দি ক্রাইম ডেস্ক: সীতাকুণ্ডে রমজানকে সামনে রেখে বাণিজ্যিকভাবে প্রতিবছরের মত এ বছরেও পাহাড়ের পাদদেশে ২০ হেক্টর জমিতে ৫০০ জন কৃষক অর্ধকোটি টাকারও বেশি জনপ্রিয় সুগন্ধি পুদিনার চাষ করেছে। পুদিনা পাতা ঔষধি হিসেবে প্রাচীনকাল থেকেই পরিচিত। মৌসুমে পুদিনা চাষে তারা অর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে। ভাটিয়ারী, সলিমপুর, কুমিরা, সোনাইছড়ি সহ আরো অন্যান্য স্থানে পুদিনার চাষ হলেও সব চেয়ে বেশি সুগন্ধি পুদিনার চাষ হয়েছে উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের জাহানাবাদ এলাকার খাদেম পাড়া পাহাাড়ের পাদদেশে। এখানে শুধু ১০ হেক্টর জমিতে ঔষধি গুণে ভরা পুদিনার চাষ হয়েছে। মাহে রমজানে চট্টগ্রামের মানুষের ইফতারের সাথে একটু পুদিনা না থাকলে যেন চলেই না।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, পুদিনার প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকে, যা ক্যান্সার, হৃদরোগসহ আরো বিভিন্ন রোগ থেকে মানুষকে বাঁচাতে সাহায্য করে। এ পাতা গলার ক্ষত প্রতিরোধ করে, দাঁত ও মাড়ির ক্ষত সারিয়ে তোলতে সাহায্য করে।

তাই পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে পুদিনা বিক্রি করে আর্থিকভাবে অনেক লাভবান হবেন বলে আশা করছে কৃষক পরিবার। তারই ধারাবাহিকতায় ভাটিয়ারী ইউনিয়নের জাহানাবাদ খাদেমপাড়া এলাকার কৃষক মো. শফি চলতি মৌসুমে ৪০ শতক জমিতে বাণিজ্যিকভাবে পাহাড়ের পাদদেশে পুদিনা পাতার চাষ করেছেন। তিনি বলেন, কৃষি অফিসের পরামর্শে পুদিনা চাষ করে অনেক লাভবান হয়েছি। এতে সব মিলিয়ে খরচ পড়েছে প্রায় ১ লাখ টাকা। বাজার দর ভাল থাকলে এবং পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে প্রায় ২ লক্ষ টাকারও অধিক পুদিনা বিক্রি করতে পারবো বলে আশা করছি। তিনি বলেন, এ এলাকায় আমার মত মো. শাহ আলম, মো. সেলিম, শাহাজানসহ অন্তত ৭০ জন কৃষক কম বেশি পুদিনার চাষ করেছেন।

উপ–সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শিরিন আক্তার বলেন, সীতাকুণ্ডে পাহাড়ের পাদদেশে এখানকার কৃষক পরিবারগুলো ঔষধি উদ্ভিদ পুদিনা পাতার চাষ করেছেন। প্রতিবছর রমজানের এমন সময়ে কৃষক পুদিনা বিক্রি করে অর্থিকভাবে অনেক লাভবান হচ্ছেন। এবারও অধিক লাভের আশায় তারা আগের চেয়েও বেশি পরিমাণ পাহাড়ের পাদদেশে পুদিনার চাষ করেছেন। তিনি বলেন, শুধু ভাটিয়ারীতে অন্তত ১০ হেক্টর জমিতে বাণিজ্যিকভাবে পুদিনার চাষ হয়েছে। বিশেষ করে প্রতিবছর রমজানকে সামনে রেখেই কৃষক পরিবারগুলো এ অঞ্চলে পুদিনার চাষ করে থাকেন। পুদিনার উৎপাদন বৃদ্ধিতে কৃষকদের বিভিন্নভাবে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার মো. হাবিবুল্লাহ বলেন, পুদিনায় প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅঙিড্যান্ট থাকে; যা ক্যান্সার, হৃদরোগসহ আরো বিভিন্ন রোগ থেকে বাচাঁতে সাহায্য করে। সবরকম গুণই পুদিনা পাতায় রয়েছে। উপজেলায় ২০ হেক্টর জমিতে ৫০০ জন কৃষক পুদিনার চাষ করেছেন। এখানে সারা বছর পুদিনার চাষ হলেও বিশেষ করে প্রতিটি রমজানে সবচেয়ে বেশি পুদিনার চাষ হয়ে থাকে। আর স্থানীয়ভাবে পুদিনার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলায় নিয়ে যাচ্ছে আগত পাইকারগণ। বহুল প্রাচীনকাল থেকেই পুদিনা পাতার ব্যবহার করে চলেছে মানুষ। বর্তমানে কৃষক পরিবারগুলো পুদিনা চাষে অর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি প্রচুর কর্মসংস্থানেরও সুযোগ হচ্ছে। অন্যদিকে বার্ষিক লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করে চলেছেন কৃষক। বর্তমানে ৮৫ মেট্রিক টন পুদিনার উৎপাদন হয়েছে। যার বাজার মূল্য প্রায় অর্ধকোটি টাকারও বেশি।

দি ক্রাইম ডেস্ক: সীতাকুণ্ডে রমজানকে সামনে রেখে বাণিজ্যিকভাবে প্রতিবছরের মত এ বছরেও পাহাড়ের পাদদেশে ২০ হেক্টর জমিতে ৫০০ জন কৃষক অর্ধকোটি টাকারও বেশি জনপ্রিয় সুগন্ধি পুদিনার চাষ করেছে। পুদিনা পাতা ঔষধি হিসেবে প্রাচীনকাল থেকেই পরিচিত। মৌসুমে পুদিনা চাষে তারা অর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে। ভাটিয়ারী, সলিমপুর, কুমিরা, সোনাইছড়ি সহ আরো অন্যান্য স্থানে পুদিনার চাষ হলেও সব চেয়ে বেশি সুগন্ধি পুদিনার চাষ হয়েছে উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের জাহানাবাদ এলাকার খাদেম পাড়া পাহাাড়ের পাদদেশে। এখানে শুধু ১০ হেক্টর জমিতে ঔষধি গুণে ভরা পুদিনার চাষ হয়েছে। মাহে রমজানে চট্টগ্রামের মানুষের ইফতারের সাথে একটু পুদিনা না থাকলে যেন চলেই না।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, পুদিনার প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকে, যা ক্যান্সার, হৃদরোগসহ আরো বিভিন্ন রোগ থেকে মানুষকে বাঁচাতে সাহায্য করে। এ পাতা গলার ক্ষত প্রতিরোধ করে, দাঁত ও মাড়ির ক্ষত সারিয়ে তোলতে সাহায্য করে।

তাই পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে পুদিনা বিক্রি করে আর্থিকভাবে অনেক লাভবান হবেন বলে আশা করছে কৃষক পরিবার। তারই ধারাবাহিকতায় ভাটিয়ারী ইউনিয়নের জাহানাবাদ খাদেমপাড়া এলাকার কৃষক মো. শফি চলতি মৌসুমে ৪০ শতক জমিতে বাণিজ্যিকভাবে পাহাড়ের পাদদেশে পুদিনা পাতার চাষ করেছেন। তিনি বলেন, কৃষি অফিসের পরামর্শে পুদিনা চাষ করে অনেক লাভবান হয়েছি। এতে সব মিলিয়ে খরচ পড়েছে প্রায় ১ লাখ টাকা। বাজার দর ভাল থাকলে এবং পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে প্রায় ২ লক্ষ টাকারও অধিক পুদিনা বিক্রি করতে পারবো বলে আশা করছি। তিনি বলেন, এ এলাকায় আমার মত মো. শাহ আলম, মো. সেলিম, শাহাজানসহ অন্তত ৭০ জন কৃষক কম বেশি পুদিনার চাষ করেছেন।

উপ–সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শিরিন আক্তার বলেন, সীতাকুণ্ডে পাহাড়ের পাদদেশে এখানকার কৃষক পরিবারগুলো ঔষধি উদ্ভিদ পুদিনা পাতার চাষ করেছেন। প্রতিবছর রমজানের এমন সময়ে কৃষক পুদিনা বিক্রি করে অর্থিকভাবে অনেক লাভবান হচ্ছেন। এবারও অধিক লাভের আশায় তারা আগের চেয়েও বেশি পরিমাণ পাহাড়ের পাদদেশে পুদিনার চাষ করেছেন। তিনি বলেন, শুধু ভাটিয়ারীতে অন্তত ১০ হেক্টর জমিতে বাণিজ্যিকভাবে পুদিনার চাষ হয়েছে। বিশেষ করে প্রতিবছর রমজানকে সামনে রেখেই কৃষক পরিবারগুলো এ অঞ্চলে পুদিনার চাষ করে থাকেন। পুদিনার উৎপাদন বৃদ্ধিতে কৃষকদের বিভিন্নভাবে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার মো. হাবিবুল্লাহ বলেন, পুদিনায় প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅঙিড্যান্ট থাকে; যা ক্যান্সার, হৃদরোগসহ আরো বিভিন্ন রোগ থেকে বাচাঁতে সাহায্য করে। সবরকম গুণই পুদিনা পাতায় রয়েছে। উপজেলায় ২০ হেক্টর জমিতে ৫০০ জন কৃষক পুদিনার চাষ করেছেন। এখানে সারা বছর পুদিনার চাষ হলেও বিশেষ করে প্রতিটি রমজানে সবচেয়ে বেশি পুদিনার চাষ হয়ে থাকে। আর স্থানীয়ভাবে পুদিনার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলায় নিয়ে যাচ্ছে আগত পাইকারগণ। বহুল প্রাচীনকাল থেকেই পুদিনা পাতার ব্যবহার করে চলেছে মানুষ। বর্তমানে কৃষক পরিবারগুলো পুদিনা চাষে অর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি প্রচুর কর্মসংস্থানেরও সুযোগ হচ্ছে। অন্যদিকে বার্ষিক লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করে চলেছেন কৃষক। বর্তমানে ৮৫ মেট্রিক টন পুদিনার উৎপাদন হয়েছে। যার বাজার মূল্য প্রায় অর্ধকোটি টাকারও বেশি।