মোঃ মীর হোসেন মোল্লাঃ কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে হত্যার ঘটনা নিশ্চিত না হওয়ায় আত্মহত্যা প্ররোচনায় রুজু করা মামলার আসামীদের- রহস্যজনক কারনে থানা পুলিশ গ্রেপ্তার না করায়, ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। গত পহেলা এপ্রিল সকাল পৌনে ১১টায় চৌদ্দগ্রামের শুভপুর ইউনিয়ন কটপাড়া গ্রামের এ ঘটনা ঘটে।

বাদী ও তার পরিবারের অভিযোগ সূত্র জানা যায়, গত প্রায় দুই বছর পূর্বে শুভপুর ইউনিয়নের বড় দলুয়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের মেয়ে অর্না আক্তার(২১) এর সাথে কটপারা গ্রামের সেলিম মিয়ার ছেলে তহিদুল ইসলাম(২৮) এর শুভ বিবাহ সম্পন্ন হয়। বিয়ের কিছুদিন পরেই তহিদুল ইসলাম বিদেশে চলে গেলেও এই ঘটনার কিছু দিন পূর্বে আবার দেশে ফেরৎ চলে আসে।

সম্প্রতি বিভিন্ন সময়ে পারিবারিক কলহের জের ধরে, প্রবাসী স্বামী তহিদুল ইসলামের উস্কানিতে তার মা অহিদা বেগম (৪৫) তার বোন হিরা মনি (২২) গৃহবধূ অর্না আক্তারকে মানসিক যন্ত্রণার পাশাপাশি শারীরিকভাবে অব্যাহত নির্যাতন চালিয়ে আসছিল।

জানা যায়, স্বামী ও শাশুড়ি এবং ননদের নির্যাতনের শিকারে প্রাণ হারায় গৃহবধূ অর্না আক্তার। অর্না আক্তারের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর, হত্যা মামলার অভিযোগ থেকে রেহাই পেতে হত্যাকারীরা কৌশলে লাশের গলায় রশি পেচিয়ে, সিলিং ফ্যানের সাথে রশিটি বেধেঁ ঝুলন্ত অবস্থায় গৃহবধূকে খাটের উপর দাঁড় করিয়ে কুটকৌশলের মাধ্যমে বাপের বাড়িতে খবর পাঠায়। গর্ভধারিনী মাকে হত্যা করে ১৪ মাসের অবুঝ কন্যা মোসাঃ তাইরন আক্তার নামক অবুঝ শিশুটি লাশের পাশে রেখে হত্যাকারীরা কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

খবর পেয়ে প্রতিবেশী এবং গৃহবধুর আত্মীয়-স্বজনরা ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে- খাটের উপরে দাঁড় করিয়ে রাখা গৃহবধূ অর্নার লাশ দেখে, বিষয়টি হত্যার ঘটনা বলে নিশ্চিত মনে করেন স্থানীয়রা। তাৎক্ষণিক চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে, মৃতদেহ থানায় নিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেন।

বিশ্বস্ত একটি সূত্র জানায়, এলাকার একটি প্রভাবশালী মহল অন্তরালে থানা পুলিশের যোগসাজসে, হত্যার ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এদিকে, এ ঘটনার বিষয়ে গৃহবধূ অর্না আক্তারের মা মোসাঃ সালমা বেগম- চৌদ্দগ্রাম থানায় তিনজনকে আসামী করে ৩০২ ধারায় একটি হত্যা মামলা করতে গেলে, কতেক থানা পুলিশের পরামর্শে মামলা সম্পর্কে সম্পূর্ন অজ্ঞাত সালমা বেগমকে বাদী করে ৩০৬ ধারা একটি মামলা রুজু করে (যাহার মামলা নং ০৩/ তাং-০২,০৪,২০২৪ইং)।

বাদী ও তার পরিবার জানায়, মামলায় আসামীদের গ্রেফতারের বিষয়ে থানা পুলিশ কোন ভূঁমিকা নিচ্ছেনা। বাদীর পক্ষ থেকে আসামী গ্রেফতারের বিষয়ে একাধিকবার বলা হলেও, বাদী ও তার পরিবার পুলিশের কাছ থেকে শান্তনার বাণী আর অজুহাত ছাড়া কিছু পায়নি। সবমিলিয়ে আইনের আশ্রয় চেয়ে বাদী উল্টো হয়রানির হয়ে আসছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

মোঃ মীর হোসেন মোল্লাঃ কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে হত্যার ঘটনা নিশ্চিত না হওয়ায় আত্মহত্যা প্ররোচনায় রুজু করা মামলার আসামীদের- রহস্যজনক কারনে থানা পুলিশ গ্রেপ্তার না করায়, ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। গত পহেলা এপ্রিল সকাল পৌনে ১১টায় চৌদ্দগ্রামের শুভপুর ইউনিয়ন কটপাড়া গ্রামের এ ঘটনা ঘটে।

বাদী ও তার পরিবারের অভিযোগ সূত্র জানা যায়, গত প্রায় দুই বছর পূর্বে শুভপুর ইউনিয়নের বড় দলুয়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের মেয়ে অর্না আক্তার(২১) এর সাথে কটপারা গ্রামের সেলিম মিয়ার ছেলে তহিদুল ইসলাম(২৮) এর শুভ বিবাহ সম্পন্ন হয়। বিয়ের কিছুদিন পরেই তহিদুল ইসলাম বিদেশে চলে গেলেও এই ঘটনার কিছু দিন পূর্বে আবার দেশে ফেরৎ চলে আসে।

সম্প্রতি বিভিন্ন সময়ে পারিবারিক কলহের জের ধরে, প্রবাসী স্বামী তহিদুল ইসলামের উস্কানিতে তার মা অহিদা বেগম (৪৫) তার বোন হিরা মনি (২২) গৃহবধূ অর্না আক্তারকে মানসিক যন্ত্রণার পাশাপাশি শারীরিকভাবে অব্যাহত নির্যাতন চালিয়ে আসছিল।

জানা যায়, স্বামী ও শাশুড়ি এবং ননদের নির্যাতনের শিকারে প্রাণ হারায় গৃহবধূ অর্না আক্তার। অর্না আক্তারের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর, হত্যা মামলার অভিযোগ থেকে রেহাই পেতে হত্যাকারীরা কৌশলে লাশের গলায় রশি পেচিয়ে, সিলিং ফ্যানের সাথে রশিটি বেধেঁ ঝুলন্ত অবস্থায় গৃহবধূকে খাটের উপর দাঁড় করিয়ে কুটকৌশলের মাধ্যমে বাপের বাড়িতে খবর পাঠায়। গর্ভধারিনী মাকে হত্যা করে ১৪ মাসের অবুঝ কন্যা মোসাঃ তাইরন আক্তার নামক অবুঝ শিশুটি লাশের পাশে রেখে হত্যাকারীরা কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

খবর পেয়ে প্রতিবেশী এবং গৃহবধুর আত্মীয়-স্বজনরা ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে- খাটের উপরে দাঁড় করিয়ে রাখা গৃহবধূ অর্নার লাশ দেখে, বিষয়টি হত্যার ঘটনা বলে নিশ্চিত মনে করেন স্থানীয়রা। তাৎক্ষণিক চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে, মৃতদেহ থানায় নিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেন।

বিশ্বস্ত একটি সূত্র জানায়, এলাকার একটি প্রভাবশালী মহল অন্তরালে থানা পুলিশের যোগসাজসে, হত্যার ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এদিকে, এ ঘটনার বিষয়ে গৃহবধূ অর্না আক্তারের মা মোসাঃ সালমা বেগম- চৌদ্দগ্রাম থানায় তিনজনকে আসামী করে ৩০২ ধারায় একটি হত্যা মামলা করতে গেলে, কতেক থানা পুলিশের পরামর্শে মামলা সম্পর্কে সম্পূর্ন অজ্ঞাত সালমা বেগমকে বাদী করে ৩০৬ ধারা একটি মামলা রুজু করে (যাহার মামলা নং ০৩/ তাং-০২,০৪,২০২৪ইং)।

বাদী ও তার পরিবার জানায়, মামলায় আসামীদের গ্রেফতারের বিষয়ে থানা পুলিশ কোন ভূঁমিকা নিচ্ছেনা। বাদীর পক্ষ থেকে আসামী গ্রেফতারের বিষয়ে একাধিকবার বলা হলেও, বাদী ও তার পরিবার পুলিশের কাছ থেকে শান্তনার বাণী আর অজুহাত ছাড়া কিছু পায়নি। সবমিলিয়ে আইনের আশ্রয় চেয়ে বাদী উল্টো হয়রানির হয়ে আসছে বলে খবর পাওয়া গেছে।