নগর প্রতিবেদক: চিকিৎসা খাতে ৮৫০ কোটি টাকা আত্মসাত ও জালিয়াতির মামলায় পাহাড়তলী চক্ষু হাসপাতালের ম্যানেজিং ট্রাস্টি ডা.রবিউল হোসাইনের পুত্র রিয়াজ হোসেনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে প্রেরণের আদেশ দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত।

আজ শুক্রবার(১৬ জানুয়ারী) সকাল ১১টায় পাহাড়তলী থানা পুলিশ গতকাল রাতে গ্রেফতারকৃত আসামি রিয়াজ হোসেনকে আদালতে হাজির করলে বাদী সংবাদদাতাপক্ষ ও আসামিপক্ষের দীর্ঘ ও তীব্র শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে বিজ্ঞ ১ম আদালত আবু বকর সিদ্দিক মামলার ভয়াবহতা, অপরাধের প্রকৃতি, তদন্তাধীন অবস্থায় আসামির জামিনে মুক্তি পেলে বিচার প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন সৃষ্টির আশঙ্কা এবং জনহিতকর প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসাখাতের বিপুল অঙ্কের অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি আমলে নিয়ে জামিন আবেদন সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করেন।

এর আগে বিজ্ঞ ২য় আদালত কর্তৃক জারিকৃত গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তিতে গতকাল রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে পাহাড়তলী চক্ষু হাসপাতাল সংলগ্ন অবৈধভাবে দখলকৃত তাঁর বাসা থেকে পাহাড়তলী থানা পুলিশ রিয়াজ হোসেনকে গ্রেফতার করে।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, চিকিৎসা সেবা ও হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার আড়ালে সংঘবদ্ধ একটি চক্র দীর্ঘ সময় ধরে সুপরিকল্পিতভাবে ভুয়া বিল, জাল হিসাবপত্র, প্রতারণামূলক লেনদেন ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে প্রায় ৮৫০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে। এ ঘটনায় খুলশী থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়। এ মামলায় চারজন প্রধান আসামি হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

তারা হলেন- প্রফেসর ডা. রবিউল হোসাইন, মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম খান এবং কাজী মোঃ অহিদুল আলম।

এছাড়াও আসামীপক্ষ মহামান্য হাইকোর্টে আগাম জামিন চাইলে মহামান্য হাইকোর্ট নিম্ন আদালতে’র অনুমতি ছাড়া দেশ ত্যাগ করা যাবে না মর্মে নির্দেশনা দেন।

মামলার গুরুত্ব ও আসামিদের দেশত্যাগের আশঙ্কা বিবেচনায় নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারী) বিজ্ঞ ২য় আদালত’র বিচারক মোহাম্মদ আবুল মনছুর এ চারজন আসামির বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং তাদের পাসপোর্ট জব্দের নির্দেশ প্রদান সহ আগামী ধার্য্য তারিখ পর্যন্ত অন্তরবর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেন।

আদালতের এ আদেশকে মামলার তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচনা করছেন আইনজ্ঞরা।

বাদী পক্ষের আইনজীবগণ আদালতে জোরালোভাবে যুক্তি উপস্থাপন করে বলেন, মামলাটি একটি সংঘবদ্ধ আর্থিক অপরাধ, যেখানে রাষ্ট্রীয় ও সাধারণ জনগণের অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। আসামিরা প্রভাবশালী হওয়ায় জামিনে মুক্তি পেলে সাক্ষী প্রভাবিত, প্রমাণ নষ্ট এবং তদন্ত প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হওয়ার বাস্তব আশঙ্কা রয়েছে, যা আইনের দৃষ্টিতে জামিন অযোগ্য।

বিজ্ঞ আদালত রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করে মত প্রকাশ করেন যে, অভিযোগের প্রকৃতি আপাতদৃষ্টিতে গুরুতর, অপরাধ সংঘবদ্ধ ও সুপরিকল্পিত এবং আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ নজিরবিহীন। এসব বিবেচনায় আদালত কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে জামিন নামঞ্জুরের আদেশ প্রদান করেন।

আইন সংশ্লিষ্টদের মতে, চিকিৎসা খাতে এ ধরনের বিপুল অঙ্কের অর্থ আত্মসাতের ঘটনা দেশের স্বাস্থ্যখাত, জনআস্থা ও আইনের শাসনের জন্য মারাত্মক হুমকি। মামলাটি বর্তমানে নিবিড় তদন্তাধীন রয়েছে এবং অদূর ভবিষ্যতে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য উদ্ঘাটনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

বাদী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন, চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আবদুস সাত্তার, চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সেক্রেটারি মুহাম্মদ হাসান আলী চৌধুরী, মানবাধিকার আইনজীবী এডভোকেট জিয়া হাবীব আহসান, এডভোকেট মোঃ হাসান আলী, এডভোকেট মোহাম্মদ বদরুল হাসান,এডভোকেট জিয়া উদ্দিন আরমান প্রমুখ।

নগর প্রতিবেদক: চিকিৎসা খাতে ৮৫০ কোটি টাকা আত্মসাত ও জালিয়াতির মামলায় পাহাড়তলী চক্ষু হাসপাতালের ম্যানেজিং ট্রাস্টি ডা.রবিউল হোসাইনের পুত্র রিয়াজ হোসেনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে প্রেরণের আদেশ দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত।

আজ শুক্রবার(১৬ জানুয়ারী) সকাল ১১টায় পাহাড়তলী থানা পুলিশ গতকাল রাতে গ্রেফতারকৃত আসামি রিয়াজ হোসেনকে আদালতে হাজির করলে বাদী সংবাদদাতাপক্ষ ও আসামিপক্ষের দীর্ঘ ও তীব্র শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে বিজ্ঞ ১ম আদালত আবু বকর সিদ্দিক মামলার ভয়াবহতা, অপরাধের প্রকৃতি, তদন্তাধীন অবস্থায় আসামির জামিনে মুক্তি পেলে বিচার প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন সৃষ্টির আশঙ্কা এবং জনহিতকর প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসাখাতের বিপুল অঙ্কের অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি আমলে নিয়ে জামিন আবেদন সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করেন।

এর আগে বিজ্ঞ ২য় আদালত কর্তৃক জারিকৃত গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তিতে গতকাল রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে পাহাড়তলী চক্ষু হাসপাতাল সংলগ্ন অবৈধভাবে দখলকৃত তাঁর বাসা থেকে পাহাড়তলী থানা পুলিশ রিয়াজ হোসেনকে গ্রেফতার করে।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, চিকিৎসা সেবা ও হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার আড়ালে সংঘবদ্ধ একটি চক্র দীর্ঘ সময় ধরে সুপরিকল্পিতভাবে ভুয়া বিল, জাল হিসাবপত্র, প্রতারণামূলক লেনদেন ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে প্রায় ৮৫০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে। এ ঘটনায় খুলশী থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়। এ মামলায় চারজন প্রধান আসামি হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

তারা হলেন- প্রফেসর ডা. রবিউল হোসাইন, মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম খান এবং কাজী মোঃ অহিদুল আলম।

এছাড়াও আসামীপক্ষ মহামান্য হাইকোর্টে আগাম জামিন চাইলে মহামান্য হাইকোর্ট নিম্ন আদালতে’র অনুমতি ছাড়া দেশ ত্যাগ করা যাবে না মর্মে নির্দেশনা দেন।

মামলার গুরুত্ব ও আসামিদের দেশত্যাগের আশঙ্কা বিবেচনায় নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারী) বিজ্ঞ ২য় আদালত’র বিচারক মোহাম্মদ আবুল মনছুর এ চারজন আসামির বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং তাদের পাসপোর্ট জব্দের নির্দেশ প্রদান সহ আগামী ধার্য্য তারিখ পর্যন্ত অন্তরবর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেন।

আদালতের এ আদেশকে মামলার তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচনা করছেন আইনজ্ঞরা।

বাদী পক্ষের আইনজীবগণ আদালতে জোরালোভাবে যুক্তি উপস্থাপন করে বলেন, মামলাটি একটি সংঘবদ্ধ আর্থিক অপরাধ, যেখানে রাষ্ট্রীয় ও সাধারণ জনগণের অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। আসামিরা প্রভাবশালী হওয়ায় জামিনে মুক্তি পেলে সাক্ষী প্রভাবিত, প্রমাণ নষ্ট এবং তদন্ত প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হওয়ার বাস্তব আশঙ্কা রয়েছে, যা আইনের দৃষ্টিতে জামিন অযোগ্য।

বিজ্ঞ আদালত রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করে মত প্রকাশ করেন যে, অভিযোগের প্রকৃতি আপাতদৃষ্টিতে গুরুতর, অপরাধ সংঘবদ্ধ ও সুপরিকল্পিত এবং আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ নজিরবিহীন। এসব বিবেচনায় আদালত কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে জামিন নামঞ্জুরের আদেশ প্রদান করেন।

আইন সংশ্লিষ্টদের মতে, চিকিৎসা খাতে এ ধরনের বিপুল অঙ্কের অর্থ আত্মসাতের ঘটনা দেশের স্বাস্থ্যখাত, জনআস্থা ও আইনের শাসনের জন্য মারাত্মক হুমকি। মামলাটি বর্তমানে নিবিড় তদন্তাধীন রয়েছে এবং অদূর ভবিষ্যতে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য উদ্ঘাটনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

বাদী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন, চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আবদুস সাত্তার, চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সেক্রেটারি মুহাম্মদ হাসান আলী চৌধুরী, মানবাধিকার আইনজীবী এডভোকেট জিয়া হাবীব আহসান, এডভোকেট মোঃ হাসান আলী, এডভোকেট মোহাম্মদ বদরুল হাসান,এডভোকেট জিয়া উদ্দিন আরমান প্রমুখ।