ঢাকা ব্যুরো: সরকারের ঘোষাণা অনুযায়ী শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সারাদেশের একদিনে ১ কোটি করোনা প্রতিরোধী টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। দেশে টিকা কার্যক্রম শুরুর পর এটিই সর্বোচ্চ লক্ষ্যমাত্রা। এর আগে বিপুল সংখ্যক মানুষকে টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে ৭৬ লাখ ডোজের বেশি টিকা দেয়া হয়েছিল একদিনে।

উল্লেখ্য, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গত বছরের ২৭ জানুয়ারি প্রথম টিকা কার্যক্রম শুরু হলেও ৭ ফেব্রুয়ারি গণটিকা কার্যক্রম শুরু হয়। ৮ এপ্রিল শুরু হয় দ্বিতীয় ডোজ দেয়ার কার্যক্রম। আর গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর তৃতীয় ডোজ বা বুস্টার ডোজ দেয়া শুরু করে। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে একদিনে ১ কোটি ডোজ টিকা দেয়ার ঘোষণা দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ১৬ ফেব্রুয়ারি জানানো হয়, ২৬ ফেব্রুয়ারি পর প্রথম ডোজের টিকা কার্যক্রম বন্ধ রাখা হবে। টিকা পেতে নিবন্ধন বা এসএমএসের প্রয়োজন হবে না। টিকা কেন্দ্রে গেলেই মিলবে টিকা।

২২ ফেব্রুয়ারি ১ দিনে এক কোটি মানুষকে টিকা দেয়া কার্যক্রম উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, ২৬ ফেব্রুয়ারি যে ১ কোটি ডোজ টিকা দেয়া হবে এর মূল লক্ষ্য শ্রমজীবী মানুষ। কারণ তাদের অনেকেই এখনো টিকা নেননি। সব ইউনিয়নে টিকা দেয়া হবে। ওই দিন টিকার প্রথম ডোজের ওপর গুরুত্ব বেশি দেয়া হবে। ২৬ ফেব্রুয়ারির পর প্রথম ডোজের ওপর গুরুত্ব কম দেয়া হলেও পরবর্তীতে এর স্বাভাবিক টিকা কার্যক্রম চলমান থাকবে। তবে সীমিত পরিসরে। কেননা তখন অনেক মানুষকে ?দ্বিতীয় ও বুস্টার (৩য়) ডোজের টিকা দিতে হবে। তাই ২৬ ফেব্রুয়ারির পর ২য় ও বুস্টার ডোজ গুরুত্ব পাবে।

এদিকে ২৬ ফেব্রুয়ারি এক দিনেই সারাদেশে ১ কোটি ডোজ টিকা দেয়ার লক্ষ্য প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সরকারের হিসাবে এখনো দেশের এক থেকে প্রায় দেড় কোটি মানুষ টিকার বাইরে আছে। বাদ পড়া এসব মানুষকে টিকার আওতায় আনতেই এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। জনবল, কেন্দ্র বাড়ানোসহ মাঠপর্যায়ে সব ধরনের সুযোগ সুবিধাই বাড়ানো হচ্ছে। ১২ বছরের ঊর্ধ্ব সব নাগরিক টিকাকেন্দ্রে এলেই তিনি টিকা পাবেন। এ জন্য স্থানীয় প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সবাইকে এই ক্যাম্পেইনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ইউনিয়ন পর্যায়ে ৩টি করে কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। প্রতিটি উপজেলার হাসপাতালে নির্ধারিত যে টিকা কেন্দ্র রয়েছে, এর বাইরে অতিরিক্ত ৫টি করে মোবাইল টিম থাকবে। জেলাপর্যায়ে নির্ধারিত টিকাকেন্দ্র ছাড়াও ২০টি করে অতিরিক্ত মোবাইল টিম থাকবে। এছাড়া ওয়ার্ড পর্যায়ে ৩টি করে টিম কাজ করবে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রতিটি জোনে ৩০টি করে অতিরিক্ত টিম থাকবে। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রতি জোনে ৪০টি, বরিশাল, সিলেট, কুমিল্লা এবং ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রতি জোনে ৬০টি, খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম এবং রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রতি জোনে ২৫টি করে টিম কাজ করবে। এছাড়া উপজেলা ও জেলার প্রতি কেন্দ্রে ৩’শ এবং সিটি করপোরেশন এলাকায় ৫’শ লোককে টিকাদানের লক্ষ্যমাত্রা থাকবে।

২৬ ফেব্রুয়ারির পর টিকার প্রথম ডোজ বন্ধ হয়ে যাবে এবং নিবন্ধন ও এসএমএস ছাড়াই টিকা কেন্দ্রে গেলে টিকা মিলবে- সরকারের এমন ঘোষণার পর টিকা কেন্দ্রগুলোতে টিকাপ্রত্যাশীদের ভিড় বাড়তে থাকে। টিকা কেন্দ্রের ভিড় সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয় দায়িত্বরত আইন শৃঙ্খলাবাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবীদের। শুধু তাই নয়, ভিড় বেড়ে গিয়ে টিকাপ্রত্যাশীদের বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের লাঠিপেটায় আহতও হয়েছেন কয়েকজন।
টিকা কার্যক্রম শুরুর পর সরকারি ছুটির দিন এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার টিকা কার্যক্রম বন্ধ ছিল। তবে টিকাপ্রত্যাশীদের ভিড় সামাল দিতে এবং আজকে ১ কোটি টিকাদান কার্যক্রমের চাপ কিছুটা কমাতে গতকাল শুক্রবার ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় টিকা কেন্দ্র খোলা ছিল।

এ প্রসঙ্গে কোভিড-১৯ টিকাবিষয়ক বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব ও অধিদপ্তরের মাতৃ, নবজাতক ও শিশু স্বাস্থ্য কর্মসূচির পরিচালক ডা. মো. শামসুল হকের পাঠানো নির্দেশনায় বলা হয়, ২৬ ফেব্রুয়ারি গণটিকাদান কার্যক্রম ঘিরে দেশজুড়ে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে এবং টিকার জন্য টিকাদান কেন্দ্রে মানুষের উপচেপড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে। জনমনে সৃষ্ট এই ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ও টিকার চাহিদা পূরণের নিমিত্তে শুক্রবার সারাদেশের কোভিড-১৯ টিকাদান কেন্দ্রগুলো খোলা রেখে এবং প্রয়োজনে অতিরিক্ত কেন্দ্র বা বুথের মাধ্যমে টিকাদান কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

মহাখালীর জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল কেন্দ্রে টিকা দেয়া শুরু হয় সকাল ৯টা থেকে। তবে সেখানে টিকাপ্রত্যাশীদের ভিড় ছিল আরো আগে থেকেই। একই চিত্র মহাখালীর শেখ রাসেল জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালসহ বিভিন্ন টিকা কেন্দ্রে। এদিকে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়েও টিকা না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে। জুমার নামাজের আগেই বিভিন্ন কেন্দ্রে টিকা শেষ হয়ে যায়। টিকাপ্রত্যাশীদের অভিযোগ, পরিচিতজনদের দেখে দেখে টিকাকেন্দ্রে ঢোকানো হয়েছে। আর তাই সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়েও তারা টিকা পাননি। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টিকা দেয়া হয়েছে মাত্র ৫’শটি। আর টিকা নিতে এসেছে হাজারের বেশি মানুষ। টিকার সংখ্যা বাড়ানো গেলে এই সমস্যার সমাধান হবে।

ঢাকা ব্যুরো: সরকারের ঘোষাণা অনুযায়ী শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সারাদেশের একদিনে ১ কোটি করোনা প্রতিরোধী টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। দেশে টিকা কার্যক্রম শুরুর পর এটিই সর্বোচ্চ লক্ষ্যমাত্রা। এর আগে বিপুল সংখ্যক মানুষকে টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে ৭৬ লাখ ডোজের বেশি টিকা দেয়া হয়েছিল একদিনে।

উল্লেখ্য, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গত বছরের ২৭ জানুয়ারি প্রথম টিকা কার্যক্রম শুরু হলেও ৭ ফেব্রুয়ারি গণটিকা কার্যক্রম শুরু হয়। ৮ এপ্রিল শুরু হয় দ্বিতীয় ডোজ দেয়ার কার্যক্রম। আর গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর তৃতীয় ডোজ বা বুস্টার ডোজ দেয়া শুরু করে। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে একদিনে ১ কোটি ডোজ টিকা দেয়ার ঘোষণা দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ১৬ ফেব্রুয়ারি জানানো হয়, ২৬ ফেব্রুয়ারি পর প্রথম ডোজের টিকা কার্যক্রম বন্ধ রাখা হবে। টিকা পেতে নিবন্ধন বা এসএমএসের প্রয়োজন হবে না। টিকা কেন্দ্রে গেলেই মিলবে টিকা।

২২ ফেব্রুয়ারি ১ দিনে এক কোটি মানুষকে টিকা দেয়া কার্যক্রম উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, ২৬ ফেব্রুয়ারি যে ১ কোটি ডোজ টিকা দেয়া হবে এর মূল লক্ষ্য শ্রমজীবী মানুষ। কারণ তাদের অনেকেই এখনো টিকা নেননি। সব ইউনিয়নে টিকা দেয়া হবে। ওই দিন টিকার প্রথম ডোজের ওপর গুরুত্ব বেশি দেয়া হবে। ২৬ ফেব্রুয়ারির পর প্রথম ডোজের ওপর গুরুত্ব কম দেয়া হলেও পরবর্তীতে এর স্বাভাবিক টিকা কার্যক্রম চলমান থাকবে। তবে সীমিত পরিসরে। কেননা তখন অনেক মানুষকে ?দ্বিতীয় ও বুস্টার (৩য়) ডোজের টিকা দিতে হবে। তাই ২৬ ফেব্রুয়ারির পর ২য় ও বুস্টার ডোজ গুরুত্ব পাবে।

এদিকে ২৬ ফেব্রুয়ারি এক দিনেই সারাদেশে ১ কোটি ডোজ টিকা দেয়ার লক্ষ্য প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সরকারের হিসাবে এখনো দেশের এক থেকে প্রায় দেড় কোটি মানুষ টিকার বাইরে আছে। বাদ পড়া এসব মানুষকে টিকার আওতায় আনতেই এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। জনবল, কেন্দ্র বাড়ানোসহ মাঠপর্যায়ে সব ধরনের সুযোগ সুবিধাই বাড়ানো হচ্ছে। ১২ বছরের ঊর্ধ্ব সব নাগরিক টিকাকেন্দ্রে এলেই তিনি টিকা পাবেন। এ জন্য স্থানীয় প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সবাইকে এই ক্যাম্পেইনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ইউনিয়ন পর্যায়ে ৩টি করে কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। প্রতিটি উপজেলার হাসপাতালে নির্ধারিত যে টিকা কেন্দ্র রয়েছে, এর বাইরে অতিরিক্ত ৫টি করে মোবাইল টিম থাকবে। জেলাপর্যায়ে নির্ধারিত টিকাকেন্দ্র ছাড়াও ২০টি করে অতিরিক্ত মোবাইল টিম থাকবে। এছাড়া ওয়ার্ড পর্যায়ে ৩টি করে টিম কাজ করবে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রতিটি জোনে ৩০টি করে অতিরিক্ত টিম থাকবে। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রতি জোনে ৪০টি, বরিশাল, সিলেট, কুমিল্লা এবং ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রতি জোনে ৬০টি, খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম এবং রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রতি জোনে ২৫টি করে টিম কাজ করবে। এছাড়া উপজেলা ও জেলার প্রতি কেন্দ্রে ৩’শ এবং সিটি করপোরেশন এলাকায় ৫’শ লোককে টিকাদানের লক্ষ্যমাত্রা থাকবে।

২৬ ফেব্রুয়ারির পর টিকার প্রথম ডোজ বন্ধ হয়ে যাবে এবং নিবন্ধন ও এসএমএস ছাড়াই টিকা কেন্দ্রে গেলে টিকা মিলবে- সরকারের এমন ঘোষণার পর টিকা কেন্দ্রগুলোতে টিকাপ্রত্যাশীদের ভিড় বাড়তে থাকে। টিকা কেন্দ্রের ভিড় সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয় দায়িত্বরত আইন শৃঙ্খলাবাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবীদের। শুধু তাই নয়, ভিড় বেড়ে গিয়ে টিকাপ্রত্যাশীদের বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের লাঠিপেটায় আহতও হয়েছেন কয়েকজন।
টিকা কার্যক্রম শুরুর পর সরকারি ছুটির দিন এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার টিকা কার্যক্রম বন্ধ ছিল। তবে টিকাপ্রত্যাশীদের ভিড় সামাল দিতে এবং আজকে ১ কোটি টিকাদান কার্যক্রমের চাপ কিছুটা কমাতে গতকাল শুক্রবার ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় টিকা কেন্দ্র খোলা ছিল।

এ প্রসঙ্গে কোভিড-১৯ টিকাবিষয়ক বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব ও অধিদপ্তরের মাতৃ, নবজাতক ও শিশু স্বাস্থ্য কর্মসূচির পরিচালক ডা. মো. শামসুল হকের পাঠানো নির্দেশনায় বলা হয়, ২৬ ফেব্রুয়ারি গণটিকাদান কার্যক্রম ঘিরে দেশজুড়ে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে এবং টিকার জন্য টিকাদান কেন্দ্রে মানুষের উপচেপড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে। জনমনে সৃষ্ট এই ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ও টিকার চাহিদা পূরণের নিমিত্তে শুক্রবার সারাদেশের কোভিড-১৯ টিকাদান কেন্দ্রগুলো খোলা রেখে এবং প্রয়োজনে অতিরিক্ত কেন্দ্র বা বুথের মাধ্যমে টিকাদান কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

মহাখালীর জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল কেন্দ্রে টিকা দেয়া শুরু হয় সকাল ৯টা থেকে। তবে সেখানে টিকাপ্রত্যাশীদের ভিড় ছিল আরো আগে থেকেই। একই চিত্র মহাখালীর শেখ রাসেল জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালসহ বিভিন্ন টিকা কেন্দ্রে। এদিকে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়েও টিকা না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে। জুমার নামাজের আগেই বিভিন্ন কেন্দ্রে টিকা শেষ হয়ে যায়। টিকাপ্রত্যাশীদের অভিযোগ, পরিচিতজনদের দেখে দেখে টিকাকেন্দ্রে ঢোকানো হয়েছে। আর তাই সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়েও তারা টিকা পাননি। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টিকা দেয়া হয়েছে মাত্র ৫’শটি। আর টিকা নিতে এসেছে হাজারের বেশি মানুষ। টিকার সংখ্যা বাড়ানো গেলে এই সমস্যার সমাধান হবে।