খন রঞ্জন রায়: ২০২১ আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করেছি। গত ৫৩ বছরে আমরা অগ্রগতির কোন পর্যায়ে উন্নীত হয়েছি,তা দৃশ্যমান নয়। এই ৫৩ বছরে শিক্ষাক্ষেত্রে আমাদের অর্জন-বিসর্জনের দিকটি প্রকারান্তরে নিজের অনুসৃতিকে অসম্মান করার মতো।
এই ভূখণ্ডের শিক্ষার ইতিহাসে ব্রিটিশ ভারতে ১৮১৩ খ্রিস্টাব্দ থেকে সরকারিভাবে শিক্ষার প্রতি নজর দেওয়া হয়। তবে সে শিক্ষার উদ্দেশ্য ছিল শোষণের জন্য শাসনের মানব মেশিন তৈরি করা। স্বাধীন চিত্তবৃত্তি বিকাশের মাধ্যমে জাতীয় চরিত্র গঠনের উদ্যোগ ছিল না। ব্যক্তিগত সাধনায় আমাদের কৃতিবিদরা কিছুটা আলো ফেলেছিলেন। তৎকালীন বেনিয়া সরকার শিক্ষার প্রতি নজর দিলেও হাতে গোনা কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তা সীমাবদ্ধ ছিল।
তখনকার পূর্ব বাংলায় ব্যক্তি উদ্যোগে প্রাথমিক থেকে কলেজ পর্যায়ে বেশকিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে। সে সব প্রতিষ্ঠান এখনও টিকে থেকে দেশব্যাপী নির্ভেজাল শিক্ষা বিতরণ করলেও সেইসব প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তার নাম প্রায় বিস্মৃত। বিএল, বিএম, কেসি, এমসি, পিসি, কেকে, এমকে ইত্যাদি হাজারো স্কুল-কলেজের নামের অন্তরালের আসল ব্যক্তিকে অনেকে চেনে না। এমনকি অনেক স্কুল কলেজ প্রতিষ্ঠাতাদের নাম আকার ইংগিত থেকেও প্রায় বিলুপ্ত। অথচ এসব প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা অর্জন করে অনেকেই স্মরণীয় হয়ে আছেন।
১৯৪৭ এ দেশ ভাগের সময় অনেক মহকুমায় কোনো কলেজ ছিল না। আর বিশ্ববিদ্যালয় বলতে শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর ১৮৫৮ সালে দশম শ্রেণি শেষে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা প্রবর্তিত হয়। পাস নম্বর ইউরোপের শিক্ষার্থীদের তুলনায় অর্ধেক রাখা হয়। কারণ হিসাবে বাঙালিদের মেধার আকাল বলা হয়। আশ্চর্য প্রহসন! আসলে মেধার অভাব নয়, সুযোগ-সুবিধার তারতম্য ছিল বলে আমাদের পূর্বপুরুষরা মেধার স্ফুরণ ঘটাতে পারেননি।
অতীশ দীপঙ্কর, বিদ্যাসাগর, জগদীশ চন্দ্র বসু, ড. কুদরাত-এ-খুদা প্রমুখ মেধার পরিচয় দিয়ে তাদের মুখে চুনকালি লেপন করেছিলেন। এরপর আইয়ুব খানের পরামর্শকরা ক্লাসিক ভাষাগুলো উঠিয়ে দিয়ে শিক্ষাকে বহুধাবিভক্ত করে গেছেন। মাদরাসা শিক্ষা শুরুতেই ছিল একাধিক লেবাসে। দেশ স্বাধীনের পর শিক্ষাক্ষেত্রে হয় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন। সরকারি- বেসরকারি দেড়শ’র বেশি মেডিক্যাল কলেজ। রয়েছে পাঁচ বিভাগীয় শহরে পাঁচটি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়। এছাড়া সাড়ে ছয় শ’ সরকারি কলেজ। ডিগ্রিস্তরে পাঠদান উপযোগী কলেজ দুই হাজারের বেশি। সরকারি- বেসরকারি সাড়ে আট শ’ কলেজে অনার্স ও মাস্টার্স কোর্স পড়ানোর ব্যবস্থা-বন্দোবস্ত। শিক্ষাক্ষেত্রে বিপ্লব, অভাবনীয় পরিবর্তন ও অগ্রগতি সাধিত হয়।
এইসব অগ্রগতির পরও উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার ও অস্বস্তির সাথে অবাঞ্ছিত, অনভিপ্রেত এক পরিস্থিতি বিরাজ করছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে। ‘ভিসিদের অনিয়মে ডুবছে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়’ শিরোনামে ৪ মার্চ ২০২১ কালের কণ্ঠ পত্রিকায় একটি প্রধান প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। উপশিরোনাম দেওয়া হয় -‘১০ ভিসির বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে, ৩ ভিসির ব্যাপারে জমা পড়েছে তদন্ত প্রতিবেদন, ইউজিসির একাধিক সুপারিশ ফাইলবন্দি ইত্যাদি।
বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ। এখানে উচ্চতর জ্ঞান বিতরণের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের উন্নত মানসিকতাসম্পন্ন করে গড়ে তোলা হয়। গবেষণার মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞানের সর্বোত্তম প্রয়োগে উৎসাহিত করা হয়। কিন্তু আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কী সরকারি; কী বেসরকারি শিক্ষাক্রম ও গবেষণায় একই অবস্থা। শিক্ষকরা এখন শিক্ষার চেয়ে রাজনীতি করতেই ব্যস্ত থাকেন বেশি।
নৈতিকতার অধঃপতন ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। আর্থিক ,নৈতিক, যৌন নানা অনিয়মের অভিযোগ। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরি কমিশন বা ইউজিসির তদন্তেও সত্যতা মিলেছে এমন কিছু অভিযোগের। অথচ বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে আধুনিক জ্ঞান অনুসন্ধান, জ্ঞানের চর্চা ও জ্ঞানের আদান-প্রদানের তীর্থস্থান। দুর্ভাগ্য যে আমাদের দেশের সর্বোচ্চ এই বিদ্যাপীঠ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা বেশ মুখরোচকভাবে সবার মখে মুখে চলমান হয়েছে।
শিক্ষার মান ক্রমহ্রাসমান বলে বিভিন্ন মহল বারবার সতর্ক করছে। কেউ জোর দিয়ে এর প্রতিবাদ প্রতিরোধ করার পরিস্থিতি দেখা যায় নাই। শিক্ষার ভবিষ্যত নিয়ে আমরা একটি বিপর্যয়কর পরিস্থিতির দিকে অগ্রসর হচ্ছি। এ যাত্রাপথ বিপরীতমুখী করতে না পারলে জাতি হিসেবে আমাদের যে অর্জন, তা অর্থহীন হয়ে যাবে। জলাঞ্জলি যেতে পারে অর্জিত সাফল্যগুলো।
সম্প্রতি লন্ডনের টাইমস হায়ার অ্যাডুকেশনাল জরিপের একটি প্রতিবেদনে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ৪১৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান ক্রমানুসারে সাজানো হয়েছে। বিস্ময়কর হলেও সত্য যে, সে তালিকায় বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম নেই। রয়েছে চীনের ৭২টি, ভারতের ৪৯টি ও তাইওয়ানের ৩২টি উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম। তালিকায় ঠাঁই নিয়েছে কলম্বো বিশ্ববিদ্যালয় ও নেপালের ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়। জঙ্গিবাদসহ বহু নেতিবাচক ভাবমূর্তির অধিকারী পাকিস্তানের ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম রয়েছে সে তালিকায়। জরিপে শিক্ষাদান, গবেষণালব্ধ জ্ঞান, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
বর্তমান সরকার শিক্ষাসহ সর্বক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেছে, কিন্ত তা লক্ষ্য পূরণে যথেষ্ট নয়। শুধু সাক্ষরতার হার বাড়লে আর ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা যুক্ত করলেই শিক্ষার উন্নয়ন হয়না। ইউরোপের মতো উন্নত দেশগুলোর নীতিনির্ধারকরা বিশ্বাস করেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য শিক্ষাকাঠামোকে শক্তিশালী করা প্রয়োজন। তারা প্রাথমিক স্তর থেকে উচ্চতর স্তর পর্যন্ত পরিমার্জনা করে মনোযোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থী গুরুত্বের তালিকার সবচেয়ে উপরে রাখেন শিক্ষাকে। আত্মবিশ্বাস সাফল্যের সড়ক তৈরি করে। আত্মবিশ্বাস একজন ব্যক্তিকে বিশ্বের যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার ক্ষমতা অর্জন করতে সহায়তা করে।
আত্মবিশ্বাসকে পরিচর্যা ও অনুশীলনের মাধ্যমে বিকশিত এবং উন্নত করা যায়। এক্ষেত্রে একজন শিক্ষার্থীর অবস্থান বা অনুভূতি কোনো বিষয় নয়। এখানে শিক্ষকগণ শিক্ষার্থীকে অনুশীলন করার এবং দক্ষতা অর্জনের সুযোগ দিয়ে আত্মবিশ্বাসের উন্নয়নে সহায়তা করতে পারেন। প্রাথমিক স্তরে পাঠদানের লক্ষ্যটি এমন হওয়া উচিত যে শিশুরা খেলতে খেলতে আনন্দের সঙ্গে শিখবে।
লেখাপড়ার পদ্ধতি যদি মানসিক চাপের উৎস হয়ে দাঁড়ায় বা কঠিন মনে হয়, তবে তারা পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ হারাতে পারে। পাঠদানের পদ্ধতি ও কৌশল হতে হবে শিশুদের নিজস্ব চিন্তা-ভাবনা বিকাশের সহায়ক। একজন শিক্ষকের শিক্ষাদানের পদ্ধতি হবে আকর্ষণীয়, সহজে বোধগম্য এবং মেধা বিকাশের ভিত্তি। শিক্ষার উদ্দেশ্য হলো কিছু সৃষ্টি করার জন্য শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসী ও আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলা। বিষয়ভিত্তিক দক্ষ জনসম্পদ হিসাবে গড়ে তোলা। এ দেশের নীতিনির্ধারণ অনেকটা চলমান ইতিহাস বোধের মতো হয়ে গেছে। অনেক শিক্ষিত মানুষও বুঝতে চান না, ডাক্তারি বিদ্যার মতো ইতিহাস বিদ্যারও নানা ভাগ রয়েছে। কেউ প্রাচীন বাংলার, কেউ মধ্যযুগের, আবার কেউ আধুনিক যুগের ইতিহাস বিশেষজ্ঞ হতে পারেন। এরপর কেউ অর্থনৈতিক ইতিহাস আবার কেউ সামাজিক-সাংস্কৃতিক ইতিহাসের পণ্ডিত হতে পারেন। চোখের ডাক্তারকে দিয়ে যে দাঁতের চিকিৎসা করা যায় না, সে সত্যটি বুঝতে আমাদের দেরি হচ্ছে। বড্ড দেরি। সময় অনেক দ্রুতগতিতে পার হয়ে যাচ্ছে। এরপর রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের ধ্যান-ধারণা আর বিশৃঙ্খল অবস্থা।
শিক্ষার্থীদের অন্ধ দলীয় রাজনীতির হিংস্র থাবা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান ক্রমাগত নিম্নমুখী করছে। যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান নিম্নমুখী এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে খুব একটা মানসম্মত নয়, সেখানে আন্তর্জাতিক রাংকিংএ বাংলাদেশের কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না থাকা অস্বাভাবিক নয়, বরং এটাই বাস্তবতা । কারণ আন্তর্জাতিক র্যাংকিংয়ে যে বিষয়গুলো দেখা হয়- ক) শিক্ষণ-শিখন পরিবেশ, খ) গবেষণা, ভলিউম, আয় এবং খ্যাতি, গ) সাইটেশন গবেষণার প্রভাব, ঘ) আন্তর্জাতিক আউটলুক- স্টাফ শিক্ষার্থী ও গবেষণা, ঙ) ইন্ডাস্ট্রি আয়-নলেজ ট্রান্সফার। এর কোনোটাতেই বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার খুব বেশী সাফল্য রয়েছে, বলা যায় না। বরং ক্রমাগত রয়েছে হতাশা ও বিরক্তির ছাপ।
উন্নত শিক্ষা কাঠামোয় একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা এবং যুগের চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিশ্বের আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যখন প্রতিনিয়ত তাদের কোর্স কারিকুলামকে আপডেট করছে; বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়, বিশেষ করে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এমন কিছু বিষয় খুলছে, যা বেকারত্ব সৃষ্টি করছে। আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা এমনকি খোদ শিক্ষামন্ত্রীও বলছেন, শিক্ষায় সংখ্যাগত বিস্তৃতি ঘটলেও উচ্চ শিক্ষার মানে বিরাজ করছে অরাজকতা। মান বিচারে এশিয়ার সবচেয়ে নিচে অবস্থান করছে বাংলাদেশ। বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে অবস্থান তলানিতে।
উচ্চশিক্ষার মান নিয়ে গত এক দশক কেবল আলোচনা, সমালোচনা ও সেমিনার হয়েছে। মাঝে মাঝে দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছেড়েছেন বিশিষ্টজনরা। অবশ্য কার্যকর পদক্ষেপ এখনো পর্যন্ত গৃহীত হয়নি। দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমান প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। শিক্ষার্থীর সংখ্যায় বাংলাদেশের স্থান বিশ্বে চতুর্থ।
বাংলাদেশ পৃথিবীর অষ্টম বৃহত্তম জনবহুল দেশ। পৃথিবীর এক হাজার ভাগের ২৪ ভাগ মানুষ এখানে বাস করে। জনবহুল এই দেশে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় মানসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি পাবে না, এটা আমাদের জন্য লজ্জার বিষয়। শিক্ষার মান ভাল করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
এখনই সময় এসেছে উচ্চশিক্ষা নিয়ে নতুন করে পরিকল্পনা গ্রহণ করার। গত শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠিত কোন বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের সেরা একশত বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব নয়। লন্ডন ভিত্তিক টাইম হায়ার অ্যাডুকেশন জরিপ, জেদ্দাভিত্তিক সেন্টার ফর ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিং চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। শিক্ষার কোয়ানটিটি নয় আমাদের সামনে এখন কোয়ালিটিই বড় চ্যালেঞ্জ। আন্তর্জাতিকমান বিবেচনা- হিসাব-নিকাশ করে নতুনভাবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে হবে। ছাত্র-শিক্ষক-কর্মচারি, ভর্তি-নিয়োগ বিদেশনীতি অবলম্বন করতে হবে। তা হতে পারে অর্ধেক-অর্ধেক। বাংলাদেশের অর্ধেক বর্হিবিশ্বের অর্ধেক।
শিক্ষাকে গবেষণার সাথে সম্পৃক্ত করতে জোর দিতে, নির্দেশনা থাকতে হবে গবেষণার প্রতি। সঠিক একাডেমিক ভিশন ও মিশন নিয়ে সরকার, ভিসি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট ইন্ডাস্ট্রি একত্রিত হয়ে কাজ করলে কাঙ্ক্ষিত মিশনকে সফল করা সম্ভব। বাংলাদেশ অন্য সবক্ষেত্রে তা দেখিয়েছে, শিক্ষাতেও দ্রুততার সাথে তা দেখাবে এ প্রত্যাশা অমূলক নয়। বাস্তব।লেখকঃ খন রঞ্জন রায়,সমাজচিন্তক, গবেষক ও সংগঠক।




