উত্তরা প্রতিনিধিঃ ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করে রেখে স্বৈরতান্ত্রিক মসনদ চালাতে শেখ হাসিনা পুলিশ প্রশাসনকে দলীয়করণ করে সারাদেশে গোপালগঞ্জ থেকে পুলিশ অফিসার নিয়োগের হিড়িক পরে। বিগত ১৫ বছরের এই প্রক্রিয়ায় নিয়োগ প্রাপ্ত অধিকাংশ পুলিশ অফিসার শেখ হাসিনার ক্ষমতার মসনদকে টিকিয়ে রাখতে মরিয়া ছিল গোপালী পুলিশরা। নানা অনিয়ম ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সম্পদের পাহাড় গড়েছে তারা। সেই সূত্রে ডিএমপির ওসি গফফার এর নাম আসে ক্ষমতাবান পুলিশ সদস্যের তালিকায়।
বিরোধী দলীয় নেতাদের দমন-পীড়ন ও আটক বাণিজ্যসহ প্রশাসনিক ক্ষমতাকে ব্যবহার করে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে এই পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে ।
অনুসন্ধানে জানা যায়,রাজধানীর দক্ষিনখান এলাকার জামতলা রোডে বসবাসকারী গফফার ওসির সম্পদের নানা চিত্র।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এলাকায় ছেলে বুড়ো সবার কাছেই সে আতংক। কখনও বিল্ডিং বসবাসকারী অন্য ফ্লাটের বাসিন্দাদের কাছে, কখনও প্রতিবেশী, কখনও আশপাশের দোকানী, কখনো বা রাস্তার পথচারী আবার কোন সময় অটো চালকদের কাছে ও ক্ষমতা দেখাতেন। ওসি গফফার বাস করেন দক্ষিখান থানার গুলবার মুন্সী রোডের ডাইনের গলিতে। সেখানে রয়েছে তার একাধিক ফ্লাট।গফুর মুন্সি রোডে একটি প্লট ও বাটা ফ্যাক্টরি মোডে দুটি প্লট।জামতলা রোডে ২টি ফ্লাট।
গত ৫ আগষ্টে সরকার পতনের পর এলাকার ছাত্র জনতা ক্ষোভের কারণ তার বাসায় আগুন ধরিয়ে দেয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে।
জানা গেছে, ওসি গফফার বাসায় থাকলেও বাসার ছাদের পানির টাংকিতে সেদিন লুকিয়ে ছিল। পাশের বিল্ডিং এ বসবাস করে এমন একজন তাকে পানির টাংকি থেকে বেড়িয়ে যেতে দেখেছেন বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ প্রতিনিধিকে তিনি জানান।এই সময় পর পর বেশ কয়েকদিন তার বাসায় হামলা চালায় ছাত্র জনতা।হামলা থেকে বাঁচতে নেন ভিন্ন কৌশল।
আরো জানা যায়, আত্মগোপনে থাকা এই পুলিশ অফিসার প্লটগুলি বিক্রয় করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। বর্তমানে তার স্ত্রী এবং দুই সন্তান হৃদয় ও অন্তর প্লট গুলি বিক্রয় করার জন্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। পুলিশ অফিসার গাফফারের স্ত্রী থেকে এইসব তথ্য জানা যায়।




