চকরিয়া অফিস : কক্সবাজারের চকরিয়ায় দ্বিধাবিভক্ত আওয়ামী লীগের আলাদাভাবে ৭৫ বর্ষপূর্তী অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। এদের মধ্যে মিহাজ উদ্দিন নামে একজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। মিনহাজ চিরিঙ্গা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড পালাকাটার বাসিন্দা নেজাম উদ্দিনের ছেলে।আজ রবিবার (২৩ জুন ) বিকাল চারটার দিকে এঘটনা ঘটে।

এদিকে প্রতক্ষদর্শীরা জানান, ২৩ জুন আওয়ামী লীগের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাবেক এমপি জাফর আলম ও উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদীর নেতৃত্বে পৃথক দুটি শোডাউন করে। জাফরের নেতৃত্বাধীন শোডাউন করে চকরিয়া থানার রাস্তার মাথা এলাকায়। সাঈদীর নেতৃত্বাধীন শোডাউনের আয়োজন করেন চিরিঙ্গা সড়ক জনপদ বিভাগের ডাক বাংলোর সামনে। বিকাল চারটার দিকে দুই গ্রুপের দু’টি র‌্যালী হাজার হাজার নেতাকর্মী নিয়ে চকরিয়া পৌরশহরে যাত্রা শুরু করে। হঠাৎ করে র‌্যালী দুটি চিরিঙ্গা প্রধান সড়কে প্রদক্ষিণ করার সময় মুখোমুখি হয়। এতে উভয় পক্ষের চরম উত্তেজনা দেখা দেয়।

তাৎক্ষণিক চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে পুলিশ দল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্ঠা করেন। ওইসময় জাফরের ১০-১২জন অনুসারী উত্তেজিতে সাঈদী সমর্থিত র‌্যালীতে হামলা করে। এসময় ১০-১২টি প্লাষ্টিক চেয়ার ভাঙচুর করে। পরে পুলিশ ও সিনিয়র নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন। র‌্যালী শেষে যাওয়ার পথে উপজেলা চেয়ারম্যানের অনুসারী মিনহাজ উদ্দিনের উপর হামলা করে জাফর সমর্থিতরা। পরে তাকে উদ্ধার করে চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে চকরিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী বলেন, আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্টাবার্ষিকী উপলক্ষে সাবেক এমপি জাফর আলমের নেতৃত্বে চকরিয়া সিস্টেম কমপ্লেক্সের সামনে এক সভার আয়োজন করা হয়। একইভাবে সড়ক ও জনপদ বিভাগের ডাক বাংলো এলাকায় র‌্যালীর প্রস্তুতি নিচ্ছিল আমাদের নেতাকর্মীরা। এসময় জাফর আলমের নেতৃত্বে র‌্যালী থেকে একদল সন্ত্রাসী অতর্কিত হামলা চালিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মারধর করে। একপর্যায়ে তারা সভাস্থলের চেয়ার ভাংচুর করে। সাবেক এমপি জাফর আলমের রাজনীতি সন্ত্রাসী নির্ভর। প্রতিষ্টা বার্ষিকীর র‌্যালিতে এভাবে ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনা প্রমান করে তাকে জনগণ কেন প্রত্যাখান করেছে।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পৃথক দুটি র‌্যালী বের করা হয়। একইসময়ে হওয়ায় দলী নেতাকর্মীদের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিলো। পরবর্তীতে আমরা সহ সিনিয়র নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, জাফর আলম দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অবঃ) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম এর কাছে হেরে যান। পরে ষষ্ট উপজেলা নির্বাচনের আবারো তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হলে তাতেও তিনি ফজলুল করিম সাঈদীর কাছে হেরে যান।

এছাড়া সংসদ নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে বিরুপ মন্তব্য করায় জেলা আওয়ামী লীগ জাফর আলমকে সভাপতি পদ থেকে সাময়িক অব্যাহতি প্রদান করেন।

চকরিয়া অফিস : কক্সবাজারের চকরিয়ায় দ্বিধাবিভক্ত আওয়ামী লীগের আলাদাভাবে ৭৫ বর্ষপূর্তী অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। এদের মধ্যে মিহাজ উদ্দিন নামে একজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। মিনহাজ চিরিঙ্গা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড পালাকাটার বাসিন্দা নেজাম উদ্দিনের ছেলে।আজ রবিবার (২৩ জুন ) বিকাল চারটার দিকে এঘটনা ঘটে।

এদিকে প্রতক্ষদর্শীরা জানান, ২৩ জুন আওয়ামী লীগের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাবেক এমপি জাফর আলম ও উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদীর নেতৃত্বে পৃথক দুটি শোডাউন করে। জাফরের নেতৃত্বাধীন শোডাউন করে চকরিয়া থানার রাস্তার মাথা এলাকায়। সাঈদীর নেতৃত্বাধীন শোডাউনের আয়োজন করেন চিরিঙ্গা সড়ক জনপদ বিভাগের ডাক বাংলোর সামনে। বিকাল চারটার দিকে দুই গ্রুপের দু’টি র‌্যালী হাজার হাজার নেতাকর্মী নিয়ে চকরিয়া পৌরশহরে যাত্রা শুরু করে। হঠাৎ করে র‌্যালী দুটি চিরিঙ্গা প্রধান সড়কে প্রদক্ষিণ করার সময় মুখোমুখি হয়। এতে উভয় পক্ষের চরম উত্তেজনা দেখা দেয়।

তাৎক্ষণিক চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে পুলিশ দল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্ঠা করেন। ওইসময় জাফরের ১০-১২জন অনুসারী উত্তেজিতে সাঈদী সমর্থিত র‌্যালীতে হামলা করে। এসময় ১০-১২টি প্লাষ্টিক চেয়ার ভাঙচুর করে। পরে পুলিশ ও সিনিয়র নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন। র‌্যালী শেষে যাওয়ার পথে উপজেলা চেয়ারম্যানের অনুসারী মিনহাজ উদ্দিনের উপর হামলা করে জাফর সমর্থিতরা। পরে তাকে উদ্ধার করে চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে চকরিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী বলেন, আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্টাবার্ষিকী উপলক্ষে সাবেক এমপি জাফর আলমের নেতৃত্বে চকরিয়া সিস্টেম কমপ্লেক্সের সামনে এক সভার আয়োজন করা হয়। একইভাবে সড়ক ও জনপদ বিভাগের ডাক বাংলো এলাকায় র‌্যালীর প্রস্তুতি নিচ্ছিল আমাদের নেতাকর্মীরা। এসময় জাফর আলমের নেতৃত্বে র‌্যালী থেকে একদল সন্ত্রাসী অতর্কিত হামলা চালিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মারধর করে। একপর্যায়ে তারা সভাস্থলের চেয়ার ভাংচুর করে। সাবেক এমপি জাফর আলমের রাজনীতি সন্ত্রাসী নির্ভর। প্রতিষ্টা বার্ষিকীর র‌্যালিতে এভাবে ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনা প্রমান করে তাকে জনগণ কেন প্রত্যাখান করেছে।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পৃথক দুটি র‌্যালী বের করা হয়। একইসময়ে হওয়ায় দলী নেতাকর্মীদের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিলো। পরবর্তীতে আমরা সহ সিনিয়র নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, জাফর আলম দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অবঃ) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম এর কাছে হেরে যান। পরে ষষ্ট উপজেলা নির্বাচনের আবারো তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হলে তাতেও তিনি ফজলুল করিম সাঈদীর কাছে হেরে যান।

এছাড়া সংসদ নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে বিরুপ মন্তব্য করায় জেলা আওয়ামী লীগ জাফর আলমকে সভাপতি পদ থেকে সাময়িক অব্যাহতি প্রদান করেন।