কক্সবাজার প্রতিনিধি: ‘জীবনের টেকসই সূচনায় মাতৃদুগ্ধ পান, কার্যকর উদ্যোগসমূহকে করি বেগবান’এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (০৬ আগস্ট) সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানি (এসএমসি)-এর আর্থিক সহযোগিতায় এ মা সমাবেশের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে গর্ভবতী মা, নবজাতকের মা এবং অভিভাবকদের মাতৃদুগ্ধের গুরুত্ব, শিশুর সুষম পুষ্টি ও গর্ভকালীন স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ে সচেতনতামূলক আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে চিকিৎসা সেবা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শ প্রদান করেন ডা. জন্নাতুল আদম (এমবিবিএস), চকরিয়া হাসপাতাল।

তিনি বলেন, শিশুর জন্মের পর প্রথম ছয় মাস শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধই তার জন্য সর্বোত্তম ও পূর্ণাঙ্গ খাদ্য। এতে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, অপুষ্টি ও সংক্রমণের ঝুঁকি কমে এবং শিশুর স্বাভাবিক শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত হয়।

তিনি আরও জানান, শিশুর ছয় মাস পূর্ণ হওয়ার পর মায়ের দুধের পাশাপাশি পুষ্টিকর বাড়তি খাবার শুরু করা অত্যন্ত জরুরি। এ সময় এসএমসির মনিমিক্স ও মনিবিস্কু শিশুর পরিপূরক খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে বলে তিনি পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে শিশুর বয়স ও প্রয়োজন অনুযায়ী ঘরে তৈরি পুষ্টিকর খাবার নিয়মিত খাওয়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

গর্ভবতী নারীদের উদ্দেশ্যে ডা. জন্নাতুল আদম বলেন, সুস্থ মা ও সুস্থ শিশুর জন্য গর্ভকালীন নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সুষম খাদ্য গ্রহণ এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ফুলকেয়ার ও ফরবোন গ্রহণ উপকারী। এসব পুষ্টি উপাদান গর্ভবতী মায়ের শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ এবং গর্ভস্থ শিশুর সুস্থ বৃদ্ধি ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সমাবেশে মাতৃদুগ্ধ পান নিশ্চিতকরণ, শিশুর সঠিক পুষ্টি, গর্ভকালীন পরিচর্যা, স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন এবং মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিভিন্ন সচেতনতামূলক বার্তা তুলে ধরা হয়।

উপস্থিত মায়েরা চিকিৎসকের সঙ্গে সরাসরি প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ গ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ‘সীমান্তিক’-এর চকরিয়া উপজেলা সুপারভাইজার, প্যারামেডিক, সিএম (কমিউনিটি মিডওয়াইফ) এবং জিএসএমসহ সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীরা। তারা মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুর পুষ্টি এবং মাতৃদুগ্ধ পান বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের কর্মসূচি ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

কক্সবাজার প্রতিনিধি: ‘জীবনের টেকসই সূচনায় মাতৃদুগ্ধ পান, কার্যকর উদ্যোগসমূহকে করি বেগবান’এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (০৬ আগস্ট) সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানি (এসএমসি)-এর আর্থিক সহযোগিতায় এ মা সমাবেশের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে গর্ভবতী মা, নবজাতকের মা এবং অভিভাবকদের মাতৃদুগ্ধের গুরুত্ব, শিশুর সুষম পুষ্টি ও গর্ভকালীন স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ে সচেতনতামূলক আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে চিকিৎসা সেবা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শ প্রদান করেন ডা. জন্নাতুল আদম (এমবিবিএস), চকরিয়া হাসপাতাল।

তিনি বলেন, শিশুর জন্মের পর প্রথম ছয় মাস শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধই তার জন্য সর্বোত্তম ও পূর্ণাঙ্গ খাদ্য। এতে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, অপুষ্টি ও সংক্রমণের ঝুঁকি কমে এবং শিশুর স্বাভাবিক শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত হয়।

তিনি আরও জানান, শিশুর ছয় মাস পূর্ণ হওয়ার পর মায়ের দুধের পাশাপাশি পুষ্টিকর বাড়তি খাবার শুরু করা অত্যন্ত জরুরি। এ সময় এসএমসির মনিমিক্স ও মনিবিস্কু শিশুর পরিপূরক খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে বলে তিনি পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে শিশুর বয়স ও প্রয়োজন অনুযায়ী ঘরে তৈরি পুষ্টিকর খাবার নিয়মিত খাওয়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

গর্ভবতী নারীদের উদ্দেশ্যে ডা. জন্নাতুল আদম বলেন, সুস্থ মা ও সুস্থ শিশুর জন্য গর্ভকালীন নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সুষম খাদ্য গ্রহণ এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ফুলকেয়ার ও ফরবোন গ্রহণ উপকারী। এসব পুষ্টি উপাদান গর্ভবতী মায়ের শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ এবং গর্ভস্থ শিশুর সুস্থ বৃদ্ধি ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সমাবেশে মাতৃদুগ্ধ পান নিশ্চিতকরণ, শিশুর সঠিক পুষ্টি, গর্ভকালীন পরিচর্যা, স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন এবং মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিভিন্ন সচেতনতামূলক বার্তা তুলে ধরা হয়।

উপস্থিত মায়েরা চিকিৎসকের সঙ্গে সরাসরি প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ গ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ‘সীমান্তিক’-এর চকরিয়া উপজেলা সুপারভাইজার, প্যারামেডিক, সিএম (কমিউনিটি মিডওয়াইফ) এবং জিএসএমসহ সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীরা। তারা মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুর পুষ্টি এবং মাতৃদুগ্ধ পান বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের কর্মসূচি ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।