রাঙ্গুনীয়া প্রতিনিধি: রাঙ্গুনীয়া থানার যুবদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদ কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া পাঁচ অস্ত্রধারীকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। তারা সবাই বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মী বলে জানানো হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা হলেও এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।মূলত বদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী প্রকাশ মাসুদ ছিলেন প্রয়াত সালাউদ্দীন কাদের চৌধূরীর ছেলে বর্তমানে রাঙ্গুনিয়া থানার এমপি হুম্মাম কাদের এর অনুসারী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিল রাউজানের শীর্ষ সন্ত্রাসী রায়হান গ্রুপের সদস্যরা। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, পাঁচজন অস্ত্রধারীর মধ্যে তিনজনের হাতে পিস্তল এবং দু’জনের কাছে শটগান ও এলজি ছিল। হামলার সময় তারা প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে মাসুদকে হত্যা করে।

পুলিশের দাবি পলাতক, বিএনপির প্রচারণার মঞ্চে সক্রিয় ৮ খুনের আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী রায়হান।

Masud-jubodol-rangunia

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনায় জড়িত হিসেবে রাউজানের কদলপুর এলাকার মোহাম্মদ ইলিয়াস ওরফে ধামা ইলিয়াস, দিদারুল আলম দিদার, রাউজান পৌরসভার ফরেস্ট অফিস এলাকার মোহাম্মদ ইউসুফ, পূর্ব রাউজানের মোহাম্মদ জাহেদ ও মোহাম্মদ আবছারকে শনাক্ত করা হয়েছে। এই সন্ত্রাসীরা সবাই বিএনপির রাজনীতিতে সম্পৃক্ত।

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, ভিডিও ফুটেজ ও বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে বিস্তারিত প্রকাশ করা হচ্ছে না।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রায়হানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১২টি হত্যাসহ ২৪টি মামলা রয়েছে। তার সহযোগী দামা ইলিয়াসের বিরুদ্ধে রয়েছে ১৮টি মামলা, যার মধ্যে পাঁচটি হত্যা মামলা। অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধেও একাধিক মামলা রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, রাউজান ও পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম পাহাড়গুলো দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের পর হামলাকারীরাও পাহাড়ি এলাকায় পালিয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে হত্যাকাণ্ডের মূল নেপথ্যে কর্ণফুলী নদীর বালুমহাল নিয়ন্ত্রণ, আধিপত্য বিস্তার ও ভাগবাটোয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। তবে পুলিশ এখনো হত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেনি।

গত শনিবার দুপুরে রাউজানের পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজার এলাকায় প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদকে।

আজ রোববার(১৫ জুন) বিকেলে নিজ এলাকা বেতাগীতে অনুষ্ঠিত জানাজায় বিপুল মানুষের সমাগম হয়। এ সময় স্বজন ও স্থানীয় বিএনপি নেতারা দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

নিহতের বড় ভাই পেয়ারুল হক চৌধুরী স্বপন বলেন, “সিসিটিভিতে যাদের দেখা গেছে, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হলে হত্যার প্রকৃত কারণ বেরিয়ে আসবে।”

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রাঙ্গুনীয়া প্রতিনিধি: রাঙ্গুনীয়া থানার যুবদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদ কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া পাঁচ অস্ত্রধারীকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। তারা সবাই বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মী বলে জানানো হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা হলেও এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।মূলত বদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী প্রকাশ মাসুদ ছিলেন প্রয়াত সালাউদ্দীন কাদের চৌধূরীর ছেলে বর্তমানে রাঙ্গুনিয়া থানার এমপি হুম্মাম কাদের এর অনুসারী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিল রাউজানের শীর্ষ সন্ত্রাসী রায়হান গ্রুপের সদস্যরা। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, পাঁচজন অস্ত্রধারীর মধ্যে তিনজনের হাতে পিস্তল এবং দু’জনের কাছে শটগান ও এলজি ছিল। হামলার সময় তারা প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে মাসুদকে হত্যা করে।

পুলিশের দাবি পলাতক, বিএনপির প্রচারণার মঞ্চে সক্রিয় ৮ খুনের আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী রায়হান।

Masud-jubodol-rangunia

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনায় জড়িত হিসেবে রাউজানের কদলপুর এলাকার মোহাম্মদ ইলিয়াস ওরফে ধামা ইলিয়াস, দিদারুল আলম দিদার, রাউজান পৌরসভার ফরেস্ট অফিস এলাকার মোহাম্মদ ইউসুফ, পূর্ব রাউজানের মোহাম্মদ জাহেদ ও মোহাম্মদ আবছারকে শনাক্ত করা হয়েছে। এই সন্ত্রাসীরা সবাই বিএনপির রাজনীতিতে সম্পৃক্ত।

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, ভিডিও ফুটেজ ও বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে বিস্তারিত প্রকাশ করা হচ্ছে না।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রায়হানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১২টি হত্যাসহ ২৪টি মামলা রয়েছে। তার সহযোগী দামা ইলিয়াসের বিরুদ্ধে রয়েছে ১৮টি মামলা, যার মধ্যে পাঁচটি হত্যা মামলা। অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধেও একাধিক মামলা রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, রাউজান ও পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম পাহাড়গুলো দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের পর হামলাকারীরাও পাহাড়ি এলাকায় পালিয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে হত্যাকাণ্ডের মূল নেপথ্যে কর্ণফুলী নদীর বালুমহাল নিয়ন্ত্রণ, আধিপত্য বিস্তার ও ভাগবাটোয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। তবে পুলিশ এখনো হত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেনি।

গত শনিবার দুপুরে রাউজানের পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজার এলাকায় প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদকে।

আজ রোববার(১৫ জুন) বিকেলে নিজ এলাকা বেতাগীতে অনুষ্ঠিত জানাজায় বিপুল মানুষের সমাগম হয়। এ সময় স্বজন ও স্থানীয় বিএনপি নেতারা দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

নিহতের বড় ভাই পেয়ারুল হক চৌধুরী স্বপন বলেন, “সিসিটিভিতে যাদের দেখা গেছে, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হলে হত্যার প্রকৃত কারণ বেরিয়ে আসবে।”

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।