আন্তর্জাতিক ডেস্ক: অবশেষে বেলারুশ সীমান্তে রাশিয়ার সঙ্গে শান্তি আলোচনায় বসেছে ইউক্রেন। যুদ্ধবিরতি ও সেনা প্রত্যাহার চান ইউক্রেন প্রতিনিধিরা।

সোমবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এ বৈঠক শুরু হয়। খবর বিবিসি ও গার্ডিয়ানের।

প্রতিনিধিদের মধ্যে সাতজন উচ্চ পদমর্যাদার কর্মকর্তাও রয়েছেন। তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি নিজে বৈঠকে উপস্থিত হননি।

এর আগে কিয়েভ থেকে বিবিসি জানান, ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছে যে, তাদের প্রতিনিধিদল রাশিয়ার প্রতিনিধি দলের সাথে আলোচনা করতে ইউক্রেন-বেলারুশ সীমান্তে পৌঁছেছে।

তারা বলেছেন তাদের কাছে প্রধান বিবেচ্য বিষয় একটি যুদ্ধবিরতি এবং ইউক্রেনের ভূখণ্ড থেকে সৈন্য প্রত্যাহার।

এর আগে জানা যায় যে, লজিস্টিক এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্যার কারণে আলোচনা পেছানো হয়েছিল।

রবিবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেন, তিনি এই আলোচনা থেকে কোন অগ্রগতি আশা করেন না।

তবে একইসাথে তিনি বলেন, খুব ছোট হলেও তাদের এই সুযোগ কাজে লাগানোর চেষ্টা করা উচিত যাতে কেউ ইউক্রেনকে যুদ্ধ বন্ধ করার চেষ্টা না করার জন্য দোষ দিতে না পারে।

এদিকে রুশ সেনারা ইউরোপের বৃহত্তম যেপোরযিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র দখল করেছে বলে রাশিয়া যে দাবি করেছিল ইউক্রেনের কর্মকর্তারা সেটি প্রত্যাখ্যান করেছেন।

ইউক্রেনের রাষ্ট্র-চালিত পারমাণবিক কোম্পানি এনারগোটম, সংবাদ সংস্থা ইন্টারফ্যাক্সকে বলেছে যে, মস্কোর এই ধরনের দাবি “সম্পূর্ণ মিথ্যা”।

এর আগে সোমবার রাশিয়া বলেছিল যে, তাদের সৈন্যরা কেন্দ্রটি দখল করেছে এবং স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মেজর জেনারেল ইগর কোনাশেনকভ এক বিবৃতিতে বলেছেন: “রাশিয়ান সেনারা যেপোরযিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশেপাশের এলাকা সম্পূর্ণভাবে পাহারা দিচ্ছে এবং নিয়ন্ত্রণ করছে।”

তিনি আরো বলেন কর্মীরা কেন্দ্রটির রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছে এবং তেজস্ক্রিয়তা স্বাভাবিক মাত্রায় রয়েছে। সুত্র: বিবিসি।

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: অবশেষে বেলারুশ সীমান্তে রাশিয়ার সঙ্গে শান্তি আলোচনায় বসেছে ইউক্রেন। যুদ্ধবিরতি ও সেনা প্রত্যাহার চান ইউক্রেন প্রতিনিধিরা।

সোমবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এ বৈঠক শুরু হয়। খবর বিবিসি ও গার্ডিয়ানের।

প্রতিনিধিদের মধ্যে সাতজন উচ্চ পদমর্যাদার কর্মকর্তাও রয়েছেন। তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি নিজে বৈঠকে উপস্থিত হননি।

এর আগে কিয়েভ থেকে বিবিসি জানান, ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছে যে, তাদের প্রতিনিধিদল রাশিয়ার প্রতিনিধি দলের সাথে আলোচনা করতে ইউক্রেন-বেলারুশ সীমান্তে পৌঁছেছে।

তারা বলেছেন তাদের কাছে প্রধান বিবেচ্য বিষয় একটি যুদ্ধবিরতি এবং ইউক্রেনের ভূখণ্ড থেকে সৈন্য প্রত্যাহার।

এর আগে জানা যায় যে, লজিস্টিক এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্যার কারণে আলোচনা পেছানো হয়েছিল।

রবিবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেন, তিনি এই আলোচনা থেকে কোন অগ্রগতি আশা করেন না।

তবে একইসাথে তিনি বলেন, খুব ছোট হলেও তাদের এই সুযোগ কাজে লাগানোর চেষ্টা করা উচিত যাতে কেউ ইউক্রেনকে যুদ্ধ বন্ধ করার চেষ্টা না করার জন্য দোষ দিতে না পারে।

এদিকে রুশ সেনারা ইউরোপের বৃহত্তম যেপোরযিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র দখল করেছে বলে রাশিয়া যে দাবি করেছিল ইউক্রেনের কর্মকর্তারা সেটি প্রত্যাখ্যান করেছেন।

ইউক্রেনের রাষ্ট্র-চালিত পারমাণবিক কোম্পানি এনারগোটম, সংবাদ সংস্থা ইন্টারফ্যাক্সকে বলেছে যে, মস্কোর এই ধরনের দাবি “সম্পূর্ণ মিথ্যা”।

এর আগে সোমবার রাশিয়া বলেছিল যে, তাদের সৈন্যরা কেন্দ্রটি দখল করেছে এবং স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মেজর জেনারেল ইগর কোনাশেনকভ এক বিবৃতিতে বলেছেন: “রাশিয়ান সেনারা যেপোরযিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশেপাশের এলাকা সম্পূর্ণভাবে পাহারা দিচ্ছে এবং নিয়ন্ত্রণ করছে।”

তিনি আরো বলেন কর্মীরা কেন্দ্রটির রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছে এবং তেজস্ক্রিয়তা স্বাভাবিক মাত্রায় রয়েছে। সুত্র: বিবিসি।