ক্রীড়া প্রতিবেদক: ফুটবল উম্মাদনায় মাঠে আসা হাজার হাজার সমর্থকদের ম্যাচ জয়ের স্বপ্নকে অধরা রেখে সিঙ্গাপুরের কাছে ২ – ১ গোলে পরাজিত হয়ে এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বে অনেকটা পিছিয়ে গেল টিম বাংলাদেশ। সকাল থেকে সারা দেশ থেকে আসা ফুটবলপ্রেমীদের পদচারণায় উৎসবমুখর হয়ে উঠে জাতীয় স্টেডিয়াম এলাকা।

বাংলাদেশ দলের জার্সি গায়ে, হাতে জাতীয় ও মাথায় জাতীয় পতাকা বেঁধে দীর্ঘ লাইন পেড়িয়ে দুপুরের পর থেকে মাঠে প্রবেশ করা স্টেডিয়াম ভর্তি দর্শকের উপস্থিতিতে সন্ধ্যা ৭টায় জাতীয় স্টেডিয়াম, ঢাকায় শুরু হওয়া ম্যাচের প্রথমার্ধের কিছু সময় সিঙ্গাপুরের উপর প্রভাব বিস্তার করে খেললেও স্বাগতিকরা প্রথমার্ধের শেষের দিকে ১ গোলে পিছিয়ে পড়ে।

সিঙ্গাপুরের পক্ষে গোল করেন সং উই ইয়ং। দ্বিতীয়ার্ধে ৫৯ মিনিটে ইকসান ফান্দির গোলে ফের পিছিয়ে পড়ে হামজারা চৌধুরীর বাংলাদেশ ২ – ০। ৬৭ মিনিটে হামজার দুর্দান্ত পাসে সিঙ্গাপুরের গোলকিপারকে বোকা বানিয়ে গোল করলেন রাকিব। ব্যবধান কমিয়ে ১-২ গোলে পিছিয়ে থাকা বাংলাদেশ খেলা শেষ করে ২ -১ ব্যবধানে পরাজয় নিয়ে।

শেষ কিছু সময় একের পর এক আক্রমণের মাধ্যমে বাংলাদেশ সিঙ্গাপুরের উপর বেশ চাপ সৃষ্টি করে খেললেও গোল আদায় করতে পারেনি। খেলার শেষ হওয়ার কয়েক মিনিট পুর্বে হামজার অসাধারণ কোনাকোনি কিক সাইডবার এবং কর্ণার থেকে শাহরিয়ার ইমনের নেওয়া হেড যদি বারে লেগে ফিরে না এসে জাল খোজে পেত তাহলে খেলায় ফলাফল অন্যরকম হতে পারত। বেশ কয়েকটি গোলের প্রাপ্ত সুযোগ কাজে লাগাতে না পারায় পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে বাংলাদেশ দলকে। তাছাড়া ভাগ্যও বিড়ম্বনা করেছে তাদের সাথে।

প্রিয় দল পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়লেও হামজাদের খেলা দেখে হতাশ হয়নি মাঠে আসা দর্শকরা। খেলার শেষ বাঁশি বাজার পরেও তারা বাংলাদেশ, বাংলাদেশ শ্লোগানে মুখরিত রাখে স্টেডিয়াম।

গ্যালারী ভর্তি দর্শকরা যখন বাংলাদেশ দলের আগামী দিনের শুভ কামনায় মাঠ ছাড়ছিল তখনি নেমে আসে বৃষ্টি। ফুটবল উম্মাদনার অন্যরকম এক দিন শেষ করে আমরা দলবল নিয়ে রাতেই যাত্রা করলাম প্রাণের শহর চট্টগ্রামের উদেশ্যে।

ক্রীড়া প্রতিবেদক: ফুটবল উম্মাদনায় মাঠে আসা হাজার হাজার সমর্থকদের ম্যাচ জয়ের স্বপ্নকে অধরা রেখে সিঙ্গাপুরের কাছে ২ – ১ গোলে পরাজিত হয়ে এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বে অনেকটা পিছিয়ে গেল টিম বাংলাদেশ। সকাল থেকে সারা দেশ থেকে আসা ফুটবলপ্রেমীদের পদচারণায় উৎসবমুখর হয়ে উঠে জাতীয় স্টেডিয়াম এলাকা।

বাংলাদেশ দলের জার্সি গায়ে, হাতে জাতীয় ও মাথায় জাতীয় পতাকা বেঁধে দীর্ঘ লাইন পেড়িয়ে দুপুরের পর থেকে মাঠে প্রবেশ করা স্টেডিয়াম ভর্তি দর্শকের উপস্থিতিতে সন্ধ্যা ৭টায় জাতীয় স্টেডিয়াম, ঢাকায় শুরু হওয়া ম্যাচের প্রথমার্ধের কিছু সময় সিঙ্গাপুরের উপর প্রভাব বিস্তার করে খেললেও স্বাগতিকরা প্রথমার্ধের শেষের দিকে ১ গোলে পিছিয়ে পড়ে।

সিঙ্গাপুরের পক্ষে গোল করেন সং উই ইয়ং। দ্বিতীয়ার্ধে ৫৯ মিনিটে ইকসান ফান্দির গোলে ফের পিছিয়ে পড়ে হামজারা চৌধুরীর বাংলাদেশ ২ – ০। ৬৭ মিনিটে হামজার দুর্দান্ত পাসে সিঙ্গাপুরের গোলকিপারকে বোকা বানিয়ে গোল করলেন রাকিব। ব্যবধান কমিয়ে ১-২ গোলে পিছিয়ে থাকা বাংলাদেশ খেলা শেষ করে ২ -১ ব্যবধানে পরাজয় নিয়ে।

শেষ কিছু সময় একের পর এক আক্রমণের মাধ্যমে বাংলাদেশ সিঙ্গাপুরের উপর বেশ চাপ সৃষ্টি করে খেললেও গোল আদায় করতে পারেনি। খেলার শেষ হওয়ার কয়েক মিনিট পুর্বে হামজার অসাধারণ কোনাকোনি কিক সাইডবার এবং কর্ণার থেকে শাহরিয়ার ইমনের নেওয়া হেড যদি বারে লেগে ফিরে না এসে জাল খোজে পেত তাহলে খেলায় ফলাফল অন্যরকম হতে পারত। বেশ কয়েকটি গোলের প্রাপ্ত সুযোগ কাজে লাগাতে না পারায় পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে বাংলাদেশ দলকে। তাছাড়া ভাগ্যও বিড়ম্বনা করেছে তাদের সাথে।

প্রিয় দল পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়লেও হামজাদের খেলা দেখে হতাশ হয়নি মাঠে আসা দর্শকরা। খেলার শেষ বাঁশি বাজার পরেও তারা বাংলাদেশ, বাংলাদেশ শ্লোগানে মুখরিত রাখে স্টেডিয়াম।

গ্যালারী ভর্তি দর্শকরা যখন বাংলাদেশ দলের আগামী দিনের শুভ কামনায় মাঠ ছাড়ছিল তখনি নেমে আসে বৃষ্টি। ফুটবল উম্মাদনার অন্যরকম এক দিন শেষ করে আমরা দলবল নিয়ে রাতেই যাত্রা করলাম প্রাণের শহর চট্টগ্রামের উদেশ্যে।