*৮ তলার অনুমোদন নিয়ে আংশিক ১২ তলা ভবন নির্মাণ,১৫ ফুট বাফার ল্যান্ড হজম

এম ইকবাল হোসেন: এমিটির এমডি নুরউদ্দীনের বেপরোয়া আচরণ। ল্যান্ড ওনার শাকিল আবেদিন ধরা ছোয়ার বাইরে। এমিটি প্রপার্টিজ বেশ কয়েকটি ভবন নির্মাণ করেছে চট্টগ্রাম শহরতলিতে, এসব ভবন নান্দনিক বটে। তবে কতগুলো ভবন নিয়ম মেনে তৈরি করা হয়েছে তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে সিডিএর উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে।

সম্প্রতি আবেদ কলোনিতে একটি ভবন এর ৮ তলার অনুমতি নিয়ে ১১ তলা ভবন নির্মাণ করার অভিযোগে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর এসব তথ্য। গত ১১ অক্টোবর সিডিএ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান পরিচালনার সময় সিডিএ কর্মকর্তাদের এক ঘন্টা দাঁড় করিয়ে রাখে ভবন মালিক শাকিল আবেদিন।

সূত্রে জানা যায়, সিডিএ’র মোবাইল কোর্ট অভিযানে ভবন মালিককে ২৫ লাখ টাকা জরিমানা করে অনাদায়ে ৪ বছর কারাদন্ড দেয়ার কথা। আজ বিকেলে সিডিএ ভবনে গিয়ে তদবির চালানোর প্রমাণ পাওয়া যায় ।এতে সহযোগী হিসেবে হাসেম নামের একজন ইঞ্জিনিয়ার এর সন্ধান পাওয়া যায়। অথরাইজ অফিসার এর কার্যালয়ে গিয়ে তোষামোদির একটি ভিডিও চিত্র আনাদের কাছে সংরক্ষিত আছে। অন্যদিকে আগামী ২৭ এপ্রিল ২০২৭ এর মধ্যে ভবনের অবৈধ অংশ ভেঙে ফেলার তাগদা দেওয়া হয়েছে।

নগরীর লাভ-লেইনের আবেদিন কলোনিতে অবস্থিত সেলিম এঞ্জেলিক নামক একটি বহুতল ভবন নির্মাণ করে এমিটি প্রপার্টিজ ডেভেলপার কোম্পানি। এই বিল্ডিংয়ের ল্যান্ড ওনারের নাম শাকিল আবেদিন। এই ভবনটি ঐ এলাকার শেষ ভাগ অর্থাৎ খালের সাথে লাগানো।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খাল এবং পাশের বিল্ডিং থেকে যতটুকু জায়গা ছেড়ে ভবন নির্মাণ করার কথা সে নিয়মও মানা হয়নি। সিডিএ অনুমোদন দিয়েছে ৮ তলা। কিন্তু ভবন নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান খালের পাশে ১৫ ফুট বাফার ল্যান্ড না ছেড়ে ১১ তলা ও আংশিক ১২ তলা ভবন গায়ের জোড়ে নির্মাণ করেছে।

এর আগে এসব অনিয়মের চিত্র সরেজমিনে জানতে গেলে ভবন মালিক এবং এমিটির এমডি নূরউদ্দিন এক সাংবাদিকে ডেকে নিয়ে অসভ্য ইঙ্গিত দিয়ে নুরউদ্দিন বলে ” আমার পুন্দে আঙুল দিন, আপনে কে আপনাকে এত প্রশ্নের জবাব দিতে হবে কেন, আপনি কে” ?

ঐ সাংবাদিক আবার তার ফেইসবুক পোস্ট করে বলেন তাকে ডেকে নিয়ে ভবন মালিক এবং ঐ প্রপার্টিজ কোম্পানির মালিক নূরউদ্দিন দুই ঘন্টা অবরুদ্ধ করে রেখেছে। ফেইসবুক পোস্ট এবং অসভ্য ভাষা ব্যবহারের ভিডিও চিত্র সংরক্ষিত আছে। শুধু তাই নয়, আরো ভয়ংকর অভিযোগ আছে যা একটি কথপোকথন পর্যায়ে পিডিবি’র এক কর্মকর্তা বলে ফেলেন। তা অন্য এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হবে।

ভবন মালিক এবং ডেভলাপার কোম্পানি সকলের চোখ ফাঁকি দিয়ে বিশেষ করে সিডিএ, পিডিবি, ওয়াসা, গ্যাস কি করে তাদের সংযোগ দিয়েছে এ বিষয়ে ল্যান্ড ওনারকে কল দিলে তিনি কোন রেসপন্স করেননি। হোয়াটসঅ্যাপে খুদে বার্তা পাঠিয়েও কোন রেসপন্স পাওয়া যায়নি।

একই কারণ জানতে চেয়ে ডেভেলপার কোম্পানি নুরউদ্দিনকে কল দেয়া হলে প্রথমে তিনি রেসপন্স না করলেও গত ১১ অক্টোবর কল করার ১৫ মিনিট পর কল দিয়ে বলেন ” হ্যা কে আপনি, নিউজ করেছেন তো, তো কি হয়েছে, আপনি কে, কে আপনি, আপনি কোথা থেকে পড়াশোনা করেছেন, আমার নাম্বার পেলেন কোথা থেকে”? অর্থাৎ তিনি সাংবাদিক জেনেও এমন আচরণ করেন তা তো স্পষ্ট, কিন্তু কি থেকে কি হল, কারা কারা ম্যানেজ ছিল সে বিষয়ে কিছুই বলেননি। পরে প্রতিবেদকের নাম্বারটি ব্লক করে দেয়।

এখন প্রশ্ন হল আট তলার পরে অবৈধ ফ্ল্যাটগুলো যাদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে তারা কোথায় যাবে..? তাদেরকে কি দোষ..? এসব ফ্ল্যাট বিক্রি করে ডেভেলপার কোম্পানি এবং ল্যান্ড ওনার কত টাকা পকেটে ভরেছে..? তার চেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে বাড়তি ফ্ল্যাট গুলোর কারণে পুরো ভবনটি ঠিক কতটুকু ঝুকিপূর্ণ হয়ে দাড়িয়ে, এবং এই ভবনে বসবাস কতটুকু ঝুকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আবেদিন কলোনিতে এ ধরণের আর কোন ভবন আছে কিনা তা খতিয়ে দেখার তাগিদ দিয়েছে সচেতন মহল।

তবে সবকিছুর পরেও গুঞ্জন শুনা যাচ্ছে কোন এক ক্ষমতাধর রাজনৈতিক ব্যক্তি ল্যান্ড ওনার শাকিল আবেদিনের নিকট-আত্মীয়, তাই সিডিএ’র সব অভিযান থমকে যেতে পারে।

*৮ তলার অনুমোদন নিয়ে আংশিক ১২ তলা ভবন নির্মাণ,১৫ ফুট বাফার ল্যান্ড হজম

এম ইকবাল হোসেন: এমিটির এমডি নুরউদ্দীনের বেপরোয়া আচরণ। ল্যান্ড ওনার শাকিল আবেদিন ধরা ছোয়ার বাইরে। এমিটি প্রপার্টিজ বেশ কয়েকটি ভবন নির্মাণ করেছে চট্টগ্রাম শহরতলিতে, এসব ভবন নান্দনিক বটে। তবে কতগুলো ভবন নিয়ম মেনে তৈরি করা হয়েছে তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে সিডিএর উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে।

সম্প্রতি আবেদ কলোনিতে একটি ভবন এর ৮ তলার অনুমতি নিয়ে ১১ তলা ভবন নির্মাণ করার অভিযোগে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর এসব তথ্য। গত ১১ অক্টোবর সিডিএ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান পরিচালনার সময় সিডিএ কর্মকর্তাদের এক ঘন্টা দাঁড় করিয়ে রাখে ভবন মালিক শাকিল আবেদিন।

সূত্রে জানা যায়, সিডিএ’র মোবাইল কোর্ট অভিযানে ভবন মালিককে ২৫ লাখ টাকা জরিমানা করে অনাদায়ে ৪ বছর কারাদন্ড দেয়ার কথা। আজ বিকেলে সিডিএ ভবনে গিয়ে তদবির চালানোর প্রমাণ পাওয়া যায় ।এতে সহযোগী হিসেবে হাসেম নামের একজন ইঞ্জিনিয়ার এর সন্ধান পাওয়া যায়। অথরাইজ অফিসার এর কার্যালয়ে গিয়ে তোষামোদির একটি ভিডিও চিত্র আনাদের কাছে সংরক্ষিত আছে। অন্যদিকে আগামী ২৭ এপ্রিল ২০২৭ এর মধ্যে ভবনের অবৈধ অংশ ভেঙে ফেলার তাগদা দেওয়া হয়েছে।

নগরীর লাভ-লেইনের আবেদিন কলোনিতে অবস্থিত সেলিম এঞ্জেলিক নামক একটি বহুতল ভবন নির্মাণ করে এমিটি প্রপার্টিজ ডেভেলপার কোম্পানি। এই বিল্ডিংয়ের ল্যান্ড ওনারের নাম শাকিল আবেদিন। এই ভবনটি ঐ এলাকার শেষ ভাগ অর্থাৎ খালের সাথে লাগানো।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খাল এবং পাশের বিল্ডিং থেকে যতটুকু জায়গা ছেড়ে ভবন নির্মাণ করার কথা সে নিয়মও মানা হয়নি। সিডিএ অনুমোদন দিয়েছে ৮ তলা। কিন্তু ভবন নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান খালের পাশে ১৫ ফুট বাফার ল্যান্ড না ছেড়ে ১১ তলা ও আংশিক ১২ তলা ভবন গায়ের জোড়ে নির্মাণ করেছে।

এর আগে এসব অনিয়মের চিত্র সরেজমিনে জানতে গেলে ভবন মালিক এবং এমিটির এমডি নূরউদ্দিন এক সাংবাদিকে ডেকে নিয়ে অসভ্য ইঙ্গিত দিয়ে নুরউদ্দিন বলে ” আমার পুন্দে আঙুল দিন, আপনে কে আপনাকে এত প্রশ্নের জবাব দিতে হবে কেন, আপনি কে” ?

ঐ সাংবাদিক আবার তার ফেইসবুক পোস্ট করে বলেন তাকে ডেকে নিয়ে ভবন মালিক এবং ঐ প্রপার্টিজ কোম্পানির মালিক নূরউদ্দিন দুই ঘন্টা অবরুদ্ধ করে রেখেছে। ফেইসবুক পোস্ট এবং অসভ্য ভাষা ব্যবহারের ভিডিও চিত্র সংরক্ষিত আছে। শুধু তাই নয়, আরো ভয়ংকর অভিযোগ আছে যা একটি কথপোকথন পর্যায়ে পিডিবি’র এক কর্মকর্তা বলে ফেলেন। তা অন্য এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হবে।

ভবন মালিক এবং ডেভলাপার কোম্পানি সকলের চোখ ফাঁকি দিয়ে বিশেষ করে সিডিএ, পিডিবি, ওয়াসা, গ্যাস কি করে তাদের সংযোগ দিয়েছে এ বিষয়ে ল্যান্ড ওনারকে কল দিলে তিনি কোন রেসপন্স করেননি। হোয়াটসঅ্যাপে খুদে বার্তা পাঠিয়েও কোন রেসপন্স পাওয়া যায়নি।

একই কারণ জানতে চেয়ে ডেভেলপার কোম্পানি নুরউদ্দিনকে কল দেয়া হলে প্রথমে তিনি রেসপন্স না করলেও গত ১১ অক্টোবর কল করার ১৫ মিনিট পর কল দিয়ে বলেন ” হ্যা কে আপনি, নিউজ করেছেন তো, তো কি হয়েছে, আপনি কে, কে আপনি, আপনি কোথা থেকে পড়াশোনা করেছেন, আমার নাম্বার পেলেন কোথা থেকে”? অর্থাৎ তিনি সাংবাদিক জেনেও এমন আচরণ করেন তা তো স্পষ্ট, কিন্তু কি থেকে কি হল, কারা কারা ম্যানেজ ছিল সে বিষয়ে কিছুই বলেননি। পরে প্রতিবেদকের নাম্বারটি ব্লক করে দেয়।

এখন প্রশ্ন হল আট তলার পরে অবৈধ ফ্ল্যাটগুলো যাদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে তারা কোথায় যাবে..? তাদেরকে কি দোষ..? এসব ফ্ল্যাট বিক্রি করে ডেভেলপার কোম্পানি এবং ল্যান্ড ওনার কত টাকা পকেটে ভরেছে..? তার চেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে বাড়তি ফ্ল্যাট গুলোর কারণে পুরো ভবনটি ঠিক কতটুকু ঝুকিপূর্ণ হয়ে দাড়িয়ে, এবং এই ভবনে বসবাস কতটুকু ঝুকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আবেদিন কলোনিতে এ ধরণের আর কোন ভবন আছে কিনা তা খতিয়ে দেখার তাগিদ দিয়েছে সচেতন মহল।

তবে সবকিছুর পরেও গুঞ্জন শুনা যাচ্ছে কোন এক ক্ষমতাধর রাজনৈতিক ব্যক্তি ল্যান্ড ওনার শাকিল আবেদিনের নিকট-আত্মীয়, তাই সিডিএ’র সব অভিযান থমকে যেতে পারে।