প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, একটি দেশকে এগিয়ে নিতে হলে যুবসমাজকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের স্বার্থকে সবার আগে প্রাধান্য দিতে হবে এবং এটি করলেই প্রতিটি নাগরিকের অধিকার রক্ষা করা সম্ভব হবে। শনিবার ১৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে আয়োজিত ‘ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ ও অনুদান প্রদান’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তরুণদের অবদানের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা তরুণরা নিজেদের পড়াশোনা ও পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি মানুষের কল্যাণে স্বেচ্ছায় কাজ করে যাচ্ছেন। মানুষের বিপদে তাঁদের এই পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিহিত করেন তিনি। অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, অলিম্পিকের মতো সাফল্য বা মহান মুক্তিযুদ্ধ ও ২০২৪ সালের আন্দোলনে প্রবীণদের পরামর্শ থাকলেও সরাসরি মাঠে থেকে তরুণরাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। দেশের যেকোনো বড় পরিবর্তন ও অগ্রগতির ক্ষেত্রে তরুণদের শক্তি, সাহস ও মেধা অপরিহার্য।

নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তরুণ উদ্যোক্তা ও প্রতিভাবান যুবকদের সহায়তার জন্য সরকার স্টার্টআপ ফান্ড বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়েছে। প্রয়োজনে ৫০০ কোটি টাকার তহবিলের পরিমাণ আরও বাড়ানো হবে। তিনি তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও কর্মস্পৃহাকে দেশের উন্নয়নে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে ১৫ জন যুব স্বেচ্ছাসেবক ও যুব সংগঠনের প্রতিনিধিকে ‘ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ প্রদান করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকার চেক, সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র দেওয়া হয়। এছাড়া দেশের ৪৩২টি যুব সংগঠনকে তাদের কার্যক্রম গতিশীল করতে প্রতিটি সংগঠনকে দুই লাখ টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন এবং পুরস্কারপ্রাপ্ত তিনজন তাদের স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস এ সময় উপস্থিত ছিলেন এবং দেশের ৬৪টি জেলা থেকে স্বেচ্ছাসেবকরা অনলাইনে অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরিশেষে তরুণদের দেশপ্রেম, মানবিকতা ও সেবার মনোভাব নিয়ে ‘সবার আগে বাংলাদেশ এবং সবার জন্য বাংলাদেশ’ লক্ষ্য বাস্তবায়নে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, একটি দেশকে এগিয়ে নিতে হলে যুবসমাজকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের স্বার্থকে সবার আগে প্রাধান্য দিতে হবে এবং এটি করলেই প্রতিটি নাগরিকের অধিকার রক্ষা করা সম্ভব হবে। শনিবার ১৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে আয়োজিত ‘ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ ও অনুদান প্রদান’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তরুণদের অবদানের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা তরুণরা নিজেদের পড়াশোনা ও পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি মানুষের কল্যাণে স্বেচ্ছায় কাজ করে যাচ্ছেন। মানুষের বিপদে তাঁদের এই পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিহিত করেন তিনি। অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, অলিম্পিকের মতো সাফল্য বা মহান মুক্তিযুদ্ধ ও ২০২৪ সালের আন্দোলনে প্রবীণদের পরামর্শ থাকলেও সরাসরি মাঠে থেকে তরুণরাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। দেশের যেকোনো বড় পরিবর্তন ও অগ্রগতির ক্ষেত্রে তরুণদের শক্তি, সাহস ও মেধা অপরিহার্য।

নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তরুণ উদ্যোক্তা ও প্রতিভাবান যুবকদের সহায়তার জন্য সরকার স্টার্টআপ ফান্ড বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়েছে। প্রয়োজনে ৫০০ কোটি টাকার তহবিলের পরিমাণ আরও বাড়ানো হবে। তিনি তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও কর্মস্পৃহাকে দেশের উন্নয়নে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে ১৫ জন যুব স্বেচ্ছাসেবক ও যুব সংগঠনের প্রতিনিধিকে ‘ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ প্রদান করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকার চেক, সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র দেওয়া হয়। এছাড়া দেশের ৪৩২টি যুব সংগঠনকে তাদের কার্যক্রম গতিশীল করতে প্রতিটি সংগঠনকে দুই লাখ টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন এবং পুরস্কারপ্রাপ্ত তিনজন তাদের স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস এ সময় উপস্থিত ছিলেন এবং দেশের ৬৪টি জেলা থেকে স্বেচ্ছাসেবকরা অনলাইনে অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরিশেষে তরুণদের দেশপ্রেম, মানবিকতা ও সেবার মনোভাব নিয়ে ‘সবার আগে বাংলাদেশ এবং সবার জন্য বাংলাদেশ’ লক্ষ্য বাস্তবায়নে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।