খাগড়াছড়ি জেলা প্রতিনিধিঃ পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের রাবার বাগান ব্যবস্থাপনা ইউনিটের দীঘিনালায় মেরুং এ কোটি টাকার জমি বেদখল হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় লোকজন যে যার ইচ্ছা মতো স্থাপনা নির্মাণ করে বসবাস ও ব্যবসা বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে।
মেরুং-এ একসময় জমজমাট ছিল বোর্ডের এই শাখা অফিসটি। দীর্ঘ ২০ বছরের অধিক সময় যাবত অফিসের কাজের প্রয়োজন না থাকায় ব্যবহৃত হচ্ছে না এটি।
এই সুযোগে ৩ পরিবার তিনটি কোয়াটারে অবস্থান নেয়। অপর আরেকটি পরিবার টিন দিয়ে ঘর তুলে বসবাস করছে। এদের মধ্যে একজন উপজেলা যুবলীগের অর্থ সম্পাদক আব্দুর রহমান কোয়াটার দখলের পাশাপাশি বিশাল একটি টিনশেড গোডাউন নির্মাণ করে কাঠ ও ঝারুর ফুলের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।অপর তিনজনের মধ্যে দীঘিনালা মেরুং উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক শাহজালাল মাস্টার,ব্যবসায়ী রিয়াদ হোসেন ও ভিডিপি সদস্য আবুল হোসেন।
ব্যবসায়িক রহমান দি ক্রাইমকে জানান, “জায়গাটি কয়েক বছর যাবত পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। অফিসের লোকজনের সাথে কথা বলে কিছু সংস্কার করে আমি ১৫ বছর যাবত এখানে অবস্থান করছি। এখন অফিস কর্তৃপক্ষ যখন বলবে, তখন আমি ছেড়ে দিব। এবং ব্যবসার প্রয়োজনে আমি এই গোডাউনে হিসেবে এর ঘর নির্মাণ করেছি এটিও তুলে নিয়ে যাব”।
বাসিন্দা আবুল হোসেন দি ক্রাইমকে বলেন,” আমার অনত্র থাকার মত কোন জায়গা জমি নাই তাই বাধ্য হয়ে অফিসের লোকজনের সাথে কথা বলে ১৬ বছর যাবত এখানে ঘর তুলে বাস করছি। অফিস বললে আমিও চলে যাব”।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে,”পার্বত্য চট্টগ্রাম রাবার বাগান ব্যবস্থাপনা ইউনিটের ভারপ্রাপ্ত জেনারেল ম্যানেজার পিন্টু চাকমা দি ক্রাইমকে বলেন, “দীঘিনালা মেরুং এ আমাদের অফিসটি ১ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত।এটির যাবতীয় রেকর্ডীয় কাগজপত্র সব আছে। তবে, বহিরাগত কয়েক পরিবার এখানে অবস্থান করছে।খুব শীঘ্রই তাদের সরানোর প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হবে। কারণ জমিটি কোটি টাকার মূল্যের ও উন্নয়ন বোর্ডের সম্পদ “।




