ত্রিশাল প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে বরই চাষ করা হচ্ছে। বাণিজ্যিকভাবে বরই চাষ করে সফলতা পেয়েছেন উপজেলার ধানীখোলা ইউনিয়নের সামানিয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আবু সাঈদ মুশিউর রহমান। তিনি আশা করছেন, চলতি মৌসুমে প্রায় ১২ লাখ টাকার বরই বিক্রি করতে পারবেন। তার সফলতা দেখে এখন অনেকেই বরই চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

সরজমিনে জানা যায়, মুশিউর প্রথমে ‘এসএসএস ফিসারী অ্যান্ড এগ্রো কমপ্লেক্স’ নাম দিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। পরবর্তী সময়ে উঁচু জমিতে দুই বছর ধরে বাণিজ্যিকভাবে বিভিন্ন জাতের বরই বা কুল চাষ করছেন। চলতি বছর তিন একর জমিতে এই ফলের আবাদ করেন। বর্তমানে তার বাগানে কাশ্মীরি, বলসুন্দরী, আপেল, বাউকুল, নারিকেল, থাই কুল জাতের আট শতাধিক বরই গাছ রয়েছে।

চাষি আবু সাঈদ মুশিউর রহমান বলেন, গাছের প্রতি ভালোবাসা আগেই ছিল। এক দিন ইউটিউবে বরই চাষের সফলতামূলক প্রতিবেদন দেখে এ চাষে অনুপ্রাণিত হয়। তারপর আট শতাধিক বড়ই গাছের পরিকল্পনা করে দুই বছর আগে নিজস্ব জমিতে ছয় জন শ্রমিক নিয়ে বাগান তৈরি করি। দুই বছরে বাগান পরিচর্যায় প্রায় ৩ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। এ বছরই বিক্রি শুরু হয়েছে। তিনি জানান, প্রতিটি গাছ থেকে ২০-৪০ কেজি বরই পাওয়া যাবে। আশা করছি ১২ লাখ টাকার বরই বিক্রি করতে পারব। এছাড়াও পেঁপে, পেয়ারা ও লেবুসহ বিভিন্ন ফলের গাছ রয়েছে বাগানে।

জাতীয় কৃষি পদকপ্রাপ্ত কৃষি প্রযুক্তি কেন্দ্র ত্রিশালের পরিচালক কৃষিবিদ নিতাই চন্দ্র রায় বলেন, তার বাগানের প্রতিটি গাছে ২০-৪০ কেজি বরই হবে। চাষি আবু সাঈদ বরই চাষে এ এলাকায় বিপ্লব ঘটিয়েছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ তানিয়া রহমান বলেন, চাষি আবু সাঈদ একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। দুই বছর ধরে তিনি বাণিজ্যিকভাবে বিভিন্ন জাতের বরই চাষ শুরু করেছেন। বাগান তৈরি থেকে পরিচর্যায় এ পর্যন্ত তার খরচ হয়েছে ৩ লাখ টাকা। চাষিদেরকে বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদে ঝুঁকতে আহ্বান করেন তিনি।

ত্রিশাল প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে বরই চাষ করা হচ্ছে। বাণিজ্যিকভাবে বরই চাষ করে সফলতা পেয়েছেন উপজেলার ধানীখোলা ইউনিয়নের সামানিয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আবু সাঈদ মুশিউর রহমান। তিনি আশা করছেন, চলতি মৌসুমে প্রায় ১২ লাখ টাকার বরই বিক্রি করতে পারবেন। তার সফলতা দেখে এখন অনেকেই বরই চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

সরজমিনে জানা যায়, মুশিউর প্রথমে ‘এসএসএস ফিসারী অ্যান্ড এগ্রো কমপ্লেক্স’ নাম দিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। পরবর্তী সময়ে উঁচু জমিতে দুই বছর ধরে বাণিজ্যিকভাবে বিভিন্ন জাতের বরই বা কুল চাষ করছেন। চলতি বছর তিন একর জমিতে এই ফলের আবাদ করেন। বর্তমানে তার বাগানে কাশ্মীরি, বলসুন্দরী, আপেল, বাউকুল, নারিকেল, থাই কুল জাতের আট শতাধিক বরই গাছ রয়েছে।

চাষি আবু সাঈদ মুশিউর রহমান বলেন, গাছের প্রতি ভালোবাসা আগেই ছিল। এক দিন ইউটিউবে বরই চাষের সফলতামূলক প্রতিবেদন দেখে এ চাষে অনুপ্রাণিত হয়। তারপর আট শতাধিক বড়ই গাছের পরিকল্পনা করে দুই বছর আগে নিজস্ব জমিতে ছয় জন শ্রমিক নিয়ে বাগান তৈরি করি। দুই বছরে বাগান পরিচর্যায় প্রায় ৩ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। এ বছরই বিক্রি শুরু হয়েছে। তিনি জানান, প্রতিটি গাছ থেকে ২০-৪০ কেজি বরই পাওয়া যাবে। আশা করছি ১২ লাখ টাকার বরই বিক্রি করতে পারব। এছাড়াও পেঁপে, পেয়ারা ও লেবুসহ বিভিন্ন ফলের গাছ রয়েছে বাগানে।

জাতীয় কৃষি পদকপ্রাপ্ত কৃষি প্রযুক্তি কেন্দ্র ত্রিশালের পরিচালক কৃষিবিদ নিতাই চন্দ্র রায় বলেন, তার বাগানের প্রতিটি গাছে ২০-৪০ কেজি বরই হবে। চাষি আবু সাঈদ বরই চাষে এ এলাকায় বিপ্লব ঘটিয়েছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ তানিয়া রহমান বলেন, চাষি আবু সাঈদ একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। দুই বছর ধরে তিনি বাণিজ্যিকভাবে বিভিন্ন জাতের বরই চাষ শুরু করেছেন। বাগান তৈরি থেকে পরিচর্যায় এ পর্যন্ত তার খরচ হয়েছে ৩ লাখ টাকা। চাষিদেরকে বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদে ঝুঁকতে আহ্বান করেন তিনি।