খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: অন্তবরতীকালীন সরকার ড. আলী রিয়াজকে প্রধান করে ৯জন সদস্যের সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠন করেছে। গতকাল সোমবার(৭ই অক্টোবর) অন্তবরতীকালীন সরকার ড. আলী রিয়াজকে প্রধান করে ৯ সদস্যের সংবিধান সংস্কার কমিশন ইতি মধ্যে গঠন করা হয়েছে। এ নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করে তা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। তবে এতে পার্বত্য চট্টগ্রামের কোন পাহাড়ি প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে ইউপিডিএফের কেন্দ্রীয় সদস্য উজ্জ্বল স্মৃতি চাকমা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা দাবি করেছিলাম আমাদের পাহাড়িদের মধ্য থেকে একজনকে কমিশনে রাখা হোক। কিন্তু সরকার আমাদের দাবি উপেক্ষা করেছে। এটা দুঃখজনক।”

তিনি বলেন, “আমরা বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে অনেক লাঞ্ছনা-বঞ্চনা ও অন্যায় অবিচারের শিকার হয়েছি। সংবিধানে আমাদের জাতীয় অস্তিত্বের স্বীকৃতি দেয়া হয়নি। পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আমাদেরকে বাঙালি বানানো হয়েছে। আশা করেছিলাম বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-গণ অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গঠিত এই সরকার আমাদের বিষযগুলো আন্তরিকতার সাথে দেখবে। কিন্তু এই সরকারও আমাদের ব্যাপারে আগের সরকারগুলোর পথে হাঁটছে কী না সে বিষযে জনমনে ধীরে ধীরে
সন্দেহের দানা বাঁধতে শুরু করেছে।”

সংবিধান সংস্কার কমিশনে পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি জাতিসত্তা থেকে কোন প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত না করাকে তিনি বৈষম্যমূলক বলে মনে করেন এবং বলেন, “যেহেতু কমিশনে এখনও নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ ররয়ছে, তাই পাহাড়িদের মধ্য থেকে একজন যোগ্য ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করা হোক।”যেহেতু গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ বহুজাতিক, বহু ভাষিক ও বহু সংস্কৃতির দেশ, তাই সংবিধানে তার যথার্থ প্রতিফলন ঘটাতে হবে এবং সকল জাতিসত্তার আশা-আকাংক্ষার বাস্তব রূপ দিতে হবে বলে ইউপিডিএফ নেতা মন্তব্য করেন। “আর এ কাজটি করতে হলে সংবিধান সংস্কার কমিশনে অবশ্যই পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সমতলের সংখ্যালঘু জাতিগুলোর প্রতিনিধি থাকতে হবে।

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: অন্তবরতীকালীন সরকার ড. আলী রিয়াজকে প্রধান করে ৯জন সদস্যের সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠন করেছে। গতকাল সোমবার(৭ই অক্টোবর) অন্তবরতীকালীন সরকার ড. আলী রিয়াজকে প্রধান করে ৯ সদস্যের সংবিধান সংস্কার কমিশন ইতি মধ্যে গঠন করা হয়েছে। এ নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করে তা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। তবে এতে পার্বত্য চট্টগ্রামের কোন পাহাড়ি প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে ইউপিডিএফের কেন্দ্রীয় সদস্য উজ্জ্বল স্মৃতি চাকমা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা দাবি করেছিলাম আমাদের পাহাড়িদের মধ্য থেকে একজনকে কমিশনে রাখা হোক। কিন্তু সরকার আমাদের দাবি উপেক্ষা করেছে। এটা দুঃখজনক।”

তিনি বলেন, “আমরা বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে অনেক লাঞ্ছনা-বঞ্চনা ও অন্যায় অবিচারের শিকার হয়েছি। সংবিধানে আমাদের জাতীয় অস্তিত্বের স্বীকৃতি দেয়া হয়নি। পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আমাদেরকে বাঙালি বানানো হয়েছে। আশা করেছিলাম বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-গণ অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গঠিত এই সরকার আমাদের বিষযগুলো আন্তরিকতার সাথে দেখবে। কিন্তু এই সরকারও আমাদের ব্যাপারে আগের সরকারগুলোর পথে হাঁটছে কী না সে বিষযে জনমনে ধীরে ধীরে
সন্দেহের দানা বাঁধতে শুরু করেছে।”

সংবিধান সংস্কার কমিশনে পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি জাতিসত্তা থেকে কোন প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত না করাকে তিনি বৈষম্যমূলক বলে মনে করেন এবং বলেন, “যেহেতু কমিশনে এখনও নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ ররয়ছে, তাই পাহাড়িদের মধ্য থেকে একজন যোগ্য ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করা হোক।”যেহেতু গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ বহুজাতিক, বহু ভাষিক ও বহু সংস্কৃতির দেশ, তাই সংবিধানে তার যথার্থ প্রতিফলন ঘটাতে হবে এবং সকল জাতিসত্তার আশা-আকাংক্ষার বাস্তব রূপ দিতে হবে বলে ইউপিডিএফ নেতা মন্তব্য করেন। “আর এ কাজটি করতে হলে সংবিধান সংস্কার কমিশনে অবশ্যই পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সমতলের সংখ্যালঘু জাতিগুলোর প্রতিনিধি থাকতে হবে।