ্লাই সংক্রান্ত দুর্ণীতি নিয়ে) 

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম শহরের ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকা রিয়াজউদ্দিন বাজারের আমতলা এলাকায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ(সিডিএ) কর্তৃক হকার পুর্ণবাসনের জন্য প্রায় ১০০ কোটি টাকা মুল্যমানের জায়গা হকার সমিতি নামের একটি সংগঠনকে বরাদ্ধ দেয়া হয়েছিল। পরবর্তিতে সে জায়গায় ইমপ্লাস ডেভলামেন্ট এর মালিক সেলিমউল্লাহ ১৯৯৯ সালে চউক থেকে সেমি বেইজম্যান্টসহ ৭তলা ভবন নির্মাণের অনুমোদন নেয়। বর্তমানে ওই জায়গায় সম্পূর্ণ অপরিকল্পিত ও ব্যত্যয়কৃতভাবে ১০ তালা ভবন নির্মাণ চলমান থাকলেও কর্তৃপক্ষ চোখে টিনের চশমা লাগিয়ে নাকে তৈল দিয়ে সুখ নিদ্রা যাচ্ছে।

সুত্রটি জানান, বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহনের পর নবাগত সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন নতুন প্রকল্প তৈরীর চেষ্ঠা না করে ডেপুটেশনে আসা বিজ্ঞ বিচারক ও তিনি নিজেই নিজের এফবি’র মাধ্যমে লাইভ শোডাউন দিয়ে কল্পিত নগরায়নের বিভোর স্বপ্নে অনাহুত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে নগরবাসীর পকেট কাটা শুরু করেছে। অন্যদিকে চউকের সৃষ্ঠ আবাসন ও জড়াজীর্ন স্থাপনাগুলো কি হালে রয়েছে তা তদারকি এবং নিজের অফিসে প্রশাসনিক ব্যর্থতার কারণে যে জনদুর্ভোগ ও লুটপাটের মহোৎসব চলছে তা পর্যবেক্ষন করা থেকে রহস্যজনক কারণে বিরত রয়েছে। এছাড়াও প্রশাসনিক দুর্নীতি কি হারে বৃদ্ধি পেয়েছে তা তার প্রশাসনিক অদুরদর্শীতার লক্ষণ বলে বিজ্ঞমহলের অভিমত।

নগরীর বাণিজ্যিক ভবন ও মার্কেট নির্মাণের ক্ষেত্রে অনুমোদিত নকশা, ভবনের ব্যবহার, নিরাপত্তা এবং যানবাহন পার্কিংয়ের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ আমতলার সিডিএ মার্কেটে পর্যাপ্ত পার্কিং সুবিধা না থাকায় প্রতিদিনই ব্যবসায়ী, ক্রেতা ও পথচারীদের নানা ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, মার্কেটটিতে বেসমেন্টের মতো একটি জায়গা রয়েছে। কিন্তু সেটি যদি অনুমোদিত নকশায় যানবাহন পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত হয়ে থাকে, তাহলে সেখানে বর্তমানে দোকান স্থাপন করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে কি না—এ প্রশ্নও সামনে এসেছে। যদি সত্যিই পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত জায়গা দোকান হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে, তাহলে সেটি কোন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনে এবং কী নিয়মে করা হয়েছে, তা পরিষ্কার করা প্রয়োজন।

অন্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, সিডিএ মার্কেটের ক্ষেত্রে কী?

নগরীর বিভিন্ন ভবন ও মার্কেটের ক্ষেত্রে পার্কিংয়ের জায়গা দখল, নকশা বহির্ভূত নির্মাণ কিংবা অনুমোদনের শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) বিভিন্ন সময়ে অভিযান ও জরিমানার ব্যবস্থা নিয়ে থাকে। নকশা বহির্ভূত স্থাপনা নিয়ে কঠোর অবস্থানের কথাও বলা হয়। তাহলে প্রশ্ন উঠছে—নিজেদের নামে থাকা বা সিডিএ-সংশ্লিষ্ট এই মার্কেটের ক্ষেত্রেও কি একই আইন ও বিধি প্রযোজ্য ?

যদি আমতলার সিডিএ হকার মার্কেট অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী নির্মিত হয়ে থাকে, তাহলে সেই নকশা জনসম্মুখে প্রকাশ করে পার্কিংয়ের জন্য কতটুকু জায়গা নির্ধারিত ছিল তা জানানো যেতে পারে। আর যদি নির্মাণ বা পরবর্তী ব্যবহারে নকশার কোনো ব্যত্যয় ঘটে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কেন এখন পর্যন্ত ব্যবস্থা নেয়নি—সেটিও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

সাধারণ মানুষের প্রশ্ন ও নগরবাসীর প্রশ্ন, আইন ও বিধিমালা কি সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য? একটি বেসরকারি ভবনে পার্কিংয়ের জায়গা দোকান হিসেবে ব্যবহার করা হলে যদি কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেয়, তাহলে একই ধরনের অভিযোগ কোনো সরকারি বা সিডিএ-সংশ্লিষ্ট স্থাপনার ক্ষেত্রে উঠলে তারও কি একইভাবে তদন্ত হওয়া উচিত নয়?

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিষয়টি নিয়ে অনুমান বা অভিযোগের ভিত্তিতে সিদ্ধান্তে না গিয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করা প্রয়োজন। মার্কেটটির অনুমোদিত নকশা, নির্মাণ অনুমোদন, ভূমি ব্যবহারের অনুমতি, পার্কিংয়ের নির্ধারিত স্থান এবং বর্তমানে সেই স্থানের ব্যবহার—সবকিছু সরেজমিন পরিদর্শন ও নথি যাচাইয়ের মাধ্যমে পরিষ্কার করা সম্ভব।

জবাবদিহি চান নগরবাসী

আমতলার সিডিএ মার্কেটের বিষয়ে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা খুবই স্পষ্ট—অনুমোদিত নকশা থাকলে তা প্রকাশ করা হোক, নকশাবহির্ভূত কিছু হয়ে থাকলে তা চিহ্নিত করা হোক এবং পার্কিংয়ের জায়গা অন্য কাজে ব্যবহৃত হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

একই সঙ্গে সিডিএ কর্তৃপক্ষের কাছে নগরবাসীর প্রশ্ন—মার্কেটটির নির্মাণ ও বর্তমান ব্যবহার কি অনুমোদিত নকশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ? বেসমেন্টে দোকান বরাদ্দের অনুমতি কে দিয়েছে? সেখানে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকার কথা ছিল কি না? আর থাকলে সেই জায়গায় দোকান করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি? এসব প্রশ্নের উত্তর প্রকাশ্যে আসা জরুরি। কারণ নগর পরিকল্পনা ও ভবন নির্মাণের নিয়ম যদি সাধারণ মানুষের জন্য কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হয়, তাহলে সরকারি বা কর্তৃপক্ষ -সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোর ক্ষেত্রেও একই মানদণ্ড প্রয়োগ হচ্ছে কি না—সেটি নিশ্চিত করাও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।

নগরবাসীর দাবি, আমতলার সিডিএ মার্কেটের অনুমোদিত নকশা ও বর্তমান বাস্তব অবস্থা সরেজমিন তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একই সঙ্গে পার্কিংয়ের জায়গা থাকলে তা পুনরুদ্ধার করে যানজট নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থাও নেওয়া হোক।

চোখ রাখুন ধারাবাহিক পর্ব-৩এ (সিস্টেম এনালিস্ট কর্তৃক অফিস মালামাল সাপ্লাই সংক্রান্ত দুর্ণীতি নিয়ে)