দি ক্রাইম ডেস্ক: সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় বড় পরিসরে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে যৌথ বাহিনী। সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে প্রায় চার হাজার সদস্য অংশ নিচ্ছেন। সোমবার (৯ মার্চ) ফজরের নামাজের পর বিভিন্ন প্রবেশপথ দিয়ে এলাকায় প্রবেশ করে বাহিনীর সদস্যরা।

জানা যায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এরই মধ্যে জঙ্গল সলিমপুরের সব প্রবেশ ও বাহিরের পথ ঘিরে ফেলেছে। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে তল্লাশিচৌকি বসানো হয়েছে, যাতে অভিযান চলাকালে কেউ এলাকা ছেড়ে পালাতে না পারে। বাহিনীর সদস্যরা কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকাজুড়ে অভিযান পরিচালনা করছেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্রে জানা গেছে, অভিযানে প্রায় ৫৫০ সেনাসদস্য, ১৮০০ পুলিশ, ৩৩০ এপিবিএন, ৪০০ র‍্যাব এবং ১২০ বিজিবি সদস্য অংশ নিয়েছেন। পাশাপাশি সহায়তায় রয়েছে সাঁজোয়া যান (এপিসি), ডগ স্কোয়াড ও হেলিকপ্টার। প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য ও ইউএভি ফুটেজের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী অভিযানটির সার্বিক সমন্বয় করছে বলে জানা গেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে একটি নির্দিষ্ট এলাকাকে কেন্দ্র করে এটিই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সবচেয়ে বড় সমন্বিত অভিযান বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় পরিচালিত এ অভিযান আগামীকাল বিকাল পর্যন্ত চলতে পারে।

গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানের সময় সন্ত্রাসীদের হামলায় র‍্যাব-৭–এর উপসহকারী পরিচালক (নায়েব সুবেদার) মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া নিহত হন এবং আহত হন আরও কয়েকজন সদস্য। ওই ঘটনার পর এলাকা জুড়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে এবং সমন্বিত অভিযানের পরিকল্পনা নেয় সরকার।

পুলিশের তথ্যমতে, প্রায় ৩ হাজার একর পাহাড়ি এলাকাজুড়ে বিস্তৃত জঙ্গল সলিমপুরে প্রায় ২০ হাজার বসতিতে প্রায় দুই লাখ মানুষের বসবাস। দীর্ঘদিন ধরে সরকারি পাহাড় দখল করে সেখানে অবৈধ বসতি গড়ে ওঠার পাশাপাশি প্লট বাণিজ্য ও আধিপত্যকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সন্ত্রাসী গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, রোকন উদ্দিন ও মোহাম্মদ ইয়াসিনের নেতৃত্বে কয়েকটি গ্রুপ এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছে। পাহাড়ি ও দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরেই সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত।

এর আগে ২০১৭ ও ২০২২ সালেও প্রশাসন সেখানে অভিযান চালানোর চেষ্টা করলেও নানা কারণে তা পুরোপুরি সফল হয়নি। তবে এবার সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার অংশ হিসেবে বড় পরিসরে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

দি ক্রাইম ডেস্ক: সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় বড় পরিসরে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে যৌথ বাহিনী। সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে প্রায় চার হাজার সদস্য অংশ নিচ্ছেন। সোমবার (৯ মার্চ) ফজরের নামাজের পর বিভিন্ন প্রবেশপথ দিয়ে এলাকায় প্রবেশ করে বাহিনীর সদস্যরা।

জানা যায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এরই মধ্যে জঙ্গল সলিমপুরের সব প্রবেশ ও বাহিরের পথ ঘিরে ফেলেছে। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে তল্লাশিচৌকি বসানো হয়েছে, যাতে অভিযান চলাকালে কেউ এলাকা ছেড়ে পালাতে না পারে। বাহিনীর সদস্যরা কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকাজুড়ে অভিযান পরিচালনা করছেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্রে জানা গেছে, অভিযানে প্রায় ৫৫০ সেনাসদস্য, ১৮০০ পুলিশ, ৩৩০ এপিবিএন, ৪০০ র‍্যাব এবং ১২০ বিজিবি সদস্য অংশ নিয়েছেন। পাশাপাশি সহায়তায় রয়েছে সাঁজোয়া যান (এপিসি), ডগ স্কোয়াড ও হেলিকপ্টার। প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য ও ইউএভি ফুটেজের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী অভিযানটির সার্বিক সমন্বয় করছে বলে জানা গেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে একটি নির্দিষ্ট এলাকাকে কেন্দ্র করে এটিই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সবচেয়ে বড় সমন্বিত অভিযান বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় পরিচালিত এ অভিযান আগামীকাল বিকাল পর্যন্ত চলতে পারে।

গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানের সময় সন্ত্রাসীদের হামলায় র‍্যাব-৭–এর উপসহকারী পরিচালক (নায়েব সুবেদার) মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া নিহত হন এবং আহত হন আরও কয়েকজন সদস্য। ওই ঘটনার পর এলাকা জুড়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে এবং সমন্বিত অভিযানের পরিকল্পনা নেয় সরকার।

পুলিশের তথ্যমতে, প্রায় ৩ হাজার একর পাহাড়ি এলাকাজুড়ে বিস্তৃত জঙ্গল সলিমপুরে প্রায় ২০ হাজার বসতিতে প্রায় দুই লাখ মানুষের বসবাস। দীর্ঘদিন ধরে সরকারি পাহাড় দখল করে সেখানে অবৈধ বসতি গড়ে ওঠার পাশাপাশি প্লট বাণিজ্য ও আধিপত্যকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সন্ত্রাসী গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, রোকন উদ্দিন ও মোহাম্মদ ইয়াসিনের নেতৃত্বে কয়েকটি গ্রুপ এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছে। পাহাড়ি ও দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরেই সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত।

এর আগে ২০১৭ ও ২০২২ সালেও প্রশাসন সেখানে অভিযান চালানোর চেষ্টা করলেও নানা কারণে তা পুরোপুরি সফল হয়নি। তবে এবার সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার অংশ হিসেবে বড় পরিসরে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।