মিজবাউল হক, চকরিয়া (কক্সবাজার) : কক্সবাজার -০১ (চকরিয়া পেকুয়া) আসনে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারী) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই উপজেলার ১৭৭টি ভোটকেন্দ্রে নিরাপদ পরিবেশে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে ইতোমধ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় প্রশাসন। তবে এ নির্বাচনে ১৭৭টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে প্রশাসন ৯৫টি ভোটকেন্দ্রকে ঝুকিপূর্ণ হিসেবে সনাক্ত করেছেন।

নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার এবং পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহবুব আলম মাহবুব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, সংসদীয় আসনের আওতাধীন দুই উপজেলার ২৫ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এলাকায় এবারের নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৭৭টি।

তৎমধ্যে ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৭৫টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ, ২০টি কেন্দ্রকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৮২টি কেন্দ্রকে সাধারণ ক্যাটাগরীতে নির্ণয় করা হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসনের তালিকা অনুযায়ী চকরিয়া উপজেলার অধিক ঝুকিপূর্ণ হিসেবে সনাক্ত করা ভোটকেন্দ্র গুলোর মধ্যে রয়েছে, উপজেলা সদর থেকে ২০ কিলোমিটার দুরে অবস্থিত খুটাখালী তমিজিয়া ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসা, ৫ কিলোমিটার দুরে সাহারবিল বিএমএস উচ্চ বিদ্যালয়, ৮ কিলোমিটার দুরে উত্তর কাকারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৬ কিলোমিটার দুরে হারবাং ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় ও পাশাপাশি হারবাং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১১ কিলোমিটার দুরে একতাবাজার উত্তর বরইতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২৪ কিলোমিটার দুরে বদরখালী আজমনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং পাশের জব্বারনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৯ কিলোমিটার দুরে চিরিঙ্গা ইউনিয়নের চরণদ্বীপ ভুমিহীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১০ কিলোমিটার দুরে ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ডুমখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৫ কিলোমিটার দুরে হারবাং বার্মিজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৬ কিলোমিটার দুরে হারবাং নোয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৫ কিলোমিটার দুরে হাজিয়ান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র অন্যতম।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিতব্য সংসদ নির্বাচন নির্বঘ্নভাবে সম্পন্ন করতে ইতোমধ্যে চকরিয়া উপজেলার ১৮ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এলাকার ১৩০টি ভোটকেন্দ্রে প্রয়োজনীয় সংখ্যক সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

এসব ক্যামেরা মনিটরিং করার জন্য চকরিয়া থানায় ডকিং স্টেশন চালু এবং ১৩০টি বডিওর্ন ক্যামেরার সংযোগ স্থাপন সুসম্পন্ন করা হয়েছে।

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চকরিয়ার ইউএনও শাহীন দেলোয়ার বলেন, নির্বাচন কমিশনের সহায়তায় চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ভোটকেন্দ্র ভিত্তিক সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের বিষয়টি ইতোমধ্যে গ্রহন করা হয়েছে।

নির্বাচনে যাতে উপজেলার কোথাও কোনোপ্রকার অঘটন না ঘটে সে ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় প্রশাসন সার্বক্ষনিক সচেতন রয়েছে। তিনি বলেন, চকরিয়া উপজেলার ১৩০ টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৬১টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ, ১৪টি কেন্দ্রকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ও ৫৫টি কেন্দ্র সাধারণ ক্যাটাগরীতে নির্ণয় করা হয়েছে। এসবের মধ্যে যেসব ভোটকেন্দ্রে অতীতে কোন সময় গন্ডগোল হয়নি সেগুলোকে সাধারণ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) অভিজিৎ দাশ বলেন, পর্যাপ্ত সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের তত্তাবধানে ভোটের আগেরদিন থেকে প্রত্যেকটি ভোটকেন্দ্রে পুলিশ সদস্য ছাড়াও পুলিশের স্টাইকিং ফোর্স, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও র‍‍্যাবের আলাদা নজরদারি ব্যবস্থা থাকবে।

পাশাপাশি বডিওর্ন ক্যামেরার মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব পালনকালীন অনলাইন লিংক উপজেলা, জেলা, জোন, বাহিনী হেডকোয়ার্টার ছাড়াও নির্বাচন কমিশন থেকেও মনিটরিং করা হবে।

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার বলেন, চকরিয়া উপজেলার ১৮ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এলাকায় মোট ১৩০ ভোটকেন্দ্র। তারমধ্যে ৬১টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ, ১৪টি কেন্দ্রকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ও ৫৫টি কেন্দ্র সাধারণ ক্যাটাগরীতে নির্ণয় করা হয়েছে।

মিজবাউল হক, চকরিয়া (কক্সবাজার) : কক্সবাজার -০১ (চকরিয়া পেকুয়া) আসনে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারী) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই উপজেলার ১৭৭টি ভোটকেন্দ্রে নিরাপদ পরিবেশে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে ইতোমধ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় প্রশাসন। তবে এ নির্বাচনে ১৭৭টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে প্রশাসন ৯৫টি ভোটকেন্দ্রকে ঝুকিপূর্ণ হিসেবে সনাক্ত করেছেন।

নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার এবং পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহবুব আলম মাহবুব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, সংসদীয় আসনের আওতাধীন দুই উপজেলার ২৫ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এলাকায় এবারের নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৭৭টি।

তৎমধ্যে ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৭৫টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ, ২০টি কেন্দ্রকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৮২টি কেন্দ্রকে সাধারণ ক্যাটাগরীতে নির্ণয় করা হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসনের তালিকা অনুযায়ী চকরিয়া উপজেলার অধিক ঝুকিপূর্ণ হিসেবে সনাক্ত করা ভোটকেন্দ্র গুলোর মধ্যে রয়েছে, উপজেলা সদর থেকে ২০ কিলোমিটার দুরে অবস্থিত খুটাখালী তমিজিয়া ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসা, ৫ কিলোমিটার দুরে সাহারবিল বিএমএস উচ্চ বিদ্যালয়, ৮ কিলোমিটার দুরে উত্তর কাকারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৬ কিলোমিটার দুরে হারবাং ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় ও পাশাপাশি হারবাং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১১ কিলোমিটার দুরে একতাবাজার উত্তর বরইতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২৪ কিলোমিটার দুরে বদরখালী আজমনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং পাশের জব্বারনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৯ কিলোমিটার দুরে চিরিঙ্গা ইউনিয়নের চরণদ্বীপ ভুমিহীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১০ কিলোমিটার দুরে ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ডুমখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৫ কিলোমিটার দুরে হারবাং বার্মিজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৬ কিলোমিটার দুরে হারবাং নোয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৫ কিলোমিটার দুরে হাজিয়ান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র অন্যতম।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিতব্য সংসদ নির্বাচন নির্বঘ্নভাবে সম্পন্ন করতে ইতোমধ্যে চকরিয়া উপজেলার ১৮ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এলাকার ১৩০টি ভোটকেন্দ্রে প্রয়োজনীয় সংখ্যক সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

এসব ক্যামেরা মনিটরিং করার জন্য চকরিয়া থানায় ডকিং স্টেশন চালু এবং ১৩০টি বডিওর্ন ক্যামেরার সংযোগ স্থাপন সুসম্পন্ন করা হয়েছে।

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চকরিয়ার ইউএনও শাহীন দেলোয়ার বলেন, নির্বাচন কমিশনের সহায়তায় চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ভোটকেন্দ্র ভিত্তিক সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের বিষয়টি ইতোমধ্যে গ্রহন করা হয়েছে।

নির্বাচনে যাতে উপজেলার কোথাও কোনোপ্রকার অঘটন না ঘটে সে ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় প্রশাসন সার্বক্ষনিক সচেতন রয়েছে। তিনি বলেন, চকরিয়া উপজেলার ১৩০ টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৬১টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ, ১৪টি কেন্দ্রকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ও ৫৫টি কেন্দ্র সাধারণ ক্যাটাগরীতে নির্ণয় করা হয়েছে। এসবের মধ্যে যেসব ভোটকেন্দ্রে অতীতে কোন সময় গন্ডগোল হয়নি সেগুলোকে সাধারণ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) অভিজিৎ দাশ বলেন, পর্যাপ্ত সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের তত্তাবধানে ভোটের আগেরদিন থেকে প্রত্যেকটি ভোটকেন্দ্রে পুলিশ সদস্য ছাড়াও পুলিশের স্টাইকিং ফোর্স, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও র‍‍্যাবের আলাদা নজরদারি ব্যবস্থা থাকবে।

পাশাপাশি বডিওর্ন ক্যামেরার মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব পালনকালীন অনলাইন লিংক উপজেলা, জেলা, জোন, বাহিনী হেডকোয়ার্টার ছাড়াও নির্বাচন কমিশন থেকেও মনিটরিং করা হবে।

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার বলেন, চকরিয়া উপজেলার ১৮ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এলাকায় মোট ১৩০ ভোটকেন্দ্র। তারমধ্যে ৬১টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ, ১৪টি কেন্দ্রকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ও ৫৫টি কেন্দ্র সাধারণ ক্যাটাগরীতে নির্ণয় করা হয়েছে।