ইজাজুল, উত্তরা প্রতিনিধিঃ রাজধানীর উত্তরা মেগা সিটি এলাকার ৬ নং সেক্টরের বিভিন্ন রুটে চলছে ডেসকোর সংস্কার কাজ। শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ৬ নং সেক্টরের ১১ নং রোডে মূল সড়কের ১ ফুট অংশ কেটে তার বসাতে দেখা গেছে। সংস্কার কাজ করতে গিয়ে সড়ক খুঁড়ে পাশেই ফেলে রাখা হয়েছে মাটি-বালু।পথচারীরা হাঁটতে পারছে না সড়ক ও ফুটপাত দিয়ে।

সিটি- কর্পোরেশনের মসৃন করা রাস্তা খোঁড়ার বিষয়টা একদিকে যেমন ভোগান্তি অন্যদিকে কাজ শেষে খোঁড়া-খন্দ অংশ যেনতেন করে মাটি ভরাট করে রেখে যাওয়ায় একটু বৃষ্টিতে বালি বা মাটি চেপে গর্তে পরিণত হতে দেখা যাচ্ছে। সিটি কর্পোরেশনের রোড কাটিং নীতিমালা থাকলেও তার স্থানীয়রা তোয়াক্কা করছেনা অভিযোগ উঠেছে ডেসকোর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে।

ডেসকোর রোড কাটিং বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অঞ্চল ১ এর প্রোকৌশলী অফিসার ইশতিয়াক মাহমুদ দি ক্রাইমকে বলেন, ৬ নং সেক্টরে ১১ রোডে কোন রোড কাটিং পার্মিট দেওয়া হয়নি। এবিষয়ে আমি অবগত না। আমি পরিদর্শন করে ব্যাবস্থা নিবো। তবে আশপাশে স্কুল এব্ং কলেজ রয়েছে বেশ কয়েকটি। স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা যাতায়াত করে এই রাস্তায়।

এ প্রতিনিধি উপিস্থিত কালীন স্কুলের ছোট একজন ছাত্রকে সেই গর্তে পরে কাদা মাখিয়ে স্কুল না করেই বাসায় ফিরতে দেখা যায়।

উন্নয়ন প্রকল্প, খোঁড়াখুঁড়ি ও জনভোগান্তি রোধে সড়ক খনন নীতিমালা থাকলেও সেটা উপেক্ষিত। নীতিমালায় জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত খননকাজ পরিহার করার কথা উল্লেখ থাকলেও সেটা মানা হচ্ছে না। এক্ষেত্রে আন্তঃসংস্থাগুলোর সমন্বয় নেই বললেও চলে। সিটি করপোরেশনের কাছে বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা প্রদানের কথা বলা থাকলেও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে তেমন সাড়া পাওয়া যায় না।

জনভোগান্তি কমাতে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এলাকাভিত্তিক কমিউনিটি গ্রুপের সাথে সেবা সংস্থার আলোচনা ও করণীয় নির্ধারণ, সড়ক খনন নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ, নীতিমালা অনুযায়ী ‘ওয়ান স্টপ’ সমন্বয় সেল এবং সিটি করপোরেশনের অঞ্চলভিত্তিক কয়েকটি ‘মনিটরিং সেল’ কার্যকর করা প্রয়োজন।

ইজাজুল, উত্তরা প্রতিনিধিঃ রাজধানীর উত্তরা মেগা সিটি এলাকার ৬ নং সেক্টরের বিভিন্ন রুটে চলছে ডেসকোর সংস্কার কাজ। শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ৬ নং সেক্টরের ১১ নং রোডে মূল সড়কের ১ ফুট অংশ কেটে তার বসাতে দেখা গেছে। সংস্কার কাজ করতে গিয়ে সড়ক খুঁড়ে পাশেই ফেলে রাখা হয়েছে মাটি-বালু।পথচারীরা হাঁটতে পারছে না সড়ক ও ফুটপাত দিয়ে।

সিটি- কর্পোরেশনের মসৃন করা রাস্তা খোঁড়ার বিষয়টা একদিকে যেমন ভোগান্তি অন্যদিকে কাজ শেষে খোঁড়া-খন্দ অংশ যেনতেন করে মাটি ভরাট করে রেখে যাওয়ায় একটু বৃষ্টিতে বালি বা মাটি চেপে গর্তে পরিণত হতে দেখা যাচ্ছে। সিটি কর্পোরেশনের রোড কাটিং নীতিমালা থাকলেও তার স্থানীয়রা তোয়াক্কা করছেনা অভিযোগ উঠেছে ডেসকোর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে।

ডেসকোর রোড কাটিং বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অঞ্চল ১ এর প্রোকৌশলী অফিসার ইশতিয়াক মাহমুদ দি ক্রাইমকে বলেন, ৬ নং সেক্টরে ১১ রোডে কোন রোড কাটিং পার্মিট দেওয়া হয়নি। এবিষয়ে আমি অবগত না। আমি পরিদর্শন করে ব্যাবস্থা নিবো। তবে আশপাশে স্কুল এব্ং কলেজ রয়েছে বেশ কয়েকটি। স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা যাতায়াত করে এই রাস্তায়।

এ প্রতিনিধি উপিস্থিত কালীন স্কুলের ছোট একজন ছাত্রকে সেই গর্তে পরে কাদা মাখিয়ে স্কুল না করেই বাসায় ফিরতে দেখা যায়।

উন্নয়ন প্রকল্প, খোঁড়াখুঁড়ি ও জনভোগান্তি রোধে সড়ক খনন নীতিমালা থাকলেও সেটা উপেক্ষিত। নীতিমালায় জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত খননকাজ পরিহার করার কথা উল্লেখ থাকলেও সেটা মানা হচ্ছে না। এক্ষেত্রে আন্তঃসংস্থাগুলোর সমন্বয় নেই বললেও চলে। সিটি করপোরেশনের কাছে বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা প্রদানের কথা বলা থাকলেও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে তেমন সাড়া পাওয়া যায় না।

জনভোগান্তি কমাতে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এলাকাভিত্তিক কমিউনিটি গ্রুপের সাথে সেবা সংস্থার আলোচনা ও করণীয় নির্ধারণ, সড়ক খনন নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ, নীতিমালা অনুযায়ী ‘ওয়ান স্টপ’ সমন্বয় সেল এবং সিটি করপোরেশনের অঞ্চলভিত্তিক কয়েকটি ‘মনিটরিং সেল’ কার্যকর করা প্রয়োজন।