মীর হোসেন মোল্লাঃ রাজধানীর কাফরুল থানার বেশ কয়েকটি আবাসিক হোটেলে দিনে দুপুরেই চলছে অনৈতিক কর্মকান্ড। সব কিছু জানার পরেও নিরব ভুমিকায় থানা পুলিশ। সরকার পরিবর্তনের সাথে সাথে কাফরুল থানার বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু আবাসিক হোটেলের সন্ধান পাওয়া গেছে। কিন্তু এসব আবাসিক হোটেল গুলো বন্ধের বিষয়ে থানা পুলিশকে কোন ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় না। সাধারণ মানুষজন বলছেন, পুলিশের নিরব ভূমিকা থাকায় এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড বেড়েই চলেছে। তবে সোনার বাংলা নামক একটি আবাসিক হোটেলে বেপরোয়া হয়ে জমজমাটভাবে অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। সেনপাড়া পর্বতা মুন্সীবাড়ী জামে মসজিদের সংলগ্নে সুমনের ভবনের ৬ তলায় অবস্থিত হোটেল সোনারবাংলা। ম্যানেজার সজিব এবং ম্যানেজার জজ মিয়ার নেতৃত্বে আলম এবং রনির পরিচালনায় থানা পুলিশকে ম্যানেজ করে এসব দেহ ব্যবসা দীর্ঘদিন থেকে চালিয়ে আসছে।

এসব অবৈধ ব্যবসার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে গতকাল বুধবার (১৩ নভেম্বর) স্থানীয় জনতা সোনার বাংলা হোটেলের এহেন অপকর্মের বিরুদ্ধে আন্দোলন ও প্রতিবাদ শুরু করে। ক্ষোভের একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন এবং ছাত্র জনতা সোনার বাংলা হোটেলের দেহ ব্যবসায়ীর দালালদেরকে ধাওয়া করে। ভবিষ্যতে সোনার বাংলা আবাসিক হোটেলের অনৈতিক ব্যবসা চলবে না বলে স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

জানা যায়, সেনপাড়া পর্বতা এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন দীর্ঘদিন ধরেই সোনারবাংলা আবাসিক হোটেলে গোপনে চলে আসছিল এই ব্যবসা। সরকার পতনের পর প্রকাশ্যেই চলছে দেহ ব্যাবসা সহ নানা অসামাজিক কার্যকালাপ । এসব কর্মকান্ড অনেকটাই ‘ওপেন সিক্রেট’ বলেই চলছে। প্রশাসন বলছে অনেক তথ্যই নেই তাদের কাছে।

অনুসন্ধান জানা গেছে, বেশির ভাগ অসামাজিক কার্যকলাপ চলছে প্রশাসনের নাকের ডগাতেই। শুধু আবাসিক হোটেলই নয়, এই দেহ ব্যবসা চলছে গোপনে কাফরুল থানার বিভিন্ন ফ্ল্যাট বাসাতেও। কাফরুল থানার বিভিন্ন জায়গায় ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে কৌশলে চালাচ্ছে এই ব্যবসা। আবাসিক হোটেল গুলোতে একজন নারীর সাথে ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘন্টা সময় কাটাতে খদ্দেরকে গুনতে হয় মোটা অংকের টাকা। এরকম টা বলেন সোনার বাংলা আবাসিক হোটেলের এক পতিতা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সোনার বাংলা হোটেলে ১০/১৫ টা মেয়ে দিয়ে তারা রমরমা অনৈতিক কর্মকান্ড চালাচ্ছে। আর এ হোটেলে রাত কাটাতে হলে তো কথাই নেই, গুনতে হয় কয়েক গুণ ভাড়া, বেশি অর্থ উপার্জনের লোভই হোটেল মালিকদের এই জঘন্য কাজে লিপ্ত হচ্ছে।

বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, কাফরুল সেনপাড়া পর্বতা এলাকার সোনার বাংলা আবাসিক হোটেলে আয়ের সবচেয়ে বড় মাধ্যম হচ্ছে নারীর দেহ ব্যবসা। ইতিমধ্যে এ হোটেলটি মিনি পতিতালয়ে পরিনত হয়েছে। হোটেল কর্তৃপক্ষ অনেকেই হুংকার দিয়ে জানান, প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই এসব ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে। জানা যায় , দেহ ব্যবসার জন্য প্রতিমাসে প্রশাসনের কিছু অসৎ সদস্যদের বড় অংকে উৎকোচ দিয়েই নির্বিঘ্নে চলে এই অনৈতিক কার্যকলাপ। সেনপাড়া পর্বতা এলাকায় সোনার বাংলা আবাসিক হোটেলে তরুণ ও উঠতি বয়সের ছেলেদের আড্ডা ও আনাগোনা লক্ষ করা যায়। এই হোটেলে কলগার্ল ও দেহ ব্যবসায়ী নারীদের অবস্থান থাকে। আর এই ব্যাবসার বিশেষ কৌশলে গড়ে ওঠে ইয়াবা ও মাদকের ব্যাবসা। দিন দিন যুবসমাজ এই ফাঁদে পা দিয়ে অন্ধকার জগতে আসক্ত হয়ে পড়ে। বিভিন্ন সময়ে এই সকল আবাসিক হোটেল গুলোতে প্রশাসন অভিযান চালালেও রাত পোহালে আবার সেই আগের চিত্রের দেখা মেলে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের সামনেই এইসব চললেও প্রশাসন কিছু করছে না। মাঝে মধ্যে লোক দেখানো দু’একটি অভিযান চালায়, উচ্ছেদ করার জন্য মূলত অভিযান চালায় না। সাধারণ সচেতন মানুষ এই ধরনের অপকর্ম থেকে অনৈতিক কার্যকলাপ মুক্ত করতে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

মীর হোসেন মোল্লাঃ রাজধানীর কাফরুল থানার বেশ কয়েকটি আবাসিক হোটেলে দিনে দুপুরেই চলছে অনৈতিক কর্মকান্ড। সব কিছু জানার পরেও নিরব ভুমিকায় থানা পুলিশ। সরকার পরিবর্তনের সাথে সাথে কাফরুল থানার বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু আবাসিক হোটেলের সন্ধান পাওয়া গেছে। কিন্তু এসব আবাসিক হোটেল গুলো বন্ধের বিষয়ে থানা পুলিশকে কোন ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় না। সাধারণ মানুষজন বলছেন, পুলিশের নিরব ভূমিকা থাকায় এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড বেড়েই চলেছে। তবে সোনার বাংলা নামক একটি আবাসিক হোটেলে বেপরোয়া হয়ে জমজমাটভাবে অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। সেনপাড়া পর্বতা মুন্সীবাড়ী জামে মসজিদের সংলগ্নে সুমনের ভবনের ৬ তলায় অবস্থিত হোটেল সোনারবাংলা। ম্যানেজার সজিব এবং ম্যানেজার জজ মিয়ার নেতৃত্বে আলম এবং রনির পরিচালনায় থানা পুলিশকে ম্যানেজ করে এসব দেহ ব্যবসা দীর্ঘদিন থেকে চালিয়ে আসছে।

এসব অবৈধ ব্যবসার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে গতকাল বুধবার (১৩ নভেম্বর) স্থানীয় জনতা সোনার বাংলা হোটেলের এহেন অপকর্মের বিরুদ্ধে আন্দোলন ও প্রতিবাদ শুরু করে। ক্ষোভের একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন এবং ছাত্র জনতা সোনার বাংলা হোটেলের দেহ ব্যবসায়ীর দালালদেরকে ধাওয়া করে। ভবিষ্যতে সোনার বাংলা আবাসিক হোটেলের অনৈতিক ব্যবসা চলবে না বলে স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

জানা যায়, সেনপাড়া পর্বতা এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন দীর্ঘদিন ধরেই সোনারবাংলা আবাসিক হোটেলে গোপনে চলে আসছিল এই ব্যবসা। সরকার পতনের পর প্রকাশ্যেই চলছে দেহ ব্যাবসা সহ নানা অসামাজিক কার্যকালাপ । এসব কর্মকান্ড অনেকটাই ‘ওপেন সিক্রেট’ বলেই চলছে। প্রশাসন বলছে অনেক তথ্যই নেই তাদের কাছে।

অনুসন্ধান জানা গেছে, বেশির ভাগ অসামাজিক কার্যকলাপ চলছে প্রশাসনের নাকের ডগাতেই। শুধু আবাসিক হোটেলই নয়, এই দেহ ব্যবসা চলছে গোপনে কাফরুল থানার বিভিন্ন ফ্ল্যাট বাসাতেও। কাফরুল থানার বিভিন্ন জায়গায় ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে কৌশলে চালাচ্ছে এই ব্যবসা। আবাসিক হোটেল গুলোতে একজন নারীর সাথে ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘন্টা সময় কাটাতে খদ্দেরকে গুনতে হয় মোটা অংকের টাকা। এরকম টা বলেন সোনার বাংলা আবাসিক হোটেলের এক পতিতা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সোনার বাংলা হোটেলে ১০/১৫ টা মেয়ে দিয়ে তারা রমরমা অনৈতিক কর্মকান্ড চালাচ্ছে। আর এ হোটেলে রাত কাটাতে হলে তো কথাই নেই, গুনতে হয় কয়েক গুণ ভাড়া, বেশি অর্থ উপার্জনের লোভই হোটেল মালিকদের এই জঘন্য কাজে লিপ্ত হচ্ছে।

বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, কাফরুল সেনপাড়া পর্বতা এলাকার সোনার বাংলা আবাসিক হোটেলে আয়ের সবচেয়ে বড় মাধ্যম হচ্ছে নারীর দেহ ব্যবসা। ইতিমধ্যে এ হোটেলটি মিনি পতিতালয়ে পরিনত হয়েছে। হোটেল কর্তৃপক্ষ অনেকেই হুংকার দিয়ে জানান, প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই এসব ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে। জানা যায় , দেহ ব্যবসার জন্য প্রতিমাসে প্রশাসনের কিছু অসৎ সদস্যদের বড় অংকে উৎকোচ দিয়েই নির্বিঘ্নে চলে এই অনৈতিক কার্যকলাপ। সেনপাড়া পর্বতা এলাকায় সোনার বাংলা আবাসিক হোটেলে তরুণ ও উঠতি বয়সের ছেলেদের আড্ডা ও আনাগোনা লক্ষ করা যায়। এই হোটেলে কলগার্ল ও দেহ ব্যবসায়ী নারীদের অবস্থান থাকে। আর এই ব্যাবসার বিশেষ কৌশলে গড়ে ওঠে ইয়াবা ও মাদকের ব্যাবসা। দিন দিন যুবসমাজ এই ফাঁদে পা দিয়ে অন্ধকার জগতে আসক্ত হয়ে পড়ে। বিভিন্ন সময়ে এই সকল আবাসিক হোটেল গুলোতে প্রশাসন অভিযান চালালেও রাত পোহালে আবার সেই আগের চিত্রের দেখা মেলে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের সামনেই এইসব চললেও প্রশাসন কিছু করছে না। মাঝে মধ্যে লোক দেখানো দু’একটি অভিযান চালায়, উচ্ছেদ করার জন্য মূলত অভিযান চালায় না। সাধারণ সচেতন মানুষ এই ধরনের অপকর্ম থেকে অনৈতিক কার্যকলাপ মুক্ত করতে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।