চকরিয়া অফিস : অবশেষে কক্সবাজারের চকরিয়ার আলোচিত জোড়া খুনের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার জাহেদুল ইসলাম প্রকাশ জাহেদ সিকদারকে প্রধান আসামী করে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ১০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়। গত ১৮ এপ্রিল রাতে একই ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মৃত আবদুছ ছালামের পুত্র ও নিহত শফিউল আলম প্রকাশ চৌকিদার শফির ভাই সামসুল আলম বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের জোড়া খুনের ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এঘটনায় নিহত শফিউল আলমের ভাই সামসুল আলম বাদী হয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ওই ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাহেদুল ইসলাম, ভাগিনা বাবু ও বাহাদুরসহ ৭জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। দ্রæত সময়ের মধ্যে আসামীদের গ্রেফতার করা বলে জানান তিনি।

গত মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল রাত ৮টার দিকে সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের উত্তর পাড়ার বাসিন্দা নুর মোহাম্মদের পুত্র মোহাম্মদ সেলিম ও একই এলাকার মৃত আবু ছালামের পুত্র শফিউল আলম একটি চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন। ওইসময় অতর্কিতভাবে স্থানীয় ইউপি সদস্য জাহেদ সিকদার ও তার ভাগিনা বাবুর নেতৃত্বে ৭-৮ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী দোকানে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এসময় মোহাম্মদ সেলিম ও শফিউল আলম মাটিতে লুঠিয়ে পড়লে কিরিচ দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। ঘটনাস্থলে সেলিম ঘটনাস্থলে মারা যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় শফিউল আলমকে চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখানে তার অবস্থা অবনতি হলে একইদিন রাত ১১টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান তিনি।

চকরিয়া অফিস : অবশেষে কক্সবাজারের চকরিয়ার আলোচিত জোড়া খুনের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার জাহেদুল ইসলাম প্রকাশ জাহেদ সিকদারকে প্রধান আসামী করে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ১০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়। গত ১৮ এপ্রিল রাতে একই ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মৃত আবদুছ ছালামের পুত্র ও নিহত শফিউল আলম প্রকাশ চৌকিদার শফির ভাই সামসুল আলম বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের জোড়া খুনের ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এঘটনায় নিহত শফিউল আলমের ভাই সামসুল আলম বাদী হয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ওই ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাহেদুল ইসলাম, ভাগিনা বাবু ও বাহাদুরসহ ৭জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। দ্রæত সময়ের মধ্যে আসামীদের গ্রেফতার করা বলে জানান তিনি।

গত মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল রাত ৮টার দিকে সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের উত্তর পাড়ার বাসিন্দা নুর মোহাম্মদের পুত্র মোহাম্মদ সেলিম ও একই এলাকার মৃত আবু ছালামের পুত্র শফিউল আলম একটি চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন। ওইসময় অতর্কিতভাবে স্থানীয় ইউপি সদস্য জাহেদ সিকদার ও তার ভাগিনা বাবুর নেতৃত্বে ৭-৮ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী দোকানে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এসময় মোহাম্মদ সেলিম ও শফিউল আলম মাটিতে লুঠিয়ে পড়লে কিরিচ দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। ঘটনাস্থলে সেলিম ঘটনাস্থলে মারা যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় শফিউল আলমকে চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখানে তার অবস্থা অবনতি হলে একইদিন রাত ১১টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান তিনি।