কক্সবাজার প্রতিনিধি: মাত্র ক’দিন আগেই বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলো কিশোরী সুমাইয়া আক্তার। দু’হাতে মেহেদির রং শুকায়নি এখনো। এরিমাঝে হঠাৎ এক ঝড়ে থেমে যায় সুমাইয়ার জীবন প্রদীপ।
দিন দুপুরে গলায় ওড়না পেঁছানো মৃতদেহ বাড়ির চালায় ঝুলে থাকার কি রহস্য থাকতে পারে নিশ্চয় সেটির অনুসন্ধান করবে আইনশৃংখলা বাহিনী।
তবে নির্মম এমন মৃত্যুর আগে অসহায় মেয়েটির ভাগ্যে কি ঘটেছিল…? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজার চেষ্টা করছেন গণমাধ্যম কর্মীরা।
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রত্নাপালং ইউনিয়নের ভালুকিয়া পালং থিমছড়ি এলাকার নুরুল কবিরের পুত্র মোহাম্মদ আরফাতের সাথে সামাজিকভাবে বিয়ে হয় পাশ্ববর্তী তুলাতলী গ্রামের অছিয়ুর রহমানের কন্যা সুমাইয়া আক্তারের।
এরপর সংসারের খাতায় যোগ হয় মাত্র ১৩টি দিন। কিন্তু জীবন পঞ্জিকার দু’সপ্তাহ না পেরোতেই অভাগিনী নববধুর ভাগ্যে আঘাত করে নির্মম এক দুর্ভাগ্য।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ধারণা করছেন, সুমাইয়াকে হত্যার পর গলায় রশি বেঁধে ঘরের চালার সাথে টাঙ্গিয়ে রাখে শশুর বাড়ির লোকজন৷ তারা বলছেন, এমন নিষ্টুরতা আগে দেখেননি কেউ।
স্থানীয় ইউপি সদস্য জানান, পরে খবর পেয়ে উখিয়া থানার উপ-পরিদর্শক মহসিন চৌধুরীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম বাড়ির চালায় ঝুলন্ত অবস্থা থেকে সুমাইয়ার মৃতদেহ উদ্ধার করে।
যে ঘটনায় উখিয়া-কক্সবাজার ছাড়িয়ে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ নেট দুনিয়ায়। এরপর ময়নাতদন্তে নিহত সুমাইয়ার মরদেহ ঠাই হয় কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে।
এদিকে নববধু সুমাইয়ার অকাল মৃত্যুকে দুঃখজনক উল্লেখ করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং অপরাধিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন স্থানীয় রত্নাপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল হুদা।
চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় জড়িতদের কঠিন শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের পরিবার ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।




