দি ক্রাইম ডেস্ক: অবৈধ পথে বিদেশ যাওয়া ১১৪ জন বাংলাদেশি নাগরিকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) বোরাক এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দর আমড পুলিশ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিমানবন্দর আমড পুলিশের এডিশনাল এসপি জিয়া জানিয়েছেন, এই যাত্রীরা ২০২১ সালের বিভিন্ন সময়ে বালাদেশ থেকে ভিজিট ভিসায় প্রথমে দুবাই যায়। পরবর্তীতে তারা ওমান, মালয়েশিয়া যায়। সেখান থেকে দালালের মাধ্যমে লিবিয়ায় যায়। দালালরা এদেরকে লিবিয়ার ত্রিপোলিতে নিয়ে গেমঘরে রাখে। গেমঘর থেকে বিভিন্ন সময়ে লিবিয়ার পুলিশ ও সেনাবাহিনীরা এই বাংলাদেশিদের আটক করে।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম এর সহযোগিতায় বাংলাদেশিরা জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা আউট পাস নিয়ে বাংলাদেশে ফিরে এসেছে। বোরাক এয়ারের বিআরকিউ-২২০ বিশেষ ফ্লাইটে সকাল সোয়া আটটায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছে।

আইওএম এর পক্ষ প্রত্যেক যাত্রী কে খাবার সরবরাহ করা হয়। এছাড়া বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছতে প্রত্যেককে ৪৭৫০ টাকা নগদ দেয়া হয়।

ফিরে আসা যাত্রীরা জানায়, তাদেরকে ইতালিতে পৌঁছে দেয়ার কথা বলে দালালরা ১১ লাখ থেকে ১৫ লাখ টাকা করে নিয়েছে। যার কাছে যেভাবে পেরেছে টাকা নিয়েছে। অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের অভিযোগ নিয়ে এসব যাত্রীরা কেউ ৬ মাস আবার কেউ কেউ ৯ মাস পর্যন্ত লিবিয়া জেল খেটেছে।

দি ক্রাইম ডেস্ক: অবৈধ পথে বিদেশ যাওয়া ১১৪ জন বাংলাদেশি নাগরিকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) বোরাক এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দর আমড পুলিশ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিমানবন্দর আমড পুলিশের এডিশনাল এসপি জিয়া জানিয়েছেন, এই যাত্রীরা ২০২১ সালের বিভিন্ন সময়ে বালাদেশ থেকে ভিজিট ভিসায় প্রথমে দুবাই যায়। পরবর্তীতে তারা ওমান, মালয়েশিয়া যায়। সেখান থেকে দালালের মাধ্যমে লিবিয়ায় যায়। দালালরা এদেরকে লিবিয়ার ত্রিপোলিতে নিয়ে গেমঘরে রাখে। গেমঘর থেকে বিভিন্ন সময়ে লিবিয়ার পুলিশ ও সেনাবাহিনীরা এই বাংলাদেশিদের আটক করে।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম এর সহযোগিতায় বাংলাদেশিরা জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা আউট পাস নিয়ে বাংলাদেশে ফিরে এসেছে। বোরাক এয়ারের বিআরকিউ-২২০ বিশেষ ফ্লাইটে সকাল সোয়া আটটায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছে।

আইওএম এর পক্ষ প্রত্যেক যাত্রী কে খাবার সরবরাহ করা হয়। এছাড়া বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছতে প্রত্যেককে ৪৭৫০ টাকা নগদ দেয়া হয়।

ফিরে আসা যাত্রীরা জানায়, তাদেরকে ইতালিতে পৌঁছে দেয়ার কথা বলে দালালরা ১১ লাখ থেকে ১৫ লাখ টাকা করে নিয়েছে। যার কাছে যেভাবে পেরেছে টাকা নিয়েছে। অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের অভিযোগ নিয়ে এসব যাত্রীরা কেউ ৬ মাস আবার কেউ কেউ ৯ মাস পর্যন্ত লিবিয়া জেল খেটেছে।