মাহবুবুর রহমান: বসন্ত এসে গেছে। ফাগুনের সঙ্গে হাত ধরাধরি করে এসেছে ঋতুরাজ। আজ বসন্তের প্রথম দিন। প্রতিবারের মতোই রাঙিয়ে দিতে এসেছে ফাগুন। শূন্য হৃদয় ভরিয়ে দিতে এসেছে।

ষড়ঋতুর বাংলাদেশ প্রতি দুই মাস অন্তর রূপ পরিবর্তন করে। শুরু হয় গ্রীষ্ম দিয়ে। বসন্ত দিয়ে শেষ। বিপুল ঐশ্বর্যের অধিকারী এই বসন্ত। বৃক্ষের নবীন পাতায় আলোর নাচন। ফুলে ফুলে বাগান ভরে উঠেছে। মৌমাছির গুঞ্জন। কোকিলের কুহুতান। সব, সবই বসন্তকে আবাহন করছে। জানিয়ে দিচ্ছে- আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে।

ফাগুনের এই ক্ষণে বিবর্ণ প্রকৃতি জেগে উঠেছে নতুন করে। সেই বর্ণনা দিতে গিয়ে হয়তো উচ্ছ্বসিত কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায় বলেছিলেন- ফুল ফুটুক না ফুটুক/ আজ বসন্ত…।

মনের গহীন কোণে অতি সূক্ষ্ম যে চাঞ্চল্য, সে তো কেবল বসন্তই জাগাতে পারে! প্রিয়জনের স্পর্শ নিয়ে বাঁচার সুখেরই নাম বসন্ত। বুক ধুঁকপুক, সেই শিহরণ জাগানিয়া ফাগুন এসেছে।

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের কথায়, ‘ফুলের বনে যার পাশে যাই তারেই লাগে ভাল।’ হ্যাঁ, বসন্ত এমনই। সারাবছর বলতে না পারা মনের গোপন কথাটিও ফাগুনের প্রথম দিনে প্রিয়জনকে যায় বলে দেওয়া । ভাললাগা ভালবাসার সৌরভ ছড়ানো ছাড়াও মিলনের বার্তা দেয় বসন্ত।

বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিম গেয়েছিলেন, ‘বসন্ত বাতাসে সই গো/বসন্ত বাতাসে/বন্ধুর বাড়ির ফুলের গন্ধ আমার বাড়ি আসে…।’

এভাবে বসন্ত আর ভালবাসা মিলেমিশে আজ একাকার। বসন্তের আগমনে মন উচাটন। এ যেন পুরনো বেদনা, হারিয়ে যাওয়া স্মৃতি ভালবেসে এর পেছনে ছোটারই প্ররোচনা। এমন ঋতু শুরুর দিনটি তাই সবার কাছেই মধুর। আজ সর্বত্রই বসন্ত বরণ উৎসবের আয়োজন। প্রিয় ঋতুকে বর্ণাঢ্য আনুষ্ঠানিকতায় বরণ করছেন বাঙালীরা। দিনের আলো বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজধানী ঢাকার অলিগলি রাজপথে ভিড় বাড়ছে। যেন রঙিন হয়ে উঠছে চারপাশ। সকাল হতেই বাসন্তি রং শাড়ি পরে বেরিয়ে পড়েছে তরুণীরা। ছোট্ট মেয়েটিও খোঁপায় জড়িয়ে নিয়েছে গাঁদা ফুল। ছেলেরা পড়েছে রঙীন পোষাক।

চট্টগ্রামে ভালোবাসায় আগলে রাখা বসন্ত: 
‘ভালোবেসে সখী, নিভৃতে যতনে আমার নামটি লিখো, তোমার মনের মন্দিরে’ সুরে তাল মিলিয়ে নতুন প্রাণে নতুন রঙ্গে তরুণ তরুণীরা ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ করার অন্যতম সেরাদিনে একত্রিত হতে থাকে বসন্তের রঙ্গে রাঙ্গিয়ে নতুন রঙ্গে নিজেদের আলোকিত করতে। বয়সের ছোঁয়া বা বিবাহিত অবিবাহিত কোন কিছুই ধমিয়ে রাখতে পারেনা ভালোবাসাকে। তাইতো নানান বয়সের তরুণ তরুণীরা ছাড়াও বিবাহিত দম্পতিরাও ও ইটপাথরের জীবন কে কিছুটা সময় ঝেড়ে ফেলার জন্য সকাল থেকেই ছুটে চলতে থাকে নিজেকে বসন্তের রঙ্গে রাঙ্গিয়ে ভালোবাসাপূর্ণ কিছু সময় কাটাতে। এ যেন প্রকৃতি আর ভালোবাসার অপরুপ যুগলবন্দি।

নগরীর সিআরবি শিরীষতলায় প্রমা আবৃত্তি সংগঠন আয়োজিত প্রমা বসন্তবরণ উৎসবে ছুটে আসা তেমনই এক বিবাহিত দম্পতি আয়েশা-রিপন এর ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশের দেখা মিলেছে। এ যেন বলছে “ভালোবাসাকে আগলিয়ে রাখতে হয় যতনে, কারণ ভালোবাসা কোন বয়স বা সময়ের শিকলে বাধা কোন বস্তু নয়। মরিচা ধরা ভালোবাসা গুলোও যতনে রাখলে বসন্তের প্রকৃতির মত রাঙ্গিয়ে নেওয়া যায়।”

শিল্পকলা একাডেমি চট্টগ্রাম, সিআরবি শিরিষতলা, ডিসি হিল চত্ত্বর সহ নগরীর প্রত্যেকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

মাহবুবুর রহমান: বসন্ত এসে গেছে। ফাগুনের সঙ্গে হাত ধরাধরি করে এসেছে ঋতুরাজ। আজ বসন্তের প্রথম দিন। প্রতিবারের মতোই রাঙিয়ে দিতে এসেছে ফাগুন। শূন্য হৃদয় ভরিয়ে দিতে এসেছে।

ষড়ঋতুর বাংলাদেশ প্রতি দুই মাস অন্তর রূপ পরিবর্তন করে। শুরু হয় গ্রীষ্ম দিয়ে। বসন্ত দিয়ে শেষ। বিপুল ঐশ্বর্যের অধিকারী এই বসন্ত। বৃক্ষের নবীন পাতায় আলোর নাচন। ফুলে ফুলে বাগান ভরে উঠেছে। মৌমাছির গুঞ্জন। কোকিলের কুহুতান। সব, সবই বসন্তকে আবাহন করছে। জানিয়ে দিচ্ছে- আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে।

ফাগুনের এই ক্ষণে বিবর্ণ প্রকৃতি জেগে উঠেছে নতুন করে। সেই বর্ণনা দিতে গিয়ে হয়তো উচ্ছ্বসিত কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায় বলেছিলেন- ফুল ফুটুক না ফুটুক/ আজ বসন্ত…।

মনের গহীন কোণে অতি সূক্ষ্ম যে চাঞ্চল্য, সে তো কেবল বসন্তই জাগাতে পারে! প্রিয়জনের স্পর্শ নিয়ে বাঁচার সুখেরই নাম বসন্ত। বুক ধুঁকপুক, সেই শিহরণ জাগানিয়া ফাগুন এসেছে।

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের কথায়, ‘ফুলের বনে যার পাশে যাই তারেই লাগে ভাল।’ হ্যাঁ, বসন্ত এমনই। সারাবছর বলতে না পারা মনের গোপন কথাটিও ফাগুনের প্রথম দিনে প্রিয়জনকে যায় বলে দেওয়া । ভাললাগা ভালবাসার সৌরভ ছড়ানো ছাড়াও মিলনের বার্তা দেয় বসন্ত।

বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিম গেয়েছিলেন, ‘বসন্ত বাতাসে সই গো/বসন্ত বাতাসে/বন্ধুর বাড়ির ফুলের গন্ধ আমার বাড়ি আসে…।’

এভাবে বসন্ত আর ভালবাসা মিলেমিশে আজ একাকার। বসন্তের আগমনে মন উচাটন। এ যেন পুরনো বেদনা, হারিয়ে যাওয়া স্মৃতি ভালবেসে এর পেছনে ছোটারই প্ররোচনা। এমন ঋতু শুরুর দিনটি তাই সবার কাছেই মধুর। আজ সর্বত্রই বসন্ত বরণ উৎসবের আয়োজন। প্রিয় ঋতুকে বর্ণাঢ্য আনুষ্ঠানিকতায় বরণ করছেন বাঙালীরা। দিনের আলো বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজধানী ঢাকার অলিগলি রাজপথে ভিড় বাড়ছে। যেন রঙিন হয়ে উঠছে চারপাশ। সকাল হতেই বাসন্তি রং শাড়ি পরে বেরিয়ে পড়েছে তরুণীরা। ছোট্ট মেয়েটিও খোঁপায় জড়িয়ে নিয়েছে গাঁদা ফুল। ছেলেরা পড়েছে রঙীন পোষাক।

চট্টগ্রামে ভালোবাসায় আগলে রাখা বসন্ত: 
‘ভালোবেসে সখী, নিভৃতে যতনে আমার নামটি লিখো, তোমার মনের মন্দিরে’ সুরে তাল মিলিয়ে নতুন প্রাণে নতুন রঙ্গে তরুণ তরুণীরা ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ করার অন্যতম সেরাদিনে একত্রিত হতে থাকে বসন্তের রঙ্গে রাঙ্গিয়ে নতুন রঙ্গে নিজেদের আলোকিত করতে। বয়সের ছোঁয়া বা বিবাহিত অবিবাহিত কোন কিছুই ধমিয়ে রাখতে পারেনা ভালোবাসাকে। তাইতো নানান বয়সের তরুণ তরুণীরা ছাড়াও বিবাহিত দম্পতিরাও ও ইটপাথরের জীবন কে কিছুটা সময় ঝেড়ে ফেলার জন্য সকাল থেকেই ছুটে চলতে থাকে নিজেকে বসন্তের রঙ্গে রাঙ্গিয়ে ভালোবাসাপূর্ণ কিছু সময় কাটাতে। এ যেন প্রকৃতি আর ভালোবাসার অপরুপ যুগলবন্দি।

নগরীর সিআরবি শিরীষতলায় প্রমা আবৃত্তি সংগঠন আয়োজিত প্রমা বসন্তবরণ উৎসবে ছুটে আসা তেমনই এক বিবাহিত দম্পতি আয়েশা-রিপন এর ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশের দেখা মিলেছে। এ যেন বলছে “ভালোবাসাকে আগলিয়ে রাখতে হয় যতনে, কারণ ভালোবাসা কোন বয়স বা সময়ের শিকলে বাধা কোন বস্তু নয়। মরিচা ধরা ভালোবাসা গুলোও যতনে রাখলে বসন্তের প্রকৃতির মত রাঙ্গিয়ে নেওয়া যায়।”

শিল্পকলা একাডেমি চট্টগ্রাম, সিআরবি শিরিষতলা, ডিসি হিল চত্ত্বর সহ নগরীর প্রত্যেকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।