দি ক্রাইম ডেস্ক: অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘পে-স্কেল নিয়ে আমি ধৈর্য ধরতে বলবো। পে-স্কেল ১০/১২ বছর পরে করা। অনেক রকমের হিসেব নিকেশ রয়েছে। এটা নিয়ে কাজ চলছে। আমি আশা করি প্রতিবেদন দ্রুতই পাবো। তারপর এটা বাস্তবায়নের বিষয় রয়েছে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো অর্থ সংকট রয়েছে। তবে হতাশ হওয়ার কিছু নেই।’

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে গুরুদাসপুর মিনি স্টেডিয়াম পরিদর্শনে এসে নির্বাচন নিয়ে করা প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ।

গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে আমরা সংস্কার করে যাচ্ছি। পরবর্তী সরকারও সংস্কার করবে। তবে এর আগে কোনো সময়ই ভালো করে সংস্কার করা হয়নি। যা হয়েছে তা পার্টি বেইজ। যে পার্টি এসেছে তারা নিজেদের মতো সংস্কার করেছে। গণভোটে পজিটিভ দিক আছে। এর আগে যেটা ঘটেছে তা হলো, রাজনৈতিক দল ক্ষমতাবান হলে এক তরফাভাবে কাজ করেছে। আমরা বলেছি যেই ক্ষমতায় আসুক, তারা সিদ্ধান্ত নেবে। তবে আপনাদের সঙ্গে নিয়েই সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে হবে। এজন্যই গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ভোট দিতে হবে। তবেই বাংলাদেশের মানুষের ইচ্ছার, আশার প্রতিফলন ঘটবে।

গুরুদাসপুর মিনি স্টেডিয়াম অত্যন্ত চমৎকার হয়েছে জানিয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘মিনি স্টেডিয়াম নিয়ে একনেকে বেশ আলোচনা হয়েছে। এটা বড় একটা প্রকল্প ছিল। আমরা বলেছিলাম স্টেডিয়ামে লাভ কী হবে। তবে স্টেডিয়ামে গুণগত মান ভালো আছে। পুরোপুরি প্রস্তুত হলে খেলাধুলা হবে। তখন আরও ভালো লাগবে।’

এ সময় আরও উপস্থিতি ছিলেন মন্ত্রীপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ, অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন, নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন, গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা আফরোজ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

দি ক্রাইম ডেস্ক: অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘পে-স্কেল নিয়ে আমি ধৈর্য ধরতে বলবো। পে-স্কেল ১০/১২ বছর পরে করা। অনেক রকমের হিসেব নিকেশ রয়েছে। এটা নিয়ে কাজ চলছে। আমি আশা করি প্রতিবেদন দ্রুতই পাবো। তারপর এটা বাস্তবায়নের বিষয় রয়েছে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো অর্থ সংকট রয়েছে। তবে হতাশ হওয়ার কিছু নেই।’

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে গুরুদাসপুর মিনি স্টেডিয়াম পরিদর্শনে এসে নির্বাচন নিয়ে করা প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ।

গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে আমরা সংস্কার করে যাচ্ছি। পরবর্তী সরকারও সংস্কার করবে। তবে এর আগে কোনো সময়ই ভালো করে সংস্কার করা হয়নি। যা হয়েছে তা পার্টি বেইজ। যে পার্টি এসেছে তারা নিজেদের মতো সংস্কার করেছে। গণভোটে পজিটিভ দিক আছে। এর আগে যেটা ঘটেছে তা হলো, রাজনৈতিক দল ক্ষমতাবান হলে এক তরফাভাবে কাজ করেছে। আমরা বলেছি যেই ক্ষমতায় আসুক, তারা সিদ্ধান্ত নেবে। তবে আপনাদের সঙ্গে নিয়েই সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে হবে। এজন্যই গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ভোট দিতে হবে। তবেই বাংলাদেশের মানুষের ইচ্ছার, আশার প্রতিফলন ঘটবে।

গুরুদাসপুর মিনি স্টেডিয়াম অত্যন্ত চমৎকার হয়েছে জানিয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘মিনি স্টেডিয়াম নিয়ে একনেকে বেশ আলোচনা হয়েছে। এটা বড় একটা প্রকল্প ছিল। আমরা বলেছিলাম স্টেডিয়ামে লাভ কী হবে। তবে স্টেডিয়ামে গুণগত মান ভালো আছে। পুরোপুরি প্রস্তুত হলে খেলাধুলা হবে। তখন আরও ভালো লাগবে।’

এ সময় আরও উপস্থিতি ছিলেন মন্ত্রীপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ, অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন, নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন, গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা আফরোজ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।