গাইবান্ধা প্রতিনিধি: বাংলাদেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের অপসারণ এবং বাতিল সংক্রান্ত স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফের বক্তব্যের প্রতিবাদে গাইবান্ধার ৮২ টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে। আজ মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে জেলার ৮১টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা শহরের ডিবি রোডের আসাদুজ্জামান মার্কেটের সামনে “গাইবান্ধার সকল চেয়ারম্যান, মেম্বার ও সাধারণ জনগণের ব্যানারে” ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন করে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন খোলহাটি ইউপি চেয়ারম্যান মাসুম হক্কানী, গজারিয়া ইউপি চেয়ারম্যান খোরশেদ আলী খান খুশু, সাঘাটা ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন সুইট, সাহাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান সরকার, বল্লমঝার ইউপি চেয়ারম্যান জুলফিকার আলীসহ অন্যরা। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ন সড়ক প্রদক্ষিন শেষে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা একটি বে-সরকারি টেলিভিশনে স্থানীয় সরকার উপদেষ্টার দেয়া বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, আগামীতে তারা কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক কঠোর কর্মসূচি ঘোষনা করবেন বলে জানান। শেষে বাংলাদেশ সরকারের সব চেয়ে জনপ্রিয় কার্যকর স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ‘ইউনিয়ন পরিষদ’ ভেঙ্গে না দেওয়ার জন্য আবেদনসহ অন্তরবর্তী কালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বরাবর জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: বাংলাদেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের অপসারণ এবং বাতিল সংক্রান্ত স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফের বক্তব্যের প্রতিবাদে গাইবান্ধার ৮২ টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে। আজ মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে জেলার ৮১টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা শহরের ডিবি রোডের আসাদুজ্জামান মার্কেটের সামনে “গাইবান্ধার সকল চেয়ারম্যান, মেম্বার ও সাধারণ জনগণের ব্যানারে” ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন করে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন খোলহাটি ইউপি চেয়ারম্যান মাসুম হক্কানী, গজারিয়া ইউপি চেয়ারম্যান খোরশেদ আলী খান খুশু, সাঘাটা ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন সুইট, সাহাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান সরকার, বল্লমঝার ইউপি চেয়ারম্যান জুলফিকার আলীসহ অন্যরা। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ন সড়ক প্রদক্ষিন শেষে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা একটি বে-সরকারি টেলিভিশনে স্থানীয় সরকার উপদেষ্টার দেয়া বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, আগামীতে তারা কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক কঠোর কর্মসূচি ঘোষনা করবেন বলে জানান। শেষে বাংলাদেশ সরকারের সব চেয়ে জনপ্রিয় কার্যকর স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ‘ইউনিয়ন পরিষদ’ ভেঙ্গে না দেওয়ার জন্য আবেদনসহ অন্তরবর্তী কালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বরাবর জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।