চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি : কক্সবাজারের চকরিয়ার আলোচিত ইউপি চেয়ারম্যান ডজন মামলার আসামি নবী হোসাইনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৫টি বন্যপ্রাণী উদ্ধার করেছে র্যাব-১৫।আজ শুক্রবার (২৯ মার্চ) সকাল দশটার দিকে অভিযান চালিয়ে এসব বন্যপ্রাণী উদ্ধার করেছে। এব্যাপারে তার বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বন্যপ্রাণী রাখার অপরাধে মামলা দায়ের করেছে।
উদ্ধারকৃত বন্যপ্রাণী গুলো হচ্ছে, ১টি চিতা বিড়াল, ৩টি সাদাবক, ১টি ময়না পাখি ও ১টি গন্ধগোকুল।
স্থানীয় এলাকাবাসি জানান, সাহারবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নবী হোসাইনের বিরুদ্ধে চিংড়িঘের দখল, চুরি-ডাকাতি, গরুচুরি সহ নানা অভিযোগ রয়েছে। নবী হোসাইন ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে গড়ে তুলেছেন একটি নিজস্ব বাহিনী। এই বাহিনীর হাতে বিপুল পরিমান অবৈধ অস্ত্রও রয়েছে। পুরো কক্সবাজার জেলায় নানা অপরাধ করে আসছে তার বাহিনী। ইতোমধ্যে নবী হোসাইনের বাড়িতে একাধিকবার অভিযান চালিয়েছে র্যাব ও পুলিশ। এরপরও তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। নবী হোসাইনের নানা অপরাধ ও অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। হত্যা, গরুচুরি, চিংড়িঘের দখল, ডাকাতি সহ নানা অপরাধে প্রায় ১৪টি মামলা রয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকে নবী হোসাইন পলাতক থাকলেও মাঝে মধ্যে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে দেখা যেতো বলে জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
র্যাব-১৫ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাহারবিল ইউপি চেয়ারম্যান নবী হোসাইনের বাড়িতে ব্যাপক অভিযান চালানো হয়েছে। শুক্রবার সকাল দশটার দিকে র্যাব-১৫ তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন প্রকার বন্যপ্রাণী উদ্ধার করেছে। ওইসময় অভিযানের টের পেয়ে নবী হোসাইন বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে জানান স্থানীয়রা।
বন্যপ্রাণী উদ্ধারের পর র্যাব চকরিয়ার ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে হস্তান্তর করেছে। অবৈধভাবে বন্যপ্রাণী রাখার দায়ে নবী হোসাইনের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের তত্বাবধায়ক মাজারুল ইসলাম।
এবিষয়ে সাহারবিল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নবী চৌধুরীর সাথে একাধিক বার যোগাযোগের পরও তাকে পাওয়া যায়নি।




