লিটন কুতুবী,কুতুবদিয়া প্রতিনিধি: কৃত্রিমভাবে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে পানি চলাচল খালে মাছ ধরার জন্য ক্রস বাঁধে জাল বসিয়ে মাছ ধরে যাচ্ছে। এ সব ক্রস বাঁধের কারণে কুতুবদিয়া দ্বীপের অভ্যন্তরে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে প্রতিনিয়তই। এতে রাস্তা,পুকুর,ফসলি জমি এমনকি নিম্নাঞ্চলের ঘরবাড়ি ডুবে গিয়ে মানুষের ক্ষতি হচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তিন কিলোমিটার পিলট কাটা খালের উপর ১২টি স্থানে ক্রস বাঁধ দিয়েছে। বর্ষা মৌসুমে মুষলধারে বৃষ্টি হলে উপকূলের দক্ষিণ ধুরুং, লেমশীখালী, কৈয়ারবিল, বড়ঘোপ ইউনিয়নের পানি পিলট কাটা খাল হয়ে পানি নিস্কাসনের ব্যবস্থা একমাত্র ক্রসডেম স্লুইস গেইট।

মলমচর এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা ব্যবসায়ী নেজাম উদ্দিন দি ক্রাইমকে জানান, পিলটকাটা খালে কৃত্রিমভাবে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে কিছু সংখ্যক লোক সুবিধা ভোগ করে গেলেও শত শত মানুষ চরম দূর্ভোগে পড়েছে। পিলট কাটা খালে দক্ষিণ ধুরুং এলাকায় ময়নার মার সাঁকো এলাকায়, লেমশীখালী ইউনিয়নের মতির বাপের পাড়া এলাকায়, লেমশীখালী টু কৈয়ারবিল সংযোগ সেতু এলাকায়, কৈয়ারবিল কলস্যাঘোনা, মুবিজকিল্লা এলাকাসহ ১২টি পয়েন্টে ক্রস বাঁধ দিয়ে খালের চলাচল পানি বন্ধকতা করে জাল বসিয়ে মাছ ধরে যাচ্ছে। এদিকে পিলট কাটা খালের পানি নিষ্কাসনের জন্য পানি উন্নয়ন বোডের মলমচর এলাকায় ৫নং স্লুইস গেইট স্থাপন করে এবং পানি নিষ্কাসন কাজে ব্যবহার হয়।

জলাবদ্ধতা দেখে শুক্রবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় স্লুইস গেইট এলাকায় কোন ধরণের জলাবদ্ধতা নেই।

বিন্দাপাড়া এলাকার আবু তালেক দি ক্রাইমকে জানান, কৈয়ারবিল টু লেমশীখালী ইউনিয়ন সংযোগ সেতুর নীচে স্থানীয় এক শ্রেণীর লোক ক্রস বাঁধ দিয়ে জাল বসিয়ে মাছ ধরে যাচ্ছে, এতে বৃষ্টির পানি চলাচলে বন্ধকতা সৃষ্টি করে ব্যাপক এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এমনকি খালে জাল বসানো এলাকায় বিদ্যুৎ লাইট দিয়ে আলোকসজ্জাও করেছে। একটু বাতাস হলে বিদ্যুৎ চ্যুত হয়ে মারাত্নক দূর্ঘটনা ঘটতে পারে।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার জনগণ স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ জানান।

লিটন কুতুবী,কুতুবদিয়া প্রতিনিধি: কৃত্রিমভাবে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে পানি চলাচল খালে মাছ ধরার জন্য ক্রস বাঁধে জাল বসিয়ে মাছ ধরে যাচ্ছে। এ সব ক্রস বাঁধের কারণে কুতুবদিয়া দ্বীপের অভ্যন্তরে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে প্রতিনিয়তই। এতে রাস্তা,পুকুর,ফসলি জমি এমনকি নিম্নাঞ্চলের ঘরবাড়ি ডুবে গিয়ে মানুষের ক্ষতি হচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তিন কিলোমিটার পিলট কাটা খালের উপর ১২টি স্থানে ক্রস বাঁধ দিয়েছে। বর্ষা মৌসুমে মুষলধারে বৃষ্টি হলে উপকূলের দক্ষিণ ধুরুং, লেমশীখালী, কৈয়ারবিল, বড়ঘোপ ইউনিয়নের পানি পিলট কাটা খাল হয়ে পানি নিস্কাসনের ব্যবস্থা একমাত্র ক্রসডেম স্লুইস গেইট।

মলমচর এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা ব্যবসায়ী নেজাম উদ্দিন দি ক্রাইমকে জানান, পিলটকাটা খালে কৃত্রিমভাবে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে কিছু সংখ্যক লোক সুবিধা ভোগ করে গেলেও শত শত মানুষ চরম দূর্ভোগে পড়েছে। পিলট কাটা খালে দক্ষিণ ধুরুং এলাকায় ময়নার মার সাঁকো এলাকায়, লেমশীখালী ইউনিয়নের মতির বাপের পাড়া এলাকায়, লেমশীখালী টু কৈয়ারবিল সংযোগ সেতু এলাকায়, কৈয়ারবিল কলস্যাঘোনা, মুবিজকিল্লা এলাকাসহ ১২টি পয়েন্টে ক্রস বাঁধ দিয়ে খালের চলাচল পানি বন্ধকতা করে জাল বসিয়ে মাছ ধরে যাচ্ছে। এদিকে পিলট কাটা খালের পানি নিষ্কাসনের জন্য পানি উন্নয়ন বোডের মলমচর এলাকায় ৫নং স্লুইস গেইট স্থাপন করে এবং পানি নিষ্কাসন কাজে ব্যবহার হয়।

জলাবদ্ধতা দেখে শুক্রবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় স্লুইস গেইট এলাকায় কোন ধরণের জলাবদ্ধতা নেই।

বিন্দাপাড়া এলাকার আবু তালেক দি ক্রাইমকে জানান, কৈয়ারবিল টু লেমশীখালী ইউনিয়ন সংযোগ সেতুর নীচে স্থানীয় এক শ্রেণীর লোক ক্রস বাঁধ দিয়ে জাল বসিয়ে মাছ ধরে যাচ্ছে, এতে বৃষ্টির পানি চলাচলে বন্ধকতা সৃষ্টি করে ব্যাপক এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এমনকি খালে জাল বসানো এলাকায় বিদ্যুৎ লাইট দিয়ে আলোকসজ্জাও করেছে। একটু বাতাস হলে বিদ্যুৎ চ্যুত হয়ে মারাত্নক দূর্ঘটনা ঘটতে পারে।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার জনগণ স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ জানান।