কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি: কক্সবাজার ঈদগাঁও ইসলামপুর হাইচ চালক তিন সন্তানের জনক ফয়লাল মোহাম্মদ সেলিম বাবু হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেল ৫ টায় ইসলামপুর নতুন অফিস বাজার মহাসড়কে স্থানীয় এলাকাবাসী ও নিহত সেলিম বাবুর স্বজনদের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন শ্রমিক নেতা সেলিম আকবর, এড, মো তারেক জামাত নেত সাহাব উদ্দিন, ঈদগাও প্রেস ক্লাব সাধারন সম্পাদক শেফাইল উদ্দিন,সাবেক ইউপি সদস্য নুরুল আজিম, দেলোয়ার হোসেন, উইসুফ নবী, মাস্টার আবু তাহের, নিহতের চাচা মাস্টার মোস্তাক,মো: সেলিম কোম্পানি, নিহতের বাবা সোলাইমান, মা দিলদার বেগম,স্ত্রী জেসমিন,নিহতের মামা ঈফতেঁখার মিল্টন প্রমুখ।

জানা যায়, গত ১৬ এপ্রিল দিবাগত রাত আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার মধ্যম নাপিতখালী এলাকার সোলাইমান ড্রাইভারের ছেলে সেলিম বাবুকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে মাছ চুরির নাঠক সাজিয়ে চিংড়ি ঘেরে চালানো হয় কয়েক দফা নৃশংস নিষ্ঠুর নির্যাতন। নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ,

নির্যাতনের এক পর্যায়ে সেলিম বাবুর স্ত্রীর কাছ ২ লক্ষ্য টাকা দাবী করে কসাই নুর মোহাম্মদ, টাকা দিতে না পারাই স্্রীর কাছ থেকে থেকে জোরপূর্বক খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। খালী স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর দিয়ে পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে স্ত্রী উদ্ধার করে প্রথমে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ১৯ এপ্রিল কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

কসাই নুর মোহাম্মদ মেম্বারের নেতৃত্বে সংঘটিত বর্বর অমানবিক নির্যাতনের শিকার সেলিম বাবু অবশেষে দীর্ঘ ১২ দিন হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে ২৮ এপ্রিল মঙ্গলবার বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিওতে মৃত্যু বরণ করেন।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যায়। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন—স্থানীয় মেম্বার নূর মোহাম্মদ (৫৮), তার ছেলে আতা উল্লাহ (২৮), মোবারক (৩০), রমিজ (৩২), মনজুর আলম (৩৫), আবু নোমান (আজুমান) (২৭) এবং কালা বেলাল (৩২)।

এদিকে, গত ২৬ এপ্রিল সেলিম বাবুর মা দিলদার বেগম বাদী হয়ে থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। এ বিষয়ে ঈদগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ এটিএম সিফাতুল মাজদার জানান, মামলা রেকর্ড করা হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চালানো হচ্ছে

কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি: কক্সবাজার ঈদগাঁও ইসলামপুর হাইচ চালক তিন সন্তানের জনক ফয়লাল মোহাম্মদ সেলিম বাবু হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেল ৫ টায় ইসলামপুর নতুন অফিস বাজার মহাসড়কে স্থানীয় এলাকাবাসী ও নিহত সেলিম বাবুর স্বজনদের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন শ্রমিক নেতা সেলিম আকবর, এড, মো তারেক জামাত নেত সাহাব উদ্দিন, ঈদগাও প্রেস ক্লাব সাধারন সম্পাদক শেফাইল উদ্দিন,সাবেক ইউপি সদস্য নুরুল আজিম, দেলোয়ার হোসেন, উইসুফ নবী, মাস্টার আবু তাহের, নিহতের চাচা মাস্টার মোস্তাক,মো: সেলিম কোম্পানি, নিহতের বাবা সোলাইমান, মা দিলদার বেগম,স্ত্রী জেসমিন,নিহতের মামা ঈফতেঁখার মিল্টন প্রমুখ।

জানা যায়, গত ১৬ এপ্রিল দিবাগত রাত আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার মধ্যম নাপিতখালী এলাকার সোলাইমান ড্রাইভারের ছেলে সেলিম বাবুকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে মাছ চুরির নাঠক সাজিয়ে চিংড়ি ঘেরে চালানো হয় কয়েক দফা নৃশংস নিষ্ঠুর নির্যাতন। নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ,

নির্যাতনের এক পর্যায়ে সেলিম বাবুর স্ত্রীর কাছ ২ লক্ষ্য টাকা দাবী করে কসাই নুর মোহাম্মদ, টাকা দিতে না পারাই স্্রীর কাছ থেকে থেকে জোরপূর্বক খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। খালী স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর দিয়ে পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে স্ত্রী উদ্ধার করে প্রথমে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ১৯ এপ্রিল কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

কসাই নুর মোহাম্মদ মেম্বারের নেতৃত্বে সংঘটিত বর্বর অমানবিক নির্যাতনের শিকার সেলিম বাবু অবশেষে দীর্ঘ ১২ দিন হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে ২৮ এপ্রিল মঙ্গলবার বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিওতে মৃত্যু বরণ করেন।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যায়। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন—স্থানীয় মেম্বার নূর মোহাম্মদ (৫৮), তার ছেলে আতা উল্লাহ (২৮), মোবারক (৩০), রমিজ (৩২), মনজুর আলম (৩৫), আবু নোমান (আজুমান) (২৭) এবং কালা বেলাল (৩২)।

এদিকে, গত ২৬ এপ্রিল সেলিম বাবুর মা দিলদার বেগম বাদী হয়ে থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। এ বিষয়ে ঈদগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ এটিএম সিফাতুল মাজদার জানান, মামলা রেকর্ড করা হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চালানো হচ্ছে