নগর প্রতিবেদক: কাস্টমস কমিশনারের সহিত মতবিনিময়কালে বিজিএমইএ’র নেতৃবৃন্দ ও বিজিএমইএ’র সহায়ক কমিটির সদস্য এমডি.এম. মহিউদ্দিন চৌধুরী-এর নেতৃত্বে বিজিএমইএ’র নেতৃবৃন্দ আজ সোমবার(১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০ টায় কাস্টম কমিশনার মোহাম্মদ জাকির হোসেন এর সাথে তাঁর কার্যালয়ে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন।

কমিশনর মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন ও কর্মসংস্থানে পোশাক শিল্পের অবদান অনস্বীকার্য। তিনি পোশাক শিল্পের আমদানিকৃত পণ্য চালান দ্রুত খালাস ও রপ্তানি যথাসময়ে সম্পাদনে কার্যক্রম সহজীকরণ এবং পোশাক শিল্পের আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত বিরাজমান সমস্যা সমূহ পারষ্পরিক আলোচনা ও সহযোগিতার মাধ্যমে দ্রুত সূরাহা সহ রপ্তানির প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে কাস্টমস হাউস কর্তৃক সর্বাত্মাক সহযোগিতা করা হবে মর্মে বিজিএমইএ নেতৃবৃন্দকে আশ্বাস প্রদান করেন।

বিজিএমইএ’র সহায়ক কমিটির সদস্য এমডি.এম. মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, রপ্তানিমুখী তৈরী পোশাক শিল্পের পণ্য আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে কাস্টমস ব্যাপক ভূমিকা রেখে আসছে। দেশের রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে অর্থ্যাৎ ৮১.২৯% তৈরী পোশাক পোশাক শিল্প থেকে। এ’শিল্পের মাধ্যমে দেশের যতটুকু উন্নয়ন সাধিত হয়েছে তার গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার কাস্টম হাউজ কর্তৃপক্ষ। অতীতেও কাস্টমস ও বিজিএমইএ একে অপরের পাশাপাশি থেকে আলোচনার মধ্যমে অনেক সমস্যার সমাধান করেছে। বর্তমান সময়ের পরিক্রমায় নতুন করে উদ্ভুত নানাবিধ সমস্যা দ্রুত সমাধানে আমাদেরকে এক সাথে কাজ করতে হবে। আমাদের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ গুলোকে সম্ভাবনায় রূপান্তর করা গেলে রপ্তানি বাণিজ্যের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির উন্নয়ন করা সম্ভব। ইতিমধ্যে বিশ্বের শক্তিধর রাষ্ট্র গুলো পাল্টাপাল্টি শুল্কারোপের কারণে তৈরী পোশাক শিল্পের ক্রেতারা তাদের অবস্থান পরিবর্তন করতে শুরু করেছেন।

তিনি বলেন, আমাদের প্রতিযোগি দেশগুলো এই সুযোগটুকু কাজে লাগাতে প্রাণ পণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমরাও চাই ক্রেতারা আমাদের দেশকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করুক, এ’ক্ষেত্রে প্রয়োজন যুগোপযোগী নীতিমালা প্রণয়ন ও হয়রানি বিহীন নীতি সহায়তা, যা কাস্টমস-এর উপর অনেকাশেংই নির্ভরশীল।

তিনি আরো বলেন, জাতীয় স্বার্থে রপ্তানি লীড টাইম রক্ষায় উক্ত কাস্টমস হাউজের আদেশ নং- ১৯০ তারিখ- ২০/০৬/২০১৬ এবং ১৯৪ তারিখ- ২৮/০৭/২০১৬ বাতিল পূর্বক পোশাক শিল্পের এল/সি ভিত্তিক ও এফ.ও.সি ভিত্তিক উভয় আমদানিতে একই পদ্ধতিতে জরুরী নির্দেশনা সহ সকল প্রকার পোশাক শিল্পের কাঁচামাল আমদানির জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আদেশ নং- ১(৩) শুল্ক: রপ্তানি ও বন্ড/৯৭/৯৭৬-৯৯৩, তারিখ- ১২/০৬/১৯৯৭ মতে দ্বিতীয় শুল্কায়ন পদ্ধতি অনুসরণ করার নির্দেশনা সংক্রান্ত একটি আদেশ জরুরী করেন।

বিজিএমইএ প্রাক্তন পরিচালক এ.এম. মাহাবুব চৌধুরী বলেন, বন্দর জেটিতে পণ্য পরীক্ষণে জটিলতা পরিহার ও ওভেন কাপড় খালাস কালে কেজির পাশাপাশি মিটার ও গজ উল্লেখের অপশন চালু করা ও বিল অব এক্সপোর্ট বাতিল করার কার্যক্রম ত্বরান্বিতকরণের গুরুত্বারোপ করেন।

বিজিএমইএ প্রাক্তন পরিচালক অঞ্জন শেখর দাশ বলেন, পোশাক শিল্পের আমদানীকৃত পণ্য চালান খালাসে ফাস্ট এ্যাপরেচমেন্ট প্রদান বন্ধকরণ ও শর্টশিপমেন্ট সংক্রান্ত সমস্যার উপর দীর্ঘ আলোচনা করেন।

বিজিএমইএ প্রাক্তন পরিচালক সাইফ উল্লাহ মনসুর বলেন, কতিপয় শিপিং লাইনের জালিয়াতির উপর প্রত্যক্ষ প্রমান প্রদান করে কাস্টমস্ধসঢ়;কে এই বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান।

এ’সময় উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ’র প্রাক্তন পরিচালক এ.এম. মাহাবুব চৌধুরী, অঞ্জন শেখর দাশ, সাইফ উল্লাহ মনসুর, বিজিএমইএ’র অন্যান্য সদস্যবৃন্দ ও কাস্টম হাউজের উদ্ধর্তন কর্মকর্তাগণ।

নগর প্রতিবেদক: কাস্টমস কমিশনারের সহিত মতবিনিময়কালে বিজিএমইএ’র নেতৃবৃন্দ ও বিজিএমইএ’র সহায়ক কমিটির সদস্য এমডি.এম. মহিউদ্দিন চৌধুরী-এর নেতৃত্বে বিজিএমইএ’র নেতৃবৃন্দ আজ সোমবার(১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০ টায় কাস্টম কমিশনার মোহাম্মদ জাকির হোসেন এর সাথে তাঁর কার্যালয়ে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন।

কমিশনর মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন ও কর্মসংস্থানে পোশাক শিল্পের অবদান অনস্বীকার্য। তিনি পোশাক শিল্পের আমদানিকৃত পণ্য চালান দ্রুত খালাস ও রপ্তানি যথাসময়ে সম্পাদনে কার্যক্রম সহজীকরণ এবং পোশাক শিল্পের আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত বিরাজমান সমস্যা সমূহ পারষ্পরিক আলোচনা ও সহযোগিতার মাধ্যমে দ্রুত সূরাহা সহ রপ্তানির প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে কাস্টমস হাউস কর্তৃক সর্বাত্মাক সহযোগিতা করা হবে মর্মে বিজিএমইএ নেতৃবৃন্দকে আশ্বাস প্রদান করেন।

বিজিএমইএ’র সহায়ক কমিটির সদস্য এমডি.এম. মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, রপ্তানিমুখী তৈরী পোশাক শিল্পের পণ্য আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে কাস্টমস ব্যাপক ভূমিকা রেখে আসছে। দেশের রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে অর্থ্যাৎ ৮১.২৯% তৈরী পোশাক পোশাক শিল্প থেকে। এ’শিল্পের মাধ্যমে দেশের যতটুকু উন্নয়ন সাধিত হয়েছে তার গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার কাস্টম হাউজ কর্তৃপক্ষ। অতীতেও কাস্টমস ও বিজিএমইএ একে অপরের পাশাপাশি থেকে আলোচনার মধ্যমে অনেক সমস্যার সমাধান করেছে। বর্তমান সময়ের পরিক্রমায় নতুন করে উদ্ভুত নানাবিধ সমস্যা দ্রুত সমাধানে আমাদেরকে এক সাথে কাজ করতে হবে। আমাদের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ গুলোকে সম্ভাবনায় রূপান্তর করা গেলে রপ্তানি বাণিজ্যের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির উন্নয়ন করা সম্ভব। ইতিমধ্যে বিশ্বের শক্তিধর রাষ্ট্র গুলো পাল্টাপাল্টি শুল্কারোপের কারণে তৈরী পোশাক শিল্পের ক্রেতারা তাদের অবস্থান পরিবর্তন করতে শুরু করেছেন।

তিনি বলেন, আমাদের প্রতিযোগি দেশগুলো এই সুযোগটুকু কাজে লাগাতে প্রাণ পণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমরাও চাই ক্রেতারা আমাদের দেশকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করুক, এ’ক্ষেত্রে প্রয়োজন যুগোপযোগী নীতিমালা প্রণয়ন ও হয়রানি বিহীন নীতি সহায়তা, যা কাস্টমস-এর উপর অনেকাশেংই নির্ভরশীল।

তিনি আরো বলেন, জাতীয় স্বার্থে রপ্তানি লীড টাইম রক্ষায় উক্ত কাস্টমস হাউজের আদেশ নং- ১৯০ তারিখ- ২০/০৬/২০১৬ এবং ১৯৪ তারিখ- ২৮/০৭/২০১৬ বাতিল পূর্বক পোশাক শিল্পের এল/সি ভিত্তিক ও এফ.ও.সি ভিত্তিক উভয় আমদানিতে একই পদ্ধতিতে জরুরী নির্দেশনা সহ সকল প্রকার পোশাক শিল্পের কাঁচামাল আমদানির জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আদেশ নং- ১(৩) শুল্ক: রপ্তানি ও বন্ড/৯৭/৯৭৬-৯৯৩, তারিখ- ১২/০৬/১৯৯৭ মতে দ্বিতীয় শুল্কায়ন পদ্ধতি অনুসরণ করার নির্দেশনা সংক্রান্ত একটি আদেশ জরুরী করেন।

বিজিএমইএ প্রাক্তন পরিচালক এ.এম. মাহাবুব চৌধুরী বলেন, বন্দর জেটিতে পণ্য পরীক্ষণে জটিলতা পরিহার ও ওভেন কাপড় খালাস কালে কেজির পাশাপাশি মিটার ও গজ উল্লেখের অপশন চালু করা ও বিল অব এক্সপোর্ট বাতিল করার কার্যক্রম ত্বরান্বিতকরণের গুরুত্বারোপ করেন।

বিজিএমইএ প্রাক্তন পরিচালক অঞ্জন শেখর দাশ বলেন, পোশাক শিল্পের আমদানীকৃত পণ্য চালান খালাসে ফাস্ট এ্যাপরেচমেন্ট প্রদান বন্ধকরণ ও শর্টশিপমেন্ট সংক্রান্ত সমস্যার উপর দীর্ঘ আলোচনা করেন।

বিজিএমইএ প্রাক্তন পরিচালক সাইফ উল্লাহ মনসুর বলেন, কতিপয় শিপিং লাইনের জালিয়াতির উপর প্রত্যক্ষ প্রমান প্রদান করে কাস্টমস্ধসঢ়;কে এই বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান।

এ’সময় উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ’র প্রাক্তন পরিচালক এ.এম. মাহাবুব চৌধুরী, অঞ্জন শেখর দাশ, সাইফ উল্লাহ মনসুর, বিজিএমইএ’র অন্যান্য সদস্যবৃন্দ ও কাস্টম হাউজের উদ্ধর্তন কর্মকর্তাগণ।