ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার ছয়ঘড়িয়া আলহাজ্ব শাহ আলম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সেলিনা বেগমের উপরে হামলার প্রতিবাদে শুক্রবার (০১ নভেম্বর) উপজেলায় প্রতিবাদ ও মানববন্ধন করা হয়।

মানববন্ধনে আখাউড়া উপজেলার শিক্ষক সমিতির সভাপতি আবুল হাসান বলেন, আমি তুলাই শিমুল স্কুলের প্রধান শিক্ষক আমার পাশেই আলহাজ্ব শাহ আলম উচ্চ বিদ্যালয়। আপনারা জানেন যে, স্কুলের এমপিও ঠিক রাখতে হলে স্বীকৃতি ঠিক রাখতে হবে। স্কুলের জমির খাজনা খারিজ করতে হয়, উনার দায়িত্ব থেকে তাদেরকে বারবার তাগিদ দিলেও টাকা ফেরত দেয় না, জমিও রেজিস্ট্রি করে দেয় না, তাই উনি বাধ্য হয়ে মামলা করেছে, এই মামলা নিয়ে তাদের সাথে বিবাদ।

টনকি ছাদেকুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসার লেকচারার আল আমিন বলেন, আমি নেটের মাধ্যমে দেখতেছি যাকে বারবার লাঞ্ছিত করতেছে তার কোন অপরাধ সাব্যস্ত করতে পারে নাই। তার অপরাধ শুধু প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে হিসাব বুঝিয়ে দিতে বললেই তারা তাকে লাঞ্ছিত করে।

স্কুলের সাবেক ছাত্র ছাবিত হোসেন বলেন, আমি সে দিন ম্যাডামের সাথে ছিলাম স্কুলে ঢোকার পর, ছাত্র-ছাত্রীসহ বাহিরের লোকজন মোবারকের মেয়ে সহ আরো অনেকেই মিলে ম্যাডামের সাথে যা মন চায় তাই করতেছে। আমি কন্ট্রোল করতে পারব না তাই সরে যাই।

মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন, আখাউড়া উপজেলার শিক্ষক সমিতির সেক্রেটারি দেওয়ান সাজিদুল হক দুলাল, সাবেক প্রধান শিক্ষক নাজির হোসেন, সাবেক ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য শাহ আলম খন্দকার, অভিভাবক আলমগীর হোসেন।

উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন গ্রামের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার ছয়ঘড়িয়া আলহাজ্ব শাহ আলম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সেলিনা বেগমের উপরে হামলার প্রতিবাদে শুক্রবার (০১ নভেম্বর) উপজেলায় প্রতিবাদ ও মানববন্ধন করা হয়।

মানববন্ধনে আখাউড়া উপজেলার শিক্ষক সমিতির সভাপতি আবুল হাসান বলেন, আমি তুলাই শিমুল স্কুলের প্রধান শিক্ষক আমার পাশেই আলহাজ্ব শাহ আলম উচ্চ বিদ্যালয়। আপনারা জানেন যে, স্কুলের এমপিও ঠিক রাখতে হলে স্বীকৃতি ঠিক রাখতে হবে। স্কুলের জমির খাজনা খারিজ করতে হয়, উনার দায়িত্ব থেকে তাদেরকে বারবার তাগিদ দিলেও টাকা ফেরত দেয় না, জমিও রেজিস্ট্রি করে দেয় না, তাই উনি বাধ্য হয়ে মামলা করেছে, এই মামলা নিয়ে তাদের সাথে বিবাদ।

টনকি ছাদেকুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসার লেকচারার আল আমিন বলেন, আমি নেটের মাধ্যমে দেখতেছি যাকে বারবার লাঞ্ছিত করতেছে তার কোন অপরাধ সাব্যস্ত করতে পারে নাই। তার অপরাধ শুধু প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে হিসাব বুঝিয়ে দিতে বললেই তারা তাকে লাঞ্ছিত করে।

স্কুলের সাবেক ছাত্র ছাবিত হোসেন বলেন, আমি সে দিন ম্যাডামের সাথে ছিলাম স্কুলে ঢোকার পর, ছাত্র-ছাত্রীসহ বাহিরের লোকজন মোবারকের মেয়ে সহ আরো অনেকেই মিলে ম্যাডামের সাথে যা মন চায় তাই করতেছে। আমি কন্ট্রোল করতে পারব না তাই সরে যাই।

মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন, আখাউড়া উপজেলার শিক্ষক সমিতির সেক্রেটারি দেওয়ান সাজিদুল হক দুলাল, সাবেক প্রধান শিক্ষক নাজির হোসেন, সাবেক ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য শাহ আলম খন্দকার, অভিভাবক আলমগীর হোসেন।

উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন গ্রামের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।