বনানী (ঢাকা) প্রতিনিধিঃ রাজধানীর মহাখালীতে মোঃ মোহাইমেন ইসলাম সাফায়েত (২১) নামক এক বখাটের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ওয়্যারলেস গেইট বাসী। সে কিশোর গ্যাং-এর সদস্য। মেয়েদের ইভটিজিং, চাঁদাবাজি, প্রতারণা, মাদক সেবনসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ পাড়ার উঠতি বয়সী কিশোরী মেয়েরা এই বখাটের অত্যাচারে ঘর থেকে বের হতে পারে না। যে কারণে দুঃশ্চিন্তায় অভিভাবকরা।

অভিযুক্ত সাফায়েত এর পিতাঃ মোঃ শহিদুল ইসলাম, মাতাঃ শিরিন, বাসাঃ গজনবী রোড, ওয়্যারলেস গেইট, মহাখালী, বনানী, ঢাকা।

সম্প্রতি মোঃ মোহাইমেন ইসলাম সাফায়েত এর বিরুদ্ধে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় অপহরণ চেষ্টা ও বনানী থানায় প্রতারণার অভিযোগে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মোঃ জাকির হোসেন নামক এক ব্যক্তি। অভিযোগে সাফায়েত এর পিতা-মাতাকেও অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

লিখিত অভিযোগে জাকির হোসেন উল্লেখ করেন, পেশাগত কারণে তিনি বনানী থানা এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকেন। তার ছোট বোন সেখানকার একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হইয়াছে। আমাদের ভাড়া বাসার পাশ্ববর্তী বাসিন্দা দুঃচরিত্রবান লম্পট প্রকৃতির আসামী সাফায়েত আমার নাবালিকা ছোট বোনের উপর কুনজর দেয় এবং বিভিন্ন কুপ্রস্তাব দিয়ে বিরক্ত করিতে থাকে। সে আমার বোনকে প্রেম ভালোবাসার নামে ভুল বুঝানোর চেষ্টা করিয়া তাহার ক্ষতি করার চেষ্টা করিতে থাকে। যাহাতে ব্যর্থ হইয়া উক্ত আসামী আমার বোনকে অপহরণের পরিকল্পনা করতে সুযোগ খুঁজিতে থাকে। যাহা বুঝতে পেরে আমার বোনকে গ্রামের বাড়িতে এনে রাখি। কিন্তু আসামী গ্রামের বাড়িতে এসে আমাদের বাসার আশেপাশে ওৎপেতে থাকে। গত ০৮/০৭/২৪ইং আমার বোন সাংসারিক কাজে ঘর থেকে বের হলে আসামী তাকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমার বোনকে উদ্ধার করে আসামীকে ধৃত করি। পরবর্তীতে আসামীর পিতা-মাতা আমাদের বাড়িতে আসিয়া আমাদের মারপিট খুন জখমের ভয়ভীতি দেখিয়ে আসামীকে মুচলেকা দিয়ে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়।

উক্ত ঘটনার পর আমার বোনকে মানসিকভাবে সান্ত্বনা দিয়ে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানিয়ে থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করতে বিলম্ব হলো।

অন্যদিকে সাফায়েত এর বিরুদ্ধে বনানী থানায় আরেকটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বিকাশের দোকানদার শামীম।

তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন, মহাখালী ওয়্যারলেস গেইট কলম্বিয়া মার্কেটের নিচ তলায় আমার বড় ভাই শাহিনের বিকাশের দোকান। আমরা উভয়েই দোকানের মালিক।চলতি মাসের ১৪ আগষ্ট রাত ৭টার দিকে সাফায়েত আমার ভাই শাহীনকে বলে তাহার নগদ মোবাইল নাম্বারে ১০,২০০ টাকা পাঠাতে। টাকা পাঠানোর পর তার নিকট টাকা চাইলে সে বলে বাসা থেকে এনে দিবে। সে বাসায় যায় এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে না এলে আমরা বাসায় গিয়ে পাওনা টাকা চাইলে টাকা না দিয়ে উল্টো তার বাবা আমাদের ভয়-ভীতি ও হুমকি প্রদান করেন বিধায় নিরুপায় হয়ে আমি থানায় অভিযোগ করিতে বাধ্য হলাম।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শামীম দি ক্রাইমকে জানান, তিনি এখনো টাকা ফেরত পাননি। উল্টো তাদের ভয়ভীতি হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। থানা থেকে এখনো কোনো ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ। তারা বলেছে সময় লাগবে।

বনানী (ঢাকা) প্রতিনিধিঃ রাজধানীর মহাখালীতে মোঃ মোহাইমেন ইসলাম সাফায়েত (২১) নামক এক বখাটের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ওয়্যারলেস গেইট বাসী। সে কিশোর গ্যাং-এর সদস্য। মেয়েদের ইভটিজিং, চাঁদাবাজি, প্রতারণা, মাদক সেবনসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ পাড়ার উঠতি বয়সী কিশোরী মেয়েরা এই বখাটের অত্যাচারে ঘর থেকে বের হতে পারে না। যে কারণে দুঃশ্চিন্তায় অভিভাবকরা।

অভিযুক্ত সাফায়েত এর পিতাঃ মোঃ শহিদুল ইসলাম, মাতাঃ শিরিন, বাসাঃ গজনবী রোড, ওয়্যারলেস গেইট, মহাখালী, বনানী, ঢাকা।

সম্প্রতি মোঃ মোহাইমেন ইসলাম সাফায়েত এর বিরুদ্ধে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় অপহরণ চেষ্টা ও বনানী থানায় প্রতারণার অভিযোগে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মোঃ জাকির হোসেন নামক এক ব্যক্তি। অভিযোগে সাফায়েত এর পিতা-মাতাকেও অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

লিখিত অভিযোগে জাকির হোসেন উল্লেখ করেন, পেশাগত কারণে তিনি বনানী থানা এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকেন। তার ছোট বোন সেখানকার একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হইয়াছে। আমাদের ভাড়া বাসার পাশ্ববর্তী বাসিন্দা দুঃচরিত্রবান লম্পট প্রকৃতির আসামী সাফায়েত আমার নাবালিকা ছোট বোনের উপর কুনজর দেয় এবং বিভিন্ন কুপ্রস্তাব দিয়ে বিরক্ত করিতে থাকে। সে আমার বোনকে প্রেম ভালোবাসার নামে ভুল বুঝানোর চেষ্টা করিয়া তাহার ক্ষতি করার চেষ্টা করিতে থাকে। যাহাতে ব্যর্থ হইয়া উক্ত আসামী আমার বোনকে অপহরণের পরিকল্পনা করতে সুযোগ খুঁজিতে থাকে। যাহা বুঝতে পেরে আমার বোনকে গ্রামের বাড়িতে এনে রাখি। কিন্তু আসামী গ্রামের বাড়িতে এসে আমাদের বাসার আশেপাশে ওৎপেতে থাকে। গত ০৮/০৭/২৪ইং আমার বোন সাংসারিক কাজে ঘর থেকে বের হলে আসামী তাকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমার বোনকে উদ্ধার করে আসামীকে ধৃত করি। পরবর্তীতে আসামীর পিতা-মাতা আমাদের বাড়িতে আসিয়া আমাদের মারপিট খুন জখমের ভয়ভীতি দেখিয়ে আসামীকে মুচলেকা দিয়ে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়।

উক্ত ঘটনার পর আমার বোনকে মানসিকভাবে সান্ত্বনা দিয়ে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানিয়ে থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করতে বিলম্ব হলো।

অন্যদিকে সাফায়েত এর বিরুদ্ধে বনানী থানায় আরেকটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বিকাশের দোকানদার শামীম।

তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন, মহাখালী ওয়্যারলেস গেইট কলম্বিয়া মার্কেটের নিচ তলায় আমার বড় ভাই শাহিনের বিকাশের দোকান। আমরা উভয়েই দোকানের মালিক।চলতি মাসের ১৪ আগষ্ট রাত ৭টার দিকে সাফায়েত আমার ভাই শাহীনকে বলে তাহার নগদ মোবাইল নাম্বারে ১০,২০০ টাকা পাঠাতে। টাকা পাঠানোর পর তার নিকট টাকা চাইলে সে বলে বাসা থেকে এনে দিবে। সে বাসায় যায় এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে না এলে আমরা বাসায় গিয়ে পাওনা টাকা চাইলে টাকা না দিয়ে উল্টো তার বাবা আমাদের ভয়-ভীতি ও হুমকি প্রদান করেন বিধায় নিরুপায় হয়ে আমি থানায় অভিযোগ করিতে বাধ্য হলাম।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শামীম দি ক্রাইমকে জানান, তিনি এখনো টাকা ফেরত পাননি। উল্টো তাদের ভয়ভীতি হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। থানা থেকে এখনো কোনো ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ। তারা বলেছে সময় লাগবে।