নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা: রাজধানীর খিলক্ষেত ও বনানী এলাকায় সাংবাদিকতার লেবাস পরে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি এবং ভুয়া প্রেস ক্লাব খুলে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করার অভিযোগ উঠেছে হাবিব সরকার স্বাধীন নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অক্ষরজ্ঞানহীন এই ব্যক্তি নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমনকি সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধভাবে ‘খিলক্ষেত প্রেস ক্লাব’ নাম দিয়ে একটি দপ্তর খুলে অপকর্মের আখড়া বানিয়েছেন তিনি, যার কোনো দাপ্তরিক অনুমোদন বা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাথে সংশ্লিষ্টতা নেই।

মাদক ব্যবসা ও কারাবাস

অনুসন্ধানে জানা যায়, হাবিব সরকার স্বাধীনের প্রধান ব্যবসা মূলত মাদক। ইতিপূর্বে বনানী থানায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তিনি। বনানী থানায় ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯। মামলা নং-৪১। জেল থেকে জামিনে বেরিয়ে এসে তিনি তদানিন্তন তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কাল্পনিক ও মানহানিকর তথ্য ছড়িয়ে এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। একইভাবে খিলক্ষেত থানায় ইয়াবাসহ পুনরায় গ্রেপ্তার (১১ এপ্রিল ২০২৪) হওয়ার পর তাকে আটককারী এসআই সজিবের বিরুদ্ধেও নজিরবিহীন অপপ্রচার চালান এই কথিত সাংবাদিক।

রাজনৈতিক নেতাদের টার্গেট ও সাইবার বুলিং

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এলাকার সম্মানিত ব্যক্তি বা রাজনৈতিক নেতারা স্বাধীনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধা দিলে তাদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও নামসর্বস্ব ভুঁইফোড় পোর্টালে নির্লজ্জ মিথ্যাচার শুরু করেন তিনি। সম্প্রতি বনানী থানা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মঈনুল ইসলাম রনির বিরুদ্ধেও এমন অপপ্রচার চালিয়েছেন তিনি।

এছাড়া কড়াইল বস্তির এক অসাধু নারীর কাছ থেকে অর্থ নিয়ে যুবদল নেতা লিটনের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোর অভিযোগ উঠেছে স্বাধীনের বিরুদ্ধে। স্থানীয়রা জানান, এর আগে ওই নারীর কাছে চাঁদা না পেয়ে তার বিরুদ্ধেও অপপ্রচার চালিয়েছিলেন এই ‘সুবিধাবাদী’ ব্যক্তি। এর আগে বনানী থানা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান এবং সাবেক সভানেত্রী রোকেয়া সরকারের বিরুদ্ধেও কুরুচিপূর্ণ মিথ্যাচার করেছেন তিনি।

ভুয়া প্রেস ক্লাব ও চাঁদাবাজি

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক খিলক্ষেত এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, “হাবিব সরকার স্বাধীন স্কুলের গণ্ডিও পার হতে পারেননি। তার ফেসবুক স্ট্যাটাস বা পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদের বানান দেখলেই তার শিক্ষার দৌড় বোঝা যায়। অথচ সে সরকারি জায়গা দখল করে ‘খিলক্ষেত প্রেস ক্লাব’ খুলে বসেছে এবং নিজেকে তার সভাপতি ঘোষণা করেছে। সাধারণ মানুষকে নিউজ করার ভয় দেখিয়ে সে নিয়মিত চাঁদা আদায় করে।”

অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনের বক্তব্য, “প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। একটি সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়েছিল বনানী থানার ওসি। পরবর্তীতে একজন পুলিশের সোর্সের সঙ্গে বিরোধের জেরে ওই সোর্সের সঙ্গে মিলে তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়েছে তৎকালীন খিলক্ষেত থানার এসআই সজিব।” এমন দাবি করেন স্বাধীন

কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়, খিলক্ষেত প্রেস ক্লাব নামে কোনো স্বীকৃত শাখার অস্তিত্ব তাদের তালিকায় নেই। এটি সম্পূর্ণ অবৈধ এবং ব্যক্তিগত স্বার্থে পরিচালিত একটি ভুয়া সংগঠন।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা বলছেন, সাংবাদিকতার মতো পবিত্র পেশাকে কলঙ্কিত করা এই মাদক কারবারিকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা না হলে এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা: রাজধানীর খিলক্ষেত ও বনানী এলাকায় সাংবাদিকতার লেবাস পরে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি এবং ভুয়া প্রেস ক্লাব খুলে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করার অভিযোগ উঠেছে হাবিব সরকার স্বাধীন নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অক্ষরজ্ঞানহীন এই ব্যক্তি নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমনকি সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধভাবে ‘খিলক্ষেত প্রেস ক্লাব’ নাম দিয়ে একটি দপ্তর খুলে অপকর্মের আখড়া বানিয়েছেন তিনি, যার কোনো দাপ্তরিক অনুমোদন বা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাথে সংশ্লিষ্টতা নেই।

মাদক ব্যবসা ও কারাবাস

অনুসন্ধানে জানা যায়, হাবিব সরকার স্বাধীনের প্রধান ব্যবসা মূলত মাদক। ইতিপূর্বে বনানী থানায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তিনি। বনানী থানায় ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯। মামলা নং-৪১। জেল থেকে জামিনে বেরিয়ে এসে তিনি তদানিন্তন তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কাল্পনিক ও মানহানিকর তথ্য ছড়িয়ে এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। একইভাবে খিলক্ষেত থানায় ইয়াবাসহ পুনরায় গ্রেপ্তার (১১ এপ্রিল ২০২৪) হওয়ার পর তাকে আটককারী এসআই সজিবের বিরুদ্ধেও নজিরবিহীন অপপ্রচার চালান এই কথিত সাংবাদিক।

রাজনৈতিক নেতাদের টার্গেট ও সাইবার বুলিং

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এলাকার সম্মানিত ব্যক্তি বা রাজনৈতিক নেতারা স্বাধীনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধা দিলে তাদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও নামসর্বস্ব ভুঁইফোড় পোর্টালে নির্লজ্জ মিথ্যাচার শুরু করেন তিনি। সম্প্রতি বনানী থানা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মঈনুল ইসলাম রনির বিরুদ্ধেও এমন অপপ্রচার চালিয়েছেন তিনি।

এছাড়া কড়াইল বস্তির এক অসাধু নারীর কাছ থেকে অর্থ নিয়ে যুবদল নেতা লিটনের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোর অভিযোগ উঠেছে স্বাধীনের বিরুদ্ধে। স্থানীয়রা জানান, এর আগে ওই নারীর কাছে চাঁদা না পেয়ে তার বিরুদ্ধেও অপপ্রচার চালিয়েছিলেন এই ‘সুবিধাবাদী’ ব্যক্তি। এর আগে বনানী থানা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান এবং সাবেক সভানেত্রী রোকেয়া সরকারের বিরুদ্ধেও কুরুচিপূর্ণ মিথ্যাচার করেছেন তিনি।

ভুয়া প্রেস ক্লাব ও চাঁদাবাজি

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক খিলক্ষেত এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, “হাবিব সরকার স্বাধীন স্কুলের গণ্ডিও পার হতে পারেননি। তার ফেসবুক স্ট্যাটাস বা পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদের বানান দেখলেই তার শিক্ষার দৌড় বোঝা যায়। অথচ সে সরকারি জায়গা দখল করে ‘খিলক্ষেত প্রেস ক্লাব’ খুলে বসেছে এবং নিজেকে তার সভাপতি ঘোষণা করেছে। সাধারণ মানুষকে নিউজ করার ভয় দেখিয়ে সে নিয়মিত চাঁদা আদায় করে।”

অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনের বক্তব্য, “প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। একটি সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়েছিল বনানী থানার ওসি। পরবর্তীতে একজন পুলিশের সোর্সের সঙ্গে বিরোধের জেরে ওই সোর্সের সঙ্গে মিলে তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়েছে তৎকালীন খিলক্ষেত থানার এসআই সজিব।” এমন দাবি করেন স্বাধীন

কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়, খিলক্ষেত প্রেস ক্লাব নামে কোনো স্বীকৃত শাখার অস্তিত্ব তাদের তালিকায় নেই। এটি সম্পূর্ণ অবৈধ এবং ব্যক্তিগত স্বার্থে পরিচালিত একটি ভুয়া সংগঠন।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা বলছেন, সাংবাদিকতার মতো পবিত্র পেশাকে কলঙ্কিত করা এই মাদক কারবারিকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা না হলে এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।