চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি: মোটরসাইকেলের রং, নাম্বার প্লেট ও চ্যাসিস পরিবর্তন করতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন আন্ত:ডাকাত দলের সদস্য ইফতেখারুল ইসলাম সুজন (২৬)। ওইসময় তার অপর এক সহযোগিকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ডাকাতি হওয়া মোটরসাইকেল ও দামী মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে।

সুজনের বিরুদ্ধে সড়ক ডাকাতি, চিংড়িঘের দখল, জমি দখল, ছিনতাই ও চুরি সহ নানা অপরাধের একাধিক অভিযোগ ও মামলা রয়েছে। সুজন সাবেক সাংসদ জাফর আলমের নিজস্ব ক্যাডার বাহিনীর সদস্য, চকরিয়া উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কাউছার উদ্দিন কছিরের ভাগিনা ও পৌর এলাকার ৬নং ওয়ার্ডের বাবু মিয়ার পুত্র বলে জানা গেছে। গ্রেফতার হওয়া অপর সদস্য আতিক হাসান ডুলাহাজারা কাটাখালী এলাকার আক্তার আলমের ছেলে।

১৩ জুলাই শনিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়া উপজেলা বরইতলী ইউনিয়নের বানিয়ারছড়া এলাকায় ডাকাতির এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, গত ১৩ জুলাই মোটরসাইকেল আরোহী কক্সবাজারের তারাবনিয়ার ছড়া এলাকার বাসিন্দা আবদুল্লাহ আল ইমরান জনি ও তার বন্ধু আমিন রিমন চট্টগ্রাম ও রাঙ্গামাটি ভ্রমণ করতে যায়। ভ্রমণ শেষে কক্সবাজার বাড়ি ফেরার পথে দুইবন্ধু রাত তিনটার দিকে লোহাগড়া উপজেলার চুনতি এলাকার ফোর সিজন রেস্টুরেন্টে যাত্রা বিরতি করে। পরে তারা মোটরসাইকেল নিয়ে চকরিয়া বানিয়ারছড়া এলাকায় পৌঁছলে ডাকাত ইফতেখারুল ইসলাম সুজন ও তার আরও তিন সহযোগি অস্ত্র নিয়ে তাদের পথ গতিরোধ করে। তারা বন্দুকের ভয় দেখালেও দুইবন্ধু মোটরসাইকেল নিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্ঠা করলে লাঠি দিয়ে আঘাত করে। এসময় মাটিতে পড়ে যায় মোটরসাইকেল আরোহী জনি ও রিমন। পরে অস্ত্রের মুখে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের সাথে থাকা জিও প্রো ক্যামেরা, সামস্যাং এস টুয়েন্টিত্রি মডেলের দামি মোবাইল ও সুজুকি জিক্সার এসএফআই মডেলের সাড়ে তিন লাখ টাকা দামের মোটরসাইকেল ও নগদ টাকাসহ ৫ লাখ ১৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।

এঘটনায় ১৪ জুলাই আবদুল্লাহ আল ইমরান জনি চকরিয়া থানায় হাজির হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামী দেখিয়ে একটি এজাহার দেন। এজাহার দেওয়ার পরপরই অভিযানে নামেন পুলিশ। জড়িতদের চিহিৃত ও ধরার জন্য সম্ভাব্য বিভিন্নস্থানে অভিযান পরিচালনা করে। একপর্যায়ে ডাকাত সুজন ও তার সহযোগিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মহসিন চৌধুরী পিপিএম জানান, ১৫ জুলাই সোমবার রাত সাড়ে দশটার দিকে চকরিয়া পৌরশহরের মুবিনুল ইসলামের মালিকাধীন শাহ ওমর পেইন্টার্স নামক গ্যারেজে একটি মোটরসাইকেলের গাড়ির রং, নাম্বার প্লেট পরিবর্তন করার সংবাদ পেয়ে একদল পুলিশ সেখানে অভিযান পরিচালনা করে। ওইসময় লুট হওয়া মোটরসাইকেলসহ ছিনতাইকারী চক্রের দুই সদস্য ইফতেখারুল ইসলাম সুজন ও আতিক হাসানকে আটক করা হয়। তাদেরকে গ্রেফতারের পর চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে। গ্রেফতারকৃতরা ঘটনার সাথে জড়িত রয়েছেন বলে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তীমুলক জবানবন্দী দিয়েছেন। পরে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে সুজন নানা অপরাধ কর্মকান্ডের সাথে জড়িত রয়েছেন। সাবেক সাংসদ জাফর আলম ও তার মামা যুবলীগ নেতা কছিরের ছত্রছায়ায় চিংড়িজোন ও অবৈধ জমি দখলের ঘটনায় নেতৃত্ব দিতেন। তাধের আশ্রয় প্রশ্রয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেন সুজন। সড়ক ডাকাতি, চিংড়িঘের দখল, জমি দখল, ছিনতাই ও চুরি পৌরশহরের প্রতিপক্ষের বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকান্ডে অবৈধ অস্ত্র নিয়ে অগ্রভাগে থাকতেন সুজন। গত বছরের ১৫ আগস্ট চকরিয়া পৌরশহরে মানবতাবিরোধী অপরাধে দন্ডিত জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর গায়েবানা জানাজা ঘিরে সংঘর্ষের সময় মিছিলে অস্ত্রধারীদের সঙ্গে সুজন ছিলেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছেন। সেই মিছিল থেকে করা গুলিতে ফোরকান নামে একজন প্রাণ হারিয়েছেন।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া মোটরসাইকেল সহ মালামাল উদ্ধার করা হয়। তারা ঘটনার সাথে রয়েছেন বলে জবানবন্দি দিয়েছেন। এঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি: মোটরসাইকেলের রং, নাম্বার প্লেট ও চ্যাসিস পরিবর্তন করতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন আন্ত:ডাকাত দলের সদস্য ইফতেখারুল ইসলাম সুজন (২৬)। ওইসময় তার অপর এক সহযোগিকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ডাকাতি হওয়া মোটরসাইকেল ও দামী মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে।

সুজনের বিরুদ্ধে সড়ক ডাকাতি, চিংড়িঘের দখল, জমি দখল, ছিনতাই ও চুরি সহ নানা অপরাধের একাধিক অভিযোগ ও মামলা রয়েছে। সুজন সাবেক সাংসদ জাফর আলমের নিজস্ব ক্যাডার বাহিনীর সদস্য, চকরিয়া উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কাউছার উদ্দিন কছিরের ভাগিনা ও পৌর এলাকার ৬নং ওয়ার্ডের বাবু মিয়ার পুত্র বলে জানা গেছে। গ্রেফতার হওয়া অপর সদস্য আতিক হাসান ডুলাহাজারা কাটাখালী এলাকার আক্তার আলমের ছেলে।

১৩ জুলাই শনিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়া উপজেলা বরইতলী ইউনিয়নের বানিয়ারছড়া এলাকায় ডাকাতির এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, গত ১৩ জুলাই মোটরসাইকেল আরোহী কক্সবাজারের তারাবনিয়ার ছড়া এলাকার বাসিন্দা আবদুল্লাহ আল ইমরান জনি ও তার বন্ধু আমিন রিমন চট্টগ্রাম ও রাঙ্গামাটি ভ্রমণ করতে যায়। ভ্রমণ শেষে কক্সবাজার বাড়ি ফেরার পথে দুইবন্ধু রাত তিনটার দিকে লোহাগড়া উপজেলার চুনতি এলাকার ফোর সিজন রেস্টুরেন্টে যাত্রা বিরতি করে। পরে তারা মোটরসাইকেল নিয়ে চকরিয়া বানিয়ারছড়া এলাকায় পৌঁছলে ডাকাত ইফতেখারুল ইসলাম সুজন ও তার আরও তিন সহযোগি অস্ত্র নিয়ে তাদের পথ গতিরোধ করে। তারা বন্দুকের ভয় দেখালেও দুইবন্ধু মোটরসাইকেল নিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্ঠা করলে লাঠি দিয়ে আঘাত করে। এসময় মাটিতে পড়ে যায় মোটরসাইকেল আরোহী জনি ও রিমন। পরে অস্ত্রের মুখে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের সাথে থাকা জিও প্রো ক্যামেরা, সামস্যাং এস টুয়েন্টিত্রি মডেলের দামি মোবাইল ও সুজুকি জিক্সার এসএফআই মডেলের সাড়ে তিন লাখ টাকা দামের মোটরসাইকেল ও নগদ টাকাসহ ৫ লাখ ১৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।

এঘটনায় ১৪ জুলাই আবদুল্লাহ আল ইমরান জনি চকরিয়া থানায় হাজির হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামী দেখিয়ে একটি এজাহার দেন। এজাহার দেওয়ার পরপরই অভিযানে নামেন পুলিশ। জড়িতদের চিহিৃত ও ধরার জন্য সম্ভাব্য বিভিন্নস্থানে অভিযান পরিচালনা করে। একপর্যায়ে ডাকাত সুজন ও তার সহযোগিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মহসিন চৌধুরী পিপিএম জানান, ১৫ জুলাই সোমবার রাত সাড়ে দশটার দিকে চকরিয়া পৌরশহরের মুবিনুল ইসলামের মালিকাধীন শাহ ওমর পেইন্টার্স নামক গ্যারেজে একটি মোটরসাইকেলের গাড়ির রং, নাম্বার প্লেট পরিবর্তন করার সংবাদ পেয়ে একদল পুলিশ সেখানে অভিযান পরিচালনা করে। ওইসময় লুট হওয়া মোটরসাইকেলসহ ছিনতাইকারী চক্রের দুই সদস্য ইফতেখারুল ইসলাম সুজন ও আতিক হাসানকে আটক করা হয়। তাদেরকে গ্রেফতারের পর চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে। গ্রেফতারকৃতরা ঘটনার সাথে জড়িত রয়েছেন বলে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তীমুলক জবানবন্দী দিয়েছেন। পরে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে সুজন নানা অপরাধ কর্মকান্ডের সাথে জড়িত রয়েছেন। সাবেক সাংসদ জাফর আলম ও তার মামা যুবলীগ নেতা কছিরের ছত্রছায়ায় চিংড়িজোন ও অবৈধ জমি দখলের ঘটনায় নেতৃত্ব দিতেন। তাধের আশ্রয় প্রশ্রয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেন সুজন। সড়ক ডাকাতি, চিংড়িঘের দখল, জমি দখল, ছিনতাই ও চুরি পৌরশহরের প্রতিপক্ষের বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকান্ডে অবৈধ অস্ত্র নিয়ে অগ্রভাগে থাকতেন সুজন। গত বছরের ১৫ আগস্ট চকরিয়া পৌরশহরে মানবতাবিরোধী অপরাধে দন্ডিত জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর গায়েবানা জানাজা ঘিরে সংঘর্ষের সময় মিছিলে অস্ত্রধারীদের সঙ্গে সুজন ছিলেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছেন। সেই মিছিল থেকে করা গুলিতে ফোরকান নামে একজন প্রাণ হারিয়েছেন।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া মোটরসাইকেল সহ মালামাল উদ্ধার করা হয়। তারা ঘটনার সাথে রয়েছেন বলে জবানবন্দি দিয়েছেন। এঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানান তিনি।