স্পোর্টস ডেস্ক: লিসবনে বুধবার উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের অপর ম্যাচে গার্দিওলার ম্যানসিটি ৪-৩-৩ ফর্মেশনে খেলতে নামে স্পোর্টিং সিপির বিপক্ষে। দলের মাঠে পুরো ম্যাচজুড়েই আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে দেখা গেছে ম্যানচেস্টার সিটিকে। ম্যাচশেষে ৫-০ গোলের বিশাল জয় নিয়ে ফিরেছে ম্যানচেস্টার সিটি।

প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষস্থানে থাকা দলটির কাছে পর্তুগিজ ক্লাবটি নিজের মাঠে কোন পাত্তাই পায়নি আজ। নিজ দেশ পর্তুগালের ক্লাবের বিপক্ষেই দুইটি গোল ও একটি গোলে সহায়তা করে সিটির জয়ে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছে বার্নাডো সিলভা।

তবে শুরুতেই গোল পেয়ে যেতে পারতো স্পোর্টিং সিপি। বামপাশ থেকে সারাবিয়ার বাড়ানো বলে রিকার্ডো পা লাগাতে না পারলে তা সরাসরি এডারসনের হাতে চলে যায়। এরপর ম্যাচের ৮ মিনিটে এসে সিটির হয়ে প্রথম গোলটি করেন মাহরেজ। বার্নাডো সিলভার বাড়ানো বলে ফোডেন শট নিলে তা স্পোর্টিং সিপির গোলকিপার ঠেকিয়ে দিলে বল পান কেভিন ডি ব্রুইন। সামনে মাহরেজকে ফাঁকা দেখে ব্রুইন বল বাড়িয়ে দিলে মাহরেজের ডান পায়ের শটে বল সহজেই জালে জড়ায়। রেফারি প্রথমে অফসাইডের বাঁশি দেন। পরে ভিএআরের সহায়তা নিয়ে দেখা যায় সেটি অফসাইড ছিলো না।

সিটির দ্বিতীয় গোলটি আসে বানার্ডো সিলভার পা থেকে। ম্যাচের ১৮ তম মিনিটে কর্নার থেকে আসা বল সিপির ডিফেন্ডার হেড দিলেও তা বক্সের মধ্যে বার্নাডো সিলভার ভলি পজিশন আসে। এরপর তার বাম পায়ে জোরালো শট পোস্টে লেগে জালে জড়ালে দরুণ এক গোলের দেখা পায় সিটি।
ম্যাচের ৩২ মিনিটে তৃতীয় গোলটি আসে ফোডেনের পা থেকে। বক্সের ডান পাশ থেকে মাহরেজের বাড়ানো বল সিপি অধিনায়ক ক্লিয়ার করতে না পারলে পোস্টের একেবারে সামনে থেকে ডান পায়ের সহজ শটেই বল জালে জড়ান ফোডেন।

এরপর ৪৪ মিনিটে স্টার্লিংয়ের পাস থেকে আরো একটা গোলের দেখা পান বার্নাডো সিলভা। এবারো তার বাম পায়ের জোরালো শট সিপি ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে বল জালে জড়ায়। আরো বেশ কয়েকটি সহজ সুযোগ পেলেও ৪-০ তে এগিয়ে থেকেই প্রথমার্ধ শেষ করে গার্দিওলার দল। প্রথমার্ধে স্পোর্টিং সিপিও বেশ কয়েকটি সুযোগ পায়। কিন্তু ম্যানসিটির ডিফেন্স ভেদ করে সেগুলো আর জালে জড়াতে পারেনি তারা।

দ্বিতীয়ার্ধেও শুরু থেকেই সিপিকে চাপের ওপর রাখে ম্যানসিটি। ৫০ মিনিটে বার্নাডো সিলভার হেড থেকে আরো একটি বল জালে জড়ালেও তা অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। এরপর ম্যাচের ৫৮ মিনিটে বার্নার্ডো সিলভার সহয়তায় দারুণ এক গোলে সিটিকে ৫-০ ব্যবধানে নিয়ে যান স্টার্লিং। বার্নাডো সিলভার বাড়ানো বল পেয়ে বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জোড়ালো শট নেন স্টার্লিং। পোস্টের একবারে কর্ণার দিয়ে জালে জড়ানো বল সিপি গোলকিপার আদানের নাগালের বাইরে ছিলো।

এরপর দুদলই বেশ কিছু সুযোগ পেলেও আর কোন গোল হয়নি। বল দখলের লড়াইয়ের ম্যানসিটির ৬৩ শতাংশের বিপরীতে সিপির ৩৭ শতাংস। সিটি শট নিতে পেরেছে ১৫ টি, যার ছয়টিই ছিলো পোস্টে। অন্যদিকে স্পোর্টিং সিপি শট নিয়েছে মাত্র তিনটি। এদিন লিসবনে আথিথেয়তা পেয়েও খেলার সবদিক থেকে বেশ এগিয়েই ছিল গার্দিওলার দল।

স্টার্লিংয়ের গোলের মাধ্যমে ১৪ তম দল হিসেবে সিটি চ্যাম্পিয়নস লিগে তাদের ৯৭ তম ম্যাচে ২০০ গোল পূরণ করে। সিটিএ রেকর্ড করতে বাকি ১৩ টি দলের থেকে সবচেয়ে কম ম্যাচ খেলেছে ।

স্পোর্টস ডেস্ক: লিসবনে বুধবার উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের অপর ম্যাচে গার্দিওলার ম্যানসিটি ৪-৩-৩ ফর্মেশনে খেলতে নামে স্পোর্টিং সিপির বিপক্ষে। দলের মাঠে পুরো ম্যাচজুড়েই আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে দেখা গেছে ম্যানচেস্টার সিটিকে। ম্যাচশেষে ৫-০ গোলের বিশাল জয় নিয়ে ফিরেছে ম্যানচেস্টার সিটি।

প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষস্থানে থাকা দলটির কাছে পর্তুগিজ ক্লাবটি নিজের মাঠে কোন পাত্তাই পায়নি আজ। নিজ দেশ পর্তুগালের ক্লাবের বিপক্ষেই দুইটি গোল ও একটি গোলে সহায়তা করে সিটির জয়ে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছে বার্নাডো সিলভা।

তবে শুরুতেই গোল পেয়ে যেতে পারতো স্পোর্টিং সিপি। বামপাশ থেকে সারাবিয়ার বাড়ানো বলে রিকার্ডো পা লাগাতে না পারলে তা সরাসরি এডারসনের হাতে চলে যায়। এরপর ম্যাচের ৮ মিনিটে এসে সিটির হয়ে প্রথম গোলটি করেন মাহরেজ। বার্নাডো সিলভার বাড়ানো বলে ফোডেন শট নিলে তা স্পোর্টিং সিপির গোলকিপার ঠেকিয়ে দিলে বল পান কেভিন ডি ব্রুইন। সামনে মাহরেজকে ফাঁকা দেখে ব্রুইন বল বাড়িয়ে দিলে মাহরেজের ডান পায়ের শটে বল সহজেই জালে জড়ায়। রেফারি প্রথমে অফসাইডের বাঁশি দেন। পরে ভিএআরের সহায়তা নিয়ে দেখা যায় সেটি অফসাইড ছিলো না।

সিটির দ্বিতীয় গোলটি আসে বানার্ডো সিলভার পা থেকে। ম্যাচের ১৮ তম মিনিটে কর্নার থেকে আসা বল সিপির ডিফেন্ডার হেড দিলেও তা বক্সের মধ্যে বার্নাডো সিলভার ভলি পজিশন আসে। এরপর তার বাম পায়ে জোরালো শট পোস্টে লেগে জালে জড়ালে দরুণ এক গোলের দেখা পায় সিটি।
ম্যাচের ৩২ মিনিটে তৃতীয় গোলটি আসে ফোডেনের পা থেকে। বক্সের ডান পাশ থেকে মাহরেজের বাড়ানো বল সিপি অধিনায়ক ক্লিয়ার করতে না পারলে পোস্টের একেবারে সামনে থেকে ডান পায়ের সহজ শটেই বল জালে জড়ান ফোডেন।

এরপর ৪৪ মিনিটে স্টার্লিংয়ের পাস থেকে আরো একটা গোলের দেখা পান বার্নাডো সিলভা। এবারো তার বাম পায়ের জোরালো শট সিপি ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে বল জালে জড়ায়। আরো বেশ কয়েকটি সহজ সুযোগ পেলেও ৪-০ তে এগিয়ে থেকেই প্রথমার্ধ শেষ করে গার্দিওলার দল। প্রথমার্ধে স্পোর্টিং সিপিও বেশ কয়েকটি সুযোগ পায়। কিন্তু ম্যানসিটির ডিফেন্স ভেদ করে সেগুলো আর জালে জড়াতে পারেনি তারা।

দ্বিতীয়ার্ধেও শুরু থেকেই সিপিকে চাপের ওপর রাখে ম্যানসিটি। ৫০ মিনিটে বার্নাডো সিলভার হেড থেকে আরো একটি বল জালে জড়ালেও তা অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। এরপর ম্যাচের ৫৮ মিনিটে বার্নার্ডো সিলভার সহয়তায় দারুণ এক গোলে সিটিকে ৫-০ ব্যবধানে নিয়ে যান স্টার্লিং। বার্নাডো সিলভার বাড়ানো বল পেয়ে বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জোড়ালো শট নেন স্টার্লিং। পোস্টের একবারে কর্ণার দিয়ে জালে জড়ানো বল সিপি গোলকিপার আদানের নাগালের বাইরে ছিলো।

এরপর দুদলই বেশ কিছু সুযোগ পেলেও আর কোন গোল হয়নি। বল দখলের লড়াইয়ের ম্যানসিটির ৬৩ শতাংশের বিপরীতে সিপির ৩৭ শতাংস। সিটি শট নিতে পেরেছে ১৫ টি, যার ছয়টিই ছিলো পোস্টে। অন্যদিকে স্পোর্টিং সিপি শট নিয়েছে মাত্র তিনটি। এদিন লিসবনে আথিথেয়তা পেয়েও খেলার সবদিক থেকে বেশ এগিয়েই ছিল গার্দিওলার দল।

স্টার্লিংয়ের গোলের মাধ্যমে ১৪ তম দল হিসেবে সিটি চ্যাম্পিয়নস লিগে তাদের ৯৭ তম ম্যাচে ২০০ গোল পূরণ করে। সিটিএ রেকর্ড করতে বাকি ১৩ টি দলের থেকে সবচেয়ে কম ম্যাচ খেলেছে ।