উত্তরা প্রতিনিধিঃ উত্তরায় দেশী -বিদেশী মদের পার্সেল বানিজ্য,অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে-মেয়েদের মধ্যে মদ সাপ্লাই ও পান শালার লাইসেন্স চেক না করে প্রবেশ সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে লেক ভিউ বার টির উপর। উত্তরা মেগা সিটির ১৩ নং সেক্টরে গরিব- ই – নেওয়াজ রোড়ে ৩৯ নং হাউজে দ্বিতীয় তলার পঞ্চম তলায় বারটি অবস্থিত। বারটিতে লেট ক্লোজিং পার্মিট ও দেশী বিদেশী মদ বিক্রয় লাইসেন্স এবং স্টোরের বিষয়ে জানতে বারটি পরিদর্শন কালে ম্যানেজার থাথে কথা বললে তারা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন।

বারটির মালিক মোক্তার গাজীর সাথে যোগাযোগের জন্য চেষ্টা করা হলেও বারটির জিএম মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন ও তার সহকারী ফরহাদ সাহেব বলেন, আমাদের কাছে স্যারের নম্বর নাই।

খোজ নিয়ে জানা যায়, বারটির মালিক মুক্তার গাজী একজন ফেসিস্ট সরকারের দোসর। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, নারায়নগঞ্জের সাবেক এমপি শামীম ওসমান ও মায়া চৌধুরী সহ আওয়ামীলীগের নেতাদের সাথে তার সম্পর্ক ছিল।

তারই ধারাবাহিকতায় দি ক্রাইমের অনুসন্ধানে জানা য়ায়, জুলাই আগষ্টের ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনে ৫ আগষ্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলে ছাত্র জনতার আন্দোলনে গণহত্যার মামলায় ফেঁসে যায় এই বার মালিক। মূলত তখন থেকেই পলাতক মুক্তার গাজী। নারায়নগঞ্জ জেলার রুপগঞ্জ থানায় তার বিরুদ্ধে একটি হত্য মামলায় তিনি ১০ নং আসামী হিসাবে পলাতক।

মামলার এফআইআর সূত্রে জানা যায়, রুপগঞ্জ থানা নারায়ণগঞ্জ জেলার আব্দুল্লাহ আল রাফিদ নামক এক যুবক তার পরিবারের সদস্যকে হত্যার মামলাটি করেন যাহার আর মামলা নম্বর ২৩৬। এই মামলায় সাবেক পলাতক প্রধানমন্ত্রী হাসিনা সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আসামী গুলোর মধ্যে ১০ নম্বর আসামি হিসেবে মুক্তারকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ইতিপূর্বে আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতাসীন সময়ে তার বেপরোয়া মাদক ব্যবসা ও বারে দেশি-বিদেশি মদ ক্রয় বিক্রয় সংক্রান্ত বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে উত্তরার ডিবি প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করলেও আওয়ামী ক্ষমতার অপব্যবহার করে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছে দাপটের সাথে। নিয়ম-নীতি লঙ্ঘন করে নারকোটিকসের অফিসারদের ম্যানেজ করে ব্যবসা করছে বলে প্রতিয়মান। নারকোটিকসের নীতিমালার মুসলিম প্রহিবিশন আইনের তোয়াক্কা না করে শুক্রবারেও বারটিতে দেশী- বিদেশী মদের পার্সেল বাণিজ্য করে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে বারটির বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে উত্তর শাখার নারকটিকস এর উপ-পরিচালক শামীম আহমেদ দি ক্রাইমকে বলেন, আপনি একটি লিখিত অভিযোগ দেন আমি ব্যবস্থা নিবো।

উত্তরা প্রতিনিধিঃ উত্তরায় দেশী -বিদেশী মদের পার্সেল বানিজ্য,অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে-মেয়েদের মধ্যে মদ সাপ্লাই ও পান শালার লাইসেন্স চেক না করে প্রবেশ সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে লেক ভিউ বার টির উপর। উত্তরা মেগা সিটির ১৩ নং সেক্টরে গরিব- ই – নেওয়াজ রোড়ে ৩৯ নং হাউজে দ্বিতীয় তলার পঞ্চম তলায় বারটি অবস্থিত। বারটিতে লেট ক্লোজিং পার্মিট ও দেশী বিদেশী মদ বিক্রয় লাইসেন্স এবং স্টোরের বিষয়ে জানতে বারটি পরিদর্শন কালে ম্যানেজার থাথে কথা বললে তারা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন।

বারটির মালিক মোক্তার গাজীর সাথে যোগাযোগের জন্য চেষ্টা করা হলেও বারটির জিএম মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন ও তার সহকারী ফরহাদ সাহেব বলেন, আমাদের কাছে স্যারের নম্বর নাই।

খোজ নিয়ে জানা যায়, বারটির মালিক মুক্তার গাজী একজন ফেসিস্ট সরকারের দোসর। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, নারায়নগঞ্জের সাবেক এমপি শামীম ওসমান ও মায়া চৌধুরী সহ আওয়ামীলীগের নেতাদের সাথে তার সম্পর্ক ছিল।

তারই ধারাবাহিকতায় দি ক্রাইমের অনুসন্ধানে জানা য়ায়, জুলাই আগষ্টের ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনে ৫ আগষ্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলে ছাত্র জনতার আন্দোলনে গণহত্যার মামলায় ফেঁসে যায় এই বার মালিক। মূলত তখন থেকেই পলাতক মুক্তার গাজী। নারায়নগঞ্জ জেলার রুপগঞ্জ থানায় তার বিরুদ্ধে একটি হত্য মামলায় তিনি ১০ নং আসামী হিসাবে পলাতক।

মামলার এফআইআর সূত্রে জানা যায়, রুপগঞ্জ থানা নারায়ণগঞ্জ জেলার আব্দুল্লাহ আল রাফিদ নামক এক যুবক তার পরিবারের সদস্যকে হত্যার মামলাটি করেন যাহার আর মামলা নম্বর ২৩৬। এই মামলায় সাবেক পলাতক প্রধানমন্ত্রী হাসিনা সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আসামী গুলোর মধ্যে ১০ নম্বর আসামি হিসেবে মুক্তারকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ইতিপূর্বে আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতাসীন সময়ে তার বেপরোয়া মাদক ব্যবসা ও বারে দেশি-বিদেশি মদ ক্রয় বিক্রয় সংক্রান্ত বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে উত্তরার ডিবি প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করলেও আওয়ামী ক্ষমতার অপব্যবহার করে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছে দাপটের সাথে। নিয়ম-নীতি লঙ্ঘন করে নারকোটিকসের অফিসারদের ম্যানেজ করে ব্যবসা করছে বলে প্রতিয়মান। নারকোটিকসের নীতিমালার মুসলিম প্রহিবিশন আইনের তোয়াক্কা না করে শুক্রবারেও বারটিতে দেশী- বিদেশী মদের পার্সেল বাণিজ্য করে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে বারটির বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে উত্তর শাখার নারকটিকস এর উপ-পরিচালক শামীম আহমেদ দি ক্রাইমকে বলেন, আপনি একটি লিখিত অভিযোগ দেন আমি ব্যবস্থা নিবো।