উত্তরা প্রতিনিধিঃ রাজধানীর উত্তরায় দি ক্রাইম পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে”উত্তরার মার্গারিটা ও কিচেন বারে ফরেন লিকার ও দেশী মদের অবৈধ বারে উলঙ্গ নৃত্য !”শিরোনামে প্রকাশিত একটি বস্তুনিষ্ট সংবাদ প্রকাশের জের ধরে “উত্তরা প্রতিনিধি ইজাজুল হক” এর বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও হয়রানীর অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, গত ১৯ মার্চ ওই প্রতিবেদক উত্তরার জসীম উদ্দীনের প্যরাডাইস বিল্ডিং কিচেন বার ও মার্গারিটা অবৈধ মদের বারে বেপরোয়া মাদক ব্যাবসার সিন্ডিকেট নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রাকাশ করে। যা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উত্তর মেট্রোর একাধিক অফিসারের নজরে আসায় গত ২০ মার্চ বার মালিক “নাইম” তার রেস্টুরেন্টের কর্মী দিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় ঐ প্রতিবেদকের বিরুদ্ধে হয়রানীর উদ্দেশ্যে ভূয়া সাংবাদিক ও চাঁদাবাজ বলে মিথ্যা অভিযোগে এনে একটি সাধারণ ডায়রী করেন।

তারই ধারাবাহিকতায় ঐ প্রতিবেদক সম্পাদকের নির্দ্দেশের ভিত্তিতে উত্তরা জোনের উপ- পুলিশ কমিশনার বরাবরে প্রকাশিত সংবাদের সঠিকতা তদন্তে মিথ্যা অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আবেদন করেন।

এছাড়াও ঐ প্রতিবেদকের সাংবাদিকতার বৈধতা ও সম্পাদকের এসায়েনমেন্ট সহ যাবতীয় পেপারর্স একজন দায়িত্বশীল আইজীবির মাধ্যমে লিগেল নোটিশ প্রদান করবেন। জিডি পরবর্তী পত্রিকা কর্তৃপক্ষ টেলিফোনে উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি হাফিজুর রহমান এর সঙ্গে তার ওই প্রতিবেদকের বৈধতা এবং আঞ্চলিক কর্মের দায়িত্ব নিশ্চিত করেন।

যেহেতু তারা মাদক ব্যবসায়ী এবং সিন্ডিকেটের প্রভাবশালী ব্যক্তি, এমতাবস্থায় ঐ প্রতিবেদক নিজেকে নিরাপত্তাহীনতায় আইনের সহযোগিতা কামনা করেন।

উত্তরা প্রতিনিধিঃ রাজধানীর উত্তরায় দি ক্রাইম পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে”উত্তরার মার্গারিটা ও কিচেন বারে ফরেন লিকার ও দেশী মদের অবৈধ বারে উলঙ্গ নৃত্য !”শিরোনামে প্রকাশিত একটি বস্তুনিষ্ট সংবাদ প্রকাশের জের ধরে “উত্তরা প্রতিনিধি ইজাজুল হক” এর বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও হয়রানীর অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, গত ১৯ মার্চ ওই প্রতিবেদক উত্তরার জসীম উদ্দীনের প্যরাডাইস বিল্ডিং কিচেন বার ও মার্গারিটা অবৈধ মদের বারে বেপরোয়া মাদক ব্যাবসার সিন্ডিকেট নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রাকাশ করে। যা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উত্তর মেট্রোর একাধিক অফিসারের নজরে আসায় গত ২০ মার্চ বার মালিক “নাইম” তার রেস্টুরেন্টের কর্মী দিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় ঐ প্রতিবেদকের বিরুদ্ধে হয়রানীর উদ্দেশ্যে ভূয়া সাংবাদিক ও চাঁদাবাজ বলে মিথ্যা অভিযোগে এনে একটি সাধারণ ডায়রী করেন।

তারই ধারাবাহিকতায় ঐ প্রতিবেদক সম্পাদকের নির্দ্দেশের ভিত্তিতে উত্তরা জোনের উপ- পুলিশ কমিশনার বরাবরে প্রকাশিত সংবাদের সঠিকতা তদন্তে মিথ্যা অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আবেদন করেন।

এছাড়াও ঐ প্রতিবেদকের সাংবাদিকতার বৈধতা ও সম্পাদকের এসায়েনমেন্ট সহ যাবতীয় পেপারর্স একজন দায়িত্বশীল আইজীবির মাধ্যমে লিগেল নোটিশ প্রদান করবেন। জিডি পরবর্তী পত্রিকা কর্তৃপক্ষ টেলিফোনে উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি হাফিজুর রহমান এর সঙ্গে তার ওই প্রতিবেদকের বৈধতা এবং আঞ্চলিক কর্মের দায়িত্ব নিশ্চিত করেন।

যেহেতু তারা মাদক ব্যবসায়ী এবং সিন্ডিকেটের প্রভাবশালী ব্যক্তি, এমতাবস্থায় ঐ প্রতিবেদক নিজেকে নিরাপত্তাহীনতায় আইনের সহযোগিতা কামনা করেন।