ফুলবাড়ীয়া প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ার বিষ্ণুরামপুর মির্জাবাড়ী এলাকায় একদল বখাটে এখন রীতিমতো আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের বেপরোয়া কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। চায়ের দোকান, বিভিন্ন সড়কে ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে এসব বখাটে সদস্য ঘোরাঘুরি করে। চায়ের দোকানগুলোয় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আড্ডায় মেতে থাকে তারা। দোকানে বাকি খেয়ে টাকা দেয় না। টাকা চাইলে দোকানিকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে। আর স্কুল-কলেজ ছুটির সময়ও এদের উৎপাতে অস্থির হয়ে ওঠেন সেখানে আগত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

সম্প্রতি এসব বখাটের উৎপাত থেকে রক্ষা পেতে তাদের একজনের বিরুদ্ধে ফুলবাড়ীয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এক ভুক্তভোগী। তবে ওই ভুক্তভোগী নিরাপত্তা জনিত কারণে পত্রিকায় নাম পরিচয় প্রকাশ না করার শর্ত দিয়েছেন।

অভিযুক্ত বখাটে হলেন – মীর্জা মোঃ সাদ্দাম হোসেন (৩৪), পিতা- মাহমুদুল হাসান ওরফে চানু মীর্জা, বিষ্ণুরামপুর মির্জাবাড়ী, ফুলবাড়ীয়া, ময়মনসিংহ। তবে রহস্যজনক কারণে পুলিশ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এখনো ব্যবস্থা নেয়নি।

এ বিষযে ফুলবাড়ীয়া থানার এসআই রফিকুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, অপরাধ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তদন্ত চলছে।

ফুলবাড়ীয়া প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ার বিষ্ণুরামপুর মির্জাবাড়ী এলাকায় একদল বখাটে এখন রীতিমতো আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের বেপরোয়া কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। চায়ের দোকান, বিভিন্ন সড়কে ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে এসব বখাটে সদস্য ঘোরাঘুরি করে। চায়ের দোকানগুলোয় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আড্ডায় মেতে থাকে তারা। দোকানে বাকি খেয়ে টাকা দেয় না। টাকা চাইলে দোকানিকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে। আর স্কুল-কলেজ ছুটির সময়ও এদের উৎপাতে অস্থির হয়ে ওঠেন সেখানে আগত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

সম্প্রতি এসব বখাটের উৎপাত থেকে রক্ষা পেতে তাদের একজনের বিরুদ্ধে ফুলবাড়ীয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এক ভুক্তভোগী। তবে ওই ভুক্তভোগী নিরাপত্তা জনিত কারণে পত্রিকায় নাম পরিচয় প্রকাশ না করার শর্ত দিয়েছেন।

অভিযুক্ত বখাটে হলেন – মীর্জা মোঃ সাদ্দাম হোসেন (৩৪), পিতা- মাহমুদুল হাসান ওরফে চানু মীর্জা, বিষ্ণুরামপুর মির্জাবাড়ী, ফুলবাড়ীয়া, ময়মনসিংহ। তবে রহস্যজনক কারণে পুলিশ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এখনো ব্যবস্থা নেয়নি।

এ বিষযে ফুলবাড়ীয়া থানার এসআই রফিকুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, অপরাধ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তদন্ত চলছে।