কক্সবাজার প্রতিনিধি: বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের কক্সবাজারে শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও ক্রিকেট কমপ্লেক্স রূপ নিচ্ছে কক্সবাজারের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রীড়া কমপ্লেক্স নামে হতে যাচ্ছে। যেখানে ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হচ্ছে ফুটবল ও হকি স্টেডিয়াম।
রোববার (২৭ ফেব্রুয়ারি) কক্সবাজারে এক অভিযাত হোটেলে অনুষ্ঠিত সভায় কমপ্লেক্স’ স্থাপনের বিষয়ে এক অংশীজন পরামর্শ করার পর। এসময় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এক প্রেস ব্রিফিংয়ে কক্সবাজারের ঐতিহ্য নৌকার আদলেই আন্তর্জাতিক স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে।
আড়াই হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এ ক্রীড়া কমপ্লেক্সে থাকবে, ক্রিকেট, ফুটবল ও হকির স্টেডিয়াম। আলাদা পেকটিস গ্রাউন্ড, গাড়ী পার্কিংসহ নানা সুযোগ-সুবিধা থাকার কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।
কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতের পাড় ঘেঁষে ২০১৩ সালে পর্যটন গলফ মাঠে নির্মাণ কাজ শুরু হয় কক্সবাজার শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও ক্রিকেট কমপ্লেক্স। প্রায় ৪৯ একর জমিতে ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে স্টেডিয়ামটি নির্মাণ করে বিসিবি। গত ২০১৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করেন।
প্রাথমিকভাবে মাত্র ৭ হাজার ৮’শ দর্শক ধারণক্ষমতা সম্পূর্ণ ছিল স্টেডিয়ামটি। যেখানে অনুষ্ঠিত হয় অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের ম্যাচ, নারীদের দ্বি-পাক্ষিক সিরিজ। এছাড়াও চলে এনসিএল ও বিসিএল এর ম্যাচ। কিন্তু বর্তমানে বেহাল দশা এই স্টেডিয়ামের। রয়েছে অবকাঠামোগত সমস্যাসহ মূল মাঠের পানি জমে থাকার সমস্যা। তবে স্টেডিয়ামটি নির্মাণের পর থেকে বিসিবি অনেক কর্তাব্যক্তি স্টেডিয়ামটি পূর্ণাঙ্গ করার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা হয়নি।
পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা থাকা স্বত্ত্বেও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো পূর্ণাঙ্গ হয়নি শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামটি। যার কারণে আন্তর্জাতিক টুর্ণামেন্টের খেলা দেখতে বঞ্চিত হচ্ছে কক্সবাজারবাসী। তাই দ্রুত একটি পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়াম নির্মাণের দাবি জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও কক্সবাজারবাসীর।
কক্সবাজার জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক জসিম উদ্দিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানায়। তবে যে স্টেডিয়ামের কথা এখানে বলা হচ্ছে, সেটি মাত্র ১৫ হাজার দর্শক ধারণ ক্ষমতার। কিন্তু সামান্য বলি খেলা হলেও এখানে জায়গা দেয়া কঠিন হবে। তাই স্টেডিয়ামের ধারণ ক্ষমতাটাও আন্তর্জাতিকমানের করার আহ্বান রইল।



