ইজাজুল, উত্তরা প্রতিনিধিঃ রাজধানীর তুরাগ থানার ডিয়াবাড়ি পঞ্চপটি, বউবাজার, ৫ নং ব্রিজ সংলগ্ন বাঁশ বাজার সহ রাজউকের প্লট দখল করে চাঁদাবাজির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এর মধ্যে বহুল আলোচিত ১৮ নং সেক্টরের বউ বাজার। মাসে ২০- ২৫ লক্ষ টাকার চাঁদা উত্তোলন করা হয় এখান থেকে।

জমজমাট বাজার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে অবৈধ বিদ্যুৎ সরবরাহ ও সেই সাথে যত্র-তত্র বৈদ্যুতিক তার দ্বারা প্রতিটি দোকানে বিদ্যুৎ সংযোগে ঝুঁকিতে দোকানীরা। বাজারে অবৈধ ভাবে ওয়াটার পাম্প বসিয়ে সরকারী আইন লঙ্ঘন করে পানি সরবরাহ সহ প্রকাশ্য চাঁদাবাজি চলাচ্ছে একটি চক্র।

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) কর্মকর্তাদের তোয়াক্কা করে না দখলবাজরা। তবে বিভিন্ন সময় রাজউকের নির্বাহী আদেশে এসব অবৈধ বাজার উচ্ছেদ করতে দেখা গেলেও স্থানীয় ঋষিদের কপোটতায় তা আবার শুরু হয়। রাজউকের জায়গায় এই বাজার টি মূলত সাবেক এমপি হাবিব হাসান এর নেতৃত্বে আওমীলীগ নেতা ইব্রাহিম মেম্বার, রুস্তম ও শামসুল হক সর্ব প্রথম ২০১৪ সালে দখল করে বাজার সৃষ্টি করেন।

সরকার পতনের আগে রুস্তমকে এই দখল এর জন্য তুরাগ থানা আটক করলেও রাঘব বোয়ালরা নাগালের বাহিরে।তবে এই এলাকার বাজার পরিচালনায় শ্রমিক লীগ নামধারী নেতা রুস্তম চাঁদা আদায়ের মনোনীত লোক হিসাবে দেখা গেলেও আওয়ামীলীগের সময় অন্তরালের ভিতর থেকে ইব্রাহীম মেম্বর সেল্টার দিত। বর্তমানে জহির এই চাঁদা কালেকশনের দায়িত্ব নিয়েছেন।

বউবাজারের এক ফুচকা দোকানী দি ক্রাইমকে বলেন, ভাই টাকা দেই দোকানদারি করি, এ বাজার দেখভাল করতো আগে রুস্তম ও তার একাধিক সহযোগী এখন বিএনপি নেতারা বাজার চালায়। তুরাগের বিস্তৃর্ণ জায়গা জুড়ে এমন বিভিন্ন পয়েন্টে একই পদ্ধতিতে রাজউকের তৃতীয় পর্ব প্রকল্পে প্লট দখল করে এ চাঁদাবাজি করা হচ্ছে। বছরের পর বছর ধরে বাজার বসিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে এককালীন লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে চক্রটি।

পুরাতন এক দখলদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মাসিক মাসোয়ারা সুবিধা রাজউকের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট ইঞ্জিনিয়ার এর কাছে যায়।

সরকার পতনের আগে রাজনৈতিক মাঠে আওমীলীগের দলীয় কর্মসূচিতে লোক দেখানোর চমক লাগাতে স্থানীয় সাবেক এমপির অনুগত নেতা কর্মীর ৫০০-৬০০ লোকের যোগান হিসাবে এই বাজারের দোকানীরা ভূমিকা রাখত।

বাজারটির এক দোকানীর সাথে কথা বলে জানা যায়, এই অবৈধ বাজারের দোকানীরা ভাংগা গড়ার কবলে পড়ে বছরে একবার, উচ্ছেদ অভিযান হলে ভাংগা হয় আর অভিযান শেষে গড়া হয় এভাবেই চলছে প্রায় ১ যুগ ধরে।

বাজার কমিটি নামক চাঁদা আদায়ের পিশাচরা ব্যাবসার কিছু শর্ত জুড়ে দেবার পাশাপাশি দলীয় কর্মসূচিতে অংশ গ্রহনের বিষয়টি প্রাধান্য দেয় দলীয় পদে থাকা দখলদাররা । বর্তমানে এই প্রক্রিয়ায় বাজারটি দখল করেছে ৫২ নং ওয়ার্ড বিএনপির নেতা কর্মীরা।

বিএনপি নেতা শওকতকে এ বিষয়ে ফোন করার হলে তিনি লাইনম্যান জহিরকে দিয়ে ফোন করান ঐ সাংবাদিককে।

জহির বলেন, “ভাই, শওকত ভাই জড়িত না। আমরা চালাই, আপনি আইসেন চা-টা খাওবোনি”। দখলবাজি থাকবেই এটা ডক্টর ইউনুসও বন্ধ করতে পারবেনা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,গত ৫ আগষ্ঠ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনে আওমীলীগ শাষণ আমলে গড়ে উঠা এই বাজারটি বর্তমানে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মজিবর ও তার ভাই শওকত নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।এভাবেই চলছে তুরাগ এলাকার অস্থায়ী বাজারটি।

এই প্রকল্পে কয়েক মাস আগে প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান দায়িত্বরত ছিলেন। এখানে অবৈধ ভাবে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা বন্ধে ওয়াসাকে ও ডেসকো বরংবার অবৈধ ভাবে বিদ্যূৎ সংযোগ বন্ধের নোটিস করছিলেন রাজউক। পরে বিদ্যূৎ সংযোগ বন্ধ হলে চাঁদা বাজরা বিকল্প হিসাবে জেনারেটর দিয়ে আলোর ব্যবস্থা করেছে।

এ বিষয়ে রাজউকের তৃতীয় পর্ব প্রকল্পের প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম রফিক দি ক্রাইমকে বলেন, আমরা ইতিমধ্যে এই এলাকায় বারংবার অবৈধ বাজার উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। দখলবাঁজদের সাথে আমরা তো মারামারি করতে পারবনা। আমরা অফিসের নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নিবো এবং সামনে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তবে ওয়ার্ড বিএনপির নেতা মজিবর ও তার ভাই শওকত বিষয়টি মানতে নারাজ। সরকারী জমি দখল করে চাঁদাবাজির বিষয় আইনের আওতায় আনতে নতুন প্রস্তাবিত ভূমি আইনে জেল সহ জরিমানার কথা উল্লেখ থাকলেও তার কোন তোয়াক্কা করেনা ভূমি দস্যুরা।

ইজাজুল, উত্তরা প্রতিনিধিঃ রাজধানীর তুরাগ থানার ডিয়াবাড়ি পঞ্চপটি, বউবাজার, ৫ নং ব্রিজ সংলগ্ন বাঁশ বাজার সহ রাজউকের প্লট দখল করে চাঁদাবাজির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এর মধ্যে বহুল আলোচিত ১৮ নং সেক্টরের বউ বাজার। মাসে ২০- ২৫ লক্ষ টাকার চাঁদা উত্তোলন করা হয় এখান থেকে।

জমজমাট বাজার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে অবৈধ বিদ্যুৎ সরবরাহ ও সেই সাথে যত্র-তত্র বৈদ্যুতিক তার দ্বারা প্রতিটি দোকানে বিদ্যুৎ সংযোগে ঝুঁকিতে দোকানীরা। বাজারে অবৈধ ভাবে ওয়াটার পাম্প বসিয়ে সরকারী আইন লঙ্ঘন করে পানি সরবরাহ সহ প্রকাশ্য চাঁদাবাজি চলাচ্ছে একটি চক্র।

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) কর্মকর্তাদের তোয়াক্কা করে না দখলবাজরা। তবে বিভিন্ন সময় রাজউকের নির্বাহী আদেশে এসব অবৈধ বাজার উচ্ছেদ করতে দেখা গেলেও স্থানীয় ঋষিদের কপোটতায় তা আবার শুরু হয়। রাজউকের জায়গায় এই বাজার টি মূলত সাবেক এমপি হাবিব হাসান এর নেতৃত্বে আওমীলীগ নেতা ইব্রাহিম মেম্বার, রুস্তম ও শামসুল হক সর্ব প্রথম ২০১৪ সালে দখল করে বাজার সৃষ্টি করেন।

সরকার পতনের আগে রুস্তমকে এই দখল এর জন্য তুরাগ থানা আটক করলেও রাঘব বোয়ালরা নাগালের বাহিরে।তবে এই এলাকার বাজার পরিচালনায় শ্রমিক লীগ নামধারী নেতা রুস্তম চাঁদা আদায়ের মনোনীত লোক হিসাবে দেখা গেলেও আওয়ামীলীগের সময় অন্তরালের ভিতর থেকে ইব্রাহীম মেম্বর সেল্টার দিত। বর্তমানে জহির এই চাঁদা কালেকশনের দায়িত্ব নিয়েছেন।

বউবাজারের এক ফুচকা দোকানী দি ক্রাইমকে বলেন, ভাই টাকা দেই দোকানদারি করি, এ বাজার দেখভাল করতো আগে রুস্তম ও তার একাধিক সহযোগী এখন বিএনপি নেতারা বাজার চালায়। তুরাগের বিস্তৃর্ণ জায়গা জুড়ে এমন বিভিন্ন পয়েন্টে একই পদ্ধতিতে রাজউকের তৃতীয় পর্ব প্রকল্পে প্লট দখল করে এ চাঁদাবাজি করা হচ্ছে। বছরের পর বছর ধরে বাজার বসিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে এককালীন লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে চক্রটি।

পুরাতন এক দখলদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মাসিক মাসোয়ারা সুবিধা রাজউকের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট ইঞ্জিনিয়ার এর কাছে যায়।

সরকার পতনের আগে রাজনৈতিক মাঠে আওমীলীগের দলীয় কর্মসূচিতে লোক দেখানোর চমক লাগাতে স্থানীয় সাবেক এমপির অনুগত নেতা কর্মীর ৫০০-৬০০ লোকের যোগান হিসাবে এই বাজারের দোকানীরা ভূমিকা রাখত।

বাজারটির এক দোকানীর সাথে কথা বলে জানা যায়, এই অবৈধ বাজারের দোকানীরা ভাংগা গড়ার কবলে পড়ে বছরে একবার, উচ্ছেদ অভিযান হলে ভাংগা হয় আর অভিযান শেষে গড়া হয় এভাবেই চলছে প্রায় ১ যুগ ধরে।

বাজার কমিটি নামক চাঁদা আদায়ের পিশাচরা ব্যাবসার কিছু শর্ত জুড়ে দেবার পাশাপাশি দলীয় কর্মসূচিতে অংশ গ্রহনের বিষয়টি প্রাধান্য দেয় দলীয় পদে থাকা দখলদাররা । বর্তমানে এই প্রক্রিয়ায় বাজারটি দখল করেছে ৫২ নং ওয়ার্ড বিএনপির নেতা কর্মীরা।

বিএনপি নেতা শওকতকে এ বিষয়ে ফোন করার হলে তিনি লাইনম্যান জহিরকে দিয়ে ফোন করান ঐ সাংবাদিককে।

জহির বলেন, “ভাই, শওকত ভাই জড়িত না। আমরা চালাই, আপনি আইসেন চা-টা খাওবোনি”। দখলবাজি থাকবেই এটা ডক্টর ইউনুসও বন্ধ করতে পারবেনা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,গত ৫ আগষ্ঠ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনে আওমীলীগ শাষণ আমলে গড়ে উঠা এই বাজারটি বর্তমানে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মজিবর ও তার ভাই শওকত নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।এভাবেই চলছে তুরাগ এলাকার অস্থায়ী বাজারটি।

এই প্রকল্পে কয়েক মাস আগে প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান দায়িত্বরত ছিলেন। এখানে অবৈধ ভাবে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা বন্ধে ওয়াসাকে ও ডেসকো বরংবার অবৈধ ভাবে বিদ্যূৎ সংযোগ বন্ধের নোটিস করছিলেন রাজউক। পরে বিদ্যূৎ সংযোগ বন্ধ হলে চাঁদা বাজরা বিকল্প হিসাবে জেনারেটর দিয়ে আলোর ব্যবস্থা করেছে।

এ বিষয়ে রাজউকের তৃতীয় পর্ব প্রকল্পের প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম রফিক দি ক্রাইমকে বলেন, আমরা ইতিমধ্যে এই এলাকায় বারংবার অবৈধ বাজার উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। দখলবাঁজদের সাথে আমরা তো মারামারি করতে পারবনা। আমরা অফিসের নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নিবো এবং সামনে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তবে ওয়ার্ড বিএনপির নেতা মজিবর ও তার ভাই শওকত বিষয়টি মানতে নারাজ। সরকারী জমি দখল করে চাঁদাবাজির বিষয় আইনের আওতায় আনতে নতুন প্রস্তাবিত ভূমি আইনে জেল সহ জরিমানার কথা উল্লেখ থাকলেও তার কোন তোয়াক্কা করেনা ভূমি দস্যুরা।