দি ক্রাইম ডেস্ক: একসময় ছিল মাদকের অভয়ারণ্য। এখন পরিণত হয়েছে ফুলের বাগানে। প্রশাসনের উদ্যোগে সৃষ্ট ফৌজদারহাট-বন্দর সংযোগ সড়কের পাশে নান্দনিক ডিসি পার্কে এবারও হচ্ছে ‘চট্টগ্রাম ফুল উৎসব’। ২০২৩ সালে মাদকের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়ে ১৯৪ একরের বিশাল এলাকায় ফুল ফোটানোর মাধ্যমে এ ফুল উৎসবের যাত্রা শুরু হয়। এরপর ২০২৪ ও ২০২৫ সালে এ উৎসব হয়। গত বছর ৪ জানুয়ারি ডিসি পার্কে ফুল উৎসব শুরু হলেও এবার উৎসব শুরু হচ্ছে ৯ জানুয়ারি। গত বছর ১৩০ প্রজাতির ফুল দিয়ে উৎসব সাজানো হয়। এবার তা বেড়ে হয়েছে ১৪০। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ১৪০ প্রজাতির ফুল দিয়ে সাজানো এবারের ফুল উৎসব আগামী ৯ জানুয়ারি শুরু হয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। আকর্ষণীয় উৎসবটিতে অংশগ্রহণে ইচ্ছুকরাwww.dcparkchattagram.com- এ প্রবেশ করে টিকেট ক্রয় করতে পারবেন। নান্দনিক ডিসি পার্ককে ফুলের রাজ্য যেমন বলা হয়, তেমন বলা হয় জলাশয়ের রাজ্যও। জলাশয় আর ফুল মিলে জায়গাটি পরিণত হয়েছে পূর্ণাঙ্গ একটি ইকোসিস্টেমে। ফুলের আকর্ষণে প্রজাপতি আর মৌমাছি আসে। জলাশয় থাকার কারণে সেখানে ফড়িং, পানকৌড়ি বা রঙিন মাছের আনাগোনা বাড়ে। ফুলের পরাগায়ন আর জলাশয়ের জলজ জীবন মিলে প্রকৃতি প্রাণবন্ত রূপ পায়। স্থির জলের দিকে তাকিয়ে থাকা এক ধরনের ‘মেডিটেশন’ বা ধ্যানের কাজ করে। এটি উচ্চ রক্তচাপ কমাতে এবং দুশ্চিন্তা দূর করতেও সাহায্য করে। সেই হিসেবে বলা যায়, ডিসি পার্কের ফুল উৎসবে অংশগ্রহণকারীরা ধ্যানের পরিবেশও পাবেন। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা দৈনিক আজাদীকে বলেন, ডিসি পার্কে চতুর্থবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম ফুল উৎসব। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ আধার ডিসি পার্কে ১৪০ প্রজাতির ফুলের সমারোহ ও বিভিন্ন আকর্ষণীয় অনুষ্ঠান নিয়ে থাকছে আমাদের মাসব্যাপী আয়োজন। এ উৎসবে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকবে মাসব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব, বই উৎসব, ভায়োলিন শো, পুতুল নাচ, মাল্টিকালচারাল ফেস্টিভ্যাল, ঘুড়ি উৎসব, পিঠা উৎসব, লেজার লাইট শো ও কাউয়ালি সন্ধা। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত পার্ক খোলা থাকবে। বিকাল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্রতিদিন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

মজাদার অ্যাডভেঞ্চার রাইড জিপ লাইন উৎসবের একটি আকর্ষণ জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, টিউলিপ, গোলাপ, নানা রঙের গাঁদা, ডালিয়া, রেড সেলভিয়া, সেমি ড্রপ, চন্দ্রমল্লিকা, সন্ধামালতী, রজনীগন্ধা, নয়নতারা থাই জবা ও দোলনচাঁপাসহ লক্ষাধিক ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছে ডিসি পার্ক। লাল-হলুদের পাশাপাশি সাদা ও গোলাপি ফুলের সমারোহও থাকবে। তিনি বলেন, উৎসবে গণভোট সংক্রান্ত একটি স্টল থাকবে। এছাড়া আমাদের দেশে বসবাসকারী ১৬টি দেশের ছাত্রছাত্রীরা তাদের নিজস্ব কালচার নিয়ে উৎসবে অংশগ্রহণ করবেন।

জেলা প্রশাসক জানান, ডিসি পার্কে ফুডকোর্ট, পর্যটকদের বসার স্থান, সেলফি কর্নার, হাঁটাচলার উন্মুক্ত স্থান, রেস্টুরেন্ট, ফুড কর্নার, সানশেড ভিউ পয়েন্ট, টিউলিপ গার্ডেন ও পাবলিক টয়লেটের ব্যবস্থা রয়েছে। আশা করছি, দর্শনার্থীরা দারুণভাবে ফুল উৎসব উদযাপন করতে পারবেন।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৪ জানুয়ারি ফৌজদারহাট-বন্দর লিংক রোড সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালায় জেলা প্রশাসন। এতে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা মূল্যের ১৯৪.১৮ একর খাস জমি উদ্ধার করা হয়। অভিযানের সময় ওই খাস জমিতে দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত বিভিন্ন হোটেল, রেস্তোরাঁসহ প্রায় ১শ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

দি ক্রাইম ডেস্ক: একসময় ছিল মাদকের অভয়ারণ্য। এখন পরিণত হয়েছে ফুলের বাগানে। প্রশাসনের উদ্যোগে সৃষ্ট ফৌজদারহাট-বন্দর সংযোগ সড়কের পাশে নান্দনিক ডিসি পার্কে এবারও হচ্ছে ‘চট্টগ্রাম ফুল উৎসব’। ২০২৩ সালে মাদকের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়ে ১৯৪ একরের বিশাল এলাকায় ফুল ফোটানোর মাধ্যমে এ ফুল উৎসবের যাত্রা শুরু হয়। এরপর ২০২৪ ও ২০২৫ সালে এ উৎসব হয়। গত বছর ৪ জানুয়ারি ডিসি পার্কে ফুল উৎসব শুরু হলেও এবার উৎসব শুরু হচ্ছে ৯ জানুয়ারি। গত বছর ১৩০ প্রজাতির ফুল দিয়ে উৎসব সাজানো হয়। এবার তা বেড়ে হয়েছে ১৪০। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ১৪০ প্রজাতির ফুল দিয়ে সাজানো এবারের ফুল উৎসব আগামী ৯ জানুয়ারি শুরু হয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। আকর্ষণীয় উৎসবটিতে অংশগ্রহণে ইচ্ছুকরাwww.dcparkchattagram.com- এ প্রবেশ করে টিকেট ক্রয় করতে পারবেন। নান্দনিক ডিসি পার্ককে ফুলের রাজ্য যেমন বলা হয়, তেমন বলা হয় জলাশয়ের রাজ্যও। জলাশয় আর ফুল মিলে জায়গাটি পরিণত হয়েছে পূর্ণাঙ্গ একটি ইকোসিস্টেমে। ফুলের আকর্ষণে প্রজাপতি আর মৌমাছি আসে। জলাশয় থাকার কারণে সেখানে ফড়িং, পানকৌড়ি বা রঙিন মাছের আনাগোনা বাড়ে। ফুলের পরাগায়ন আর জলাশয়ের জলজ জীবন মিলে প্রকৃতি প্রাণবন্ত রূপ পায়। স্থির জলের দিকে তাকিয়ে থাকা এক ধরনের ‘মেডিটেশন’ বা ধ্যানের কাজ করে। এটি উচ্চ রক্তচাপ কমাতে এবং দুশ্চিন্তা দূর করতেও সাহায্য করে। সেই হিসেবে বলা যায়, ডিসি পার্কের ফুল উৎসবে অংশগ্রহণকারীরা ধ্যানের পরিবেশও পাবেন। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা দৈনিক আজাদীকে বলেন, ডিসি পার্কে চতুর্থবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম ফুল উৎসব। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ আধার ডিসি পার্কে ১৪০ প্রজাতির ফুলের সমারোহ ও বিভিন্ন আকর্ষণীয় অনুষ্ঠান নিয়ে থাকছে আমাদের মাসব্যাপী আয়োজন। এ উৎসবে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকবে মাসব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব, বই উৎসব, ভায়োলিন শো, পুতুল নাচ, মাল্টিকালচারাল ফেস্টিভ্যাল, ঘুড়ি উৎসব, পিঠা উৎসব, লেজার লাইট শো ও কাউয়ালি সন্ধা। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত পার্ক খোলা থাকবে। বিকাল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্রতিদিন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

মজাদার অ্যাডভেঞ্চার রাইড জিপ লাইন উৎসবের একটি আকর্ষণ জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, টিউলিপ, গোলাপ, নানা রঙের গাঁদা, ডালিয়া, রেড সেলভিয়া, সেমি ড্রপ, চন্দ্রমল্লিকা, সন্ধামালতী, রজনীগন্ধা, নয়নতারা থাই জবা ও দোলনচাঁপাসহ লক্ষাধিক ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছে ডিসি পার্ক। লাল-হলুদের পাশাপাশি সাদা ও গোলাপি ফুলের সমারোহও থাকবে। তিনি বলেন, উৎসবে গণভোট সংক্রান্ত একটি স্টল থাকবে। এছাড়া আমাদের দেশে বসবাসকারী ১৬টি দেশের ছাত্রছাত্রীরা তাদের নিজস্ব কালচার নিয়ে উৎসবে অংশগ্রহণ করবেন।

জেলা প্রশাসক জানান, ডিসি পার্কে ফুডকোর্ট, পর্যটকদের বসার স্থান, সেলফি কর্নার, হাঁটাচলার উন্মুক্ত স্থান, রেস্টুরেন্ট, ফুড কর্নার, সানশেড ভিউ পয়েন্ট, টিউলিপ গার্ডেন ও পাবলিক টয়লেটের ব্যবস্থা রয়েছে। আশা করছি, দর্শনার্থীরা দারুণভাবে ফুল উৎসব উদযাপন করতে পারবেন।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৪ জানুয়ারি ফৌজদারহাট-বন্দর লিংক রোড সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালায় জেলা প্রশাসন। এতে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা মূল্যের ১৯৪.১৮ একর খাস জমি উদ্ধার করা হয়। অভিযানের সময় ওই খাস জমিতে দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত বিভিন্ন হোটেল, রেস্তোরাঁসহ প্রায় ১শ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।