নগর প্রতিবেদক: কতোয়ালী পুলিশ জুলাই ছাত্র হত্যার আসামী মো. আজিজুল হক আযমকে গ্রেফতার করছে। আজ সোমবার(১৫ জুন) বিকালে অফিস ছুঠির পর থানার সন্নিকটে চউকের মেইন ফটক থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ সুত্রে জানা গেছে,নগরীর চান্দগাঁও থানায় দায়েরকৃত একটি ছাত্র হত্যা মামলার আসামি(যার মামলা নং-২২(৯)২০২৫। তিনি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। গোপন সুত্রের মাধ্যমে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সুত্রে জানা গেছে,মো. আজিজুল হক আযম সাবেক চেয়ারম্যান আবদুস ছালামের বদন্যতায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে অফিস সহকারী হিসাবে চাকুরীতে যোগদান করেন। চাকুরী করাকালে ছালাম এর সাইনবোর্ড বিক্রীকরে মোহরা এলাকায় নকশা ও ভুমি ব্যবহার ছাড়পত্রের দালালী করে বিপুল সম্পদের মালিক হয়। এছাড়াও তিনি অবৈধ কাজ ভাগিয়ে নেয়ার জন্য সিডিএ’র কর্মকর্তাদের হুমকিও দিতেন। মামলা থেকে বাঁচার জন্য কিছুদিন আগে এনসিপিতে যোগদান করে চউকের অফিসার ও কথেক কর্মচারীদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ স্টেট্রাস দিয়ে তাদেরকে প্রতিনিয়ত হেরাসমেন্ট করতে থাকে।

এছাড়াও সিডিএ’র বর্তমান জাতীয়তাবাদী দল অর্থাৎ সিবিএ’র সভাপতির বিরুদ্ধে অর্থ কেলেংকারীসহ মিথ্যা ও বানোয়াট আলোচনা এবং সমালোচনা করে বিতর্কিত পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন। এমনকি সিবিএ তার বিরুদ্ধে অফিস শৃংখলা ভংগের জন্য সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন।

নগর প্রতিবেদক: কতোয়ালী পুলিশ জুলাই ছাত্র হত্যার আসামী মো. আজিজুল হক আযমকে গ্রেফতার করছে। আজ সোমবার(১৫ জুন) বিকালে অফিস ছুঠির পর থানার সন্নিকটে চউকের মেইন ফটক থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ সুত্রে জানা গেছে,নগরীর চান্দগাঁও থানায় দায়েরকৃত একটি ছাত্র হত্যা মামলার আসামি(যার মামলা নং-২২(৯)২০২৫। তিনি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। গোপন সুত্রের মাধ্যমে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সুত্রে জানা গেছে,মো. আজিজুল হক আযম সাবেক চেয়ারম্যান আবদুস ছালামের বদন্যতায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে অফিস সহকারী হিসাবে চাকুরীতে যোগদান করেন। চাকুরী করাকালে ছালাম এর সাইনবোর্ড বিক্রীকরে মোহরা এলাকায় নকশা ও ভুমি ব্যবহার ছাড়পত্রের দালালী করে বিপুল সম্পদের মালিক হয়। এছাড়াও তিনি অবৈধ কাজ ভাগিয়ে নেয়ার জন্য সিডিএ’র কর্মকর্তাদের হুমকিও দিতেন। মামলা থেকে বাঁচার জন্য কিছুদিন আগে এনসিপিতে যোগদান করে চউকের অফিসার ও কথেক কর্মচারীদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ স্টেট্রাস দিয়ে তাদেরকে প্রতিনিয়ত হেরাসমেন্ট করতে থাকে।

এছাড়াও সিডিএ’র বর্তমান জাতীয়তাবাদী দল অর্থাৎ সিবিএ’র সভাপতির বিরুদ্ধে অর্থ কেলেংকারীসহ মিথ্যা ও বানোয়াট আলোচনা এবং সমালোচনা করে বিতর্কিত পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন। এমনকি সিবিএ তার বিরুদ্ধে অফিস শৃংখলা ভংগের জন্য সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন।