আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন টেলিভিশনের দেয়া এক ভাষণে বলেছেন, মস্কো পূর্ব ইউক্রেনের ডোনেৎস্ক এবং লুহানস্ককে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিয়েছে। দীর্ঘ এক বক্তব্যে পুতিন ইউক্রেনের সম্পর্কে বলেন, এটা যুক্তরাষ্ট্রের কলোনি যা চলছে ‘পুতুল সরকারের’ মাধ্যমে।

তিনি বলেন, ইউক্রেন কোনো দিনই স্বাধীন রাষ্ট্র ছিলো না এবং আধুনিক ইউক্রেন সৃষ্টি হয়েছে রাশিয়ার মাধ্যমে। ইউক্রেনকে ন্যাটোর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার বিষয়টি সরাসরি রাশিয়ার নিরাপত্তার জন্য হুমকি। পুতিনের যুক্তি, ন্যাটো রাশিয়ার নিরাপত্তার বিষয়টি আমলে নেয়নি।

ভাষণ শেষে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন যে রুশপন্থী বিদ্রোহীদের দখলে থাকা অঞ্চলগুলোকে স্বীকৃতি দেবে রাশিয়া। হুঁশিয়ারি করে তিনি বলেন, ইউক্রেনকে বিদ্রোহীদেরকে লক্ষ্য করে গুলি করা বন্ধ করতে হবে, না হলে এর পরিণতি মোকাবেলা করতে হবে।

এর কিছু পরেই বিদ্রোহী অঞ্চলকে স্বীকৃতি দিয়ে তিনি দুটি ডিক্রিতে সই করেন। সেখানে বলা হয়েছে রাশিয়ার সেনাবাহিনী সেখানে ‘শান্তিরক্ষার কাজে নিয়োজিত থাকবে’।

তবে ‘শান্তিরক্ষার কাজে নিয়োজিত’ থাকার অর্থ আসলে কী- সেটি নির্দিষ্ট করে বলেনি রাশিয়া। কিন্তু রাশিয়া এবং ইউক্রেনের বিশ্লেষকরা বলছেন, পুতিন এখন ‘আনুষ্ঠানিকভাবে’ ইউক্রেনের বিদ্রোহী এলাকাতে রুশ সৈন্য পাঠাতে পারবে।

বিবিসির মস্কোর সংবাদদাতা স্টিভ রোসেনবার্গ বলেন, কয়েক বছর আগে যখন রাশিয়া প্রথম পূর্ব ইউক্রেনে সৈন্য সমাবেশ ঘটায় তখন মস্কোই মূলত এই বিদ্রোহী অঞ্চল সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু তাদের স্বাধীনতার ব্যাপারে ভ্লাদিমির পুতিনের এই আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ‘ইতিহাস বদলে দেওয়া একটি মুহূর্ত’।

প্রথমত, এটা মূলত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পাওয়া শান্তি প্রক্রিয়াকে মেরে ফেলা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় পুতিন নিজেও অঙ্গীকারবদ্ধ ছিলেন।

একই সঙ্গে পূর্ব ইউক্রেনে একটা বড় ধরনের সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ার শঙ্কা তৈরি করেছে। আর এই ডিক্রিতে সই করার অর্থ হল এটা পরিষ্কার যে ভ্লাদিমির পুতিন ইতোমধ্যে বিদ্রোহী অধ্যুষিত এসব এলাকায় সৈন্য পাঠাচ্ছে।

স্বাধীন ঘোষিত দুই অঞ্চল ডোনেটস্ক ও লুহানস্কে সেনা পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে রাশিয়া। এমন হঠকারী নির্দেশের ফলে শীঘ্রই বড় কোনো যুদ্ধ বেঁধে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছে পশ্চিমা দেশগুলো।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলোনস্কি বলেছেন, শান্তি চাই। কিন্তু রাশিয়ার হাতে দেশকে তুলে নয়। কূটনৈতিকভাবে সংকটের সমাধান করতে চাই।

এদিকে ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরু করলে রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও বিনিয়োগ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে বলে শাসিয়ে রেখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনও বলেছেন, ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ শুরুর পেছনে অশুভ উদ্দেশ্য কাজ করছে। ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ট্রুস বলেন, রাশিয়ার বিরুদ্ধে আজই নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে যুক্তরাজ্য।

ইউক্রেনে রুশ হামলার নিন্দা জানিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বলেন, ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসন ‘অযৌক্তিক, অগ্রহণযোগ্য ও অযাচিত’। অন্যদিকে এক বিবৃতিতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বলছে, ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ইউরোপকে এগিয়ে আসতে হবে। সুত্র: বিবিসি।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন টেলিভিশনের দেয়া এক ভাষণে বলেছেন, মস্কো পূর্ব ইউক্রেনের ডোনেৎস্ক এবং লুহানস্ককে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিয়েছে। দীর্ঘ এক বক্তব্যে পুতিন ইউক্রেনের সম্পর্কে বলেন, এটা যুক্তরাষ্ট্রের কলোনি যা চলছে ‘পুতুল সরকারের’ মাধ্যমে।

তিনি বলেন, ইউক্রেন কোনো দিনই স্বাধীন রাষ্ট্র ছিলো না এবং আধুনিক ইউক্রেন সৃষ্টি হয়েছে রাশিয়ার মাধ্যমে। ইউক্রেনকে ন্যাটোর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার বিষয়টি সরাসরি রাশিয়ার নিরাপত্তার জন্য হুমকি। পুতিনের যুক্তি, ন্যাটো রাশিয়ার নিরাপত্তার বিষয়টি আমলে নেয়নি।

ভাষণ শেষে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন যে রুশপন্থী বিদ্রোহীদের দখলে থাকা অঞ্চলগুলোকে স্বীকৃতি দেবে রাশিয়া। হুঁশিয়ারি করে তিনি বলেন, ইউক্রেনকে বিদ্রোহীদেরকে লক্ষ্য করে গুলি করা বন্ধ করতে হবে, না হলে এর পরিণতি মোকাবেলা করতে হবে।

এর কিছু পরেই বিদ্রোহী অঞ্চলকে স্বীকৃতি দিয়ে তিনি দুটি ডিক্রিতে সই করেন। সেখানে বলা হয়েছে রাশিয়ার সেনাবাহিনী সেখানে ‘শান্তিরক্ষার কাজে নিয়োজিত থাকবে’।

তবে ‘শান্তিরক্ষার কাজে নিয়োজিত’ থাকার অর্থ আসলে কী- সেটি নির্দিষ্ট করে বলেনি রাশিয়া। কিন্তু রাশিয়া এবং ইউক্রেনের বিশ্লেষকরা বলছেন, পুতিন এখন ‘আনুষ্ঠানিকভাবে’ ইউক্রেনের বিদ্রোহী এলাকাতে রুশ সৈন্য পাঠাতে পারবে।

বিবিসির মস্কোর সংবাদদাতা স্টিভ রোসেনবার্গ বলেন, কয়েক বছর আগে যখন রাশিয়া প্রথম পূর্ব ইউক্রেনে সৈন্য সমাবেশ ঘটায় তখন মস্কোই মূলত এই বিদ্রোহী অঞ্চল সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু তাদের স্বাধীনতার ব্যাপারে ভ্লাদিমির পুতিনের এই আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ‘ইতিহাস বদলে দেওয়া একটি মুহূর্ত’।

প্রথমত, এটা মূলত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পাওয়া শান্তি প্রক্রিয়াকে মেরে ফেলা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় পুতিন নিজেও অঙ্গীকারবদ্ধ ছিলেন।

একই সঙ্গে পূর্ব ইউক্রেনে একটা বড় ধরনের সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ার শঙ্কা তৈরি করেছে। আর এই ডিক্রিতে সই করার অর্থ হল এটা পরিষ্কার যে ভ্লাদিমির পুতিন ইতোমধ্যে বিদ্রোহী অধ্যুষিত এসব এলাকায় সৈন্য পাঠাচ্ছে।

স্বাধীন ঘোষিত দুই অঞ্চল ডোনেটস্ক ও লুহানস্কে সেনা পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে রাশিয়া। এমন হঠকারী নির্দেশের ফলে শীঘ্রই বড় কোনো যুদ্ধ বেঁধে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছে পশ্চিমা দেশগুলো।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলোনস্কি বলেছেন, শান্তি চাই। কিন্তু রাশিয়ার হাতে দেশকে তুলে নয়। কূটনৈতিকভাবে সংকটের সমাধান করতে চাই।

এদিকে ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরু করলে রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও বিনিয়োগ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে বলে শাসিয়ে রেখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনও বলেছেন, ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ শুরুর পেছনে অশুভ উদ্দেশ্য কাজ করছে। ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ট্রুস বলেন, রাশিয়ার বিরুদ্ধে আজই নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে যুক্তরাজ্য।

ইউক্রেনে রুশ হামলার নিন্দা জানিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বলেন, ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসন ‘অযৌক্তিক, অগ্রহণযোগ্য ও অযাচিত’। অন্যদিকে এক বিবৃতিতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বলছে, ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ইউরোপকে এগিয়ে আসতে হবে। সুত্র: বিবিসি।