প্রেস বিজ্ঞপ্তি: ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ব্রিটেন আর পাকিস্তানের মতো শাসকদের কর্তৃত্ব থেকে বিজয় ছিনিয়ে এনে বাংলাদেশের জনগোষ্ঠী তার প্রতিটি অংশে নিজস্ব উদ্যোগের স্পৃহা সঞ্চার করতে পেরেছে। এ কারণে আমাদের অর্থনীতির ওপর থেকে ব্রিটিশ এবং অবাঙালি ক্ষমতাবান ব্যবসায়ীদের আধিপত্য হটে গিয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) সকাল ১১টায় মিউসিপ্যাল মডেল হাই স্কুল হলরুমে আলোচনা সভায় চট্টগ্রাম মহানগর শ্রমিক লীগের সহ- সভাপতি কামাল উদ্দিন এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন,এই অর্থপূর্ণ পরিবর্তন স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে লক্ষ্য করা গেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ক্ষুদ্র কৃষক, নারী কর্মী, ক্ষুদ্র ঋণ গ্রহীতা, অভিবাসী শ্রমিক, পোশাক রপ্তানিকারক, প্রযুক্তি উদ্যোক্তা বা বেসরকারি সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা প্রভৃতির মধ্যে উদ্যোগী গতিশীলতা দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এসবের মধ্যে কিছু নেতিবাচক দিক থাকা স্বত্ত্বেও আমরা ভিক্ষার ঝুলি ফেলে দিয়ে উন্নীত হয়েছি একটি সম্ভাবনাময় অর্থনীতিতে। মুক্তিযুদ্ধের মূল ভাবনা শ্রমিক শ্রেণির ক্ষমতায়ন- যাতে তারা অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়পরায়নতার প্রতি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থায় নিজেদের সম্ভাবনা বিকাশের সুযোগ পায়।পাকিস্তানী শাসকরা ২৫ মার্চের রাতের অপারেশন সার্চলাইটের নামে যে গণহত্যা চালিয়েছে সেই জঘন্য গণহত্যা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও জবাবদিহিতা দাবী করে বক্তারা।
বক্তারা বলেন, বিশ্বে গণহত্যা বন্ধ ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় গণহত্যার স্বীকৃতি এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। পাকিস্তান কখনো বাংলাদেশের গণহত্যায় তাদের দায় স্বীকার করেনি। শুধু তা-ই নয়, সে সময়ে পাকিস্তানের সমর্থক ও মিত্ররাও বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র তাদের দায় এড়াতে সক্ষম হয়েছিল বলে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম জেলা নৌ-যান শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি এম. নুরুল হুদা চৌধুরী।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. আলাউদ্দিনের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর শ্রমিক লীগের সহ সভাপতি কামাল উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান স্কোয়ার্ডের সদস্যসচিব কাজী রাজেশ ইমরান, চট্টগ্রাম জেলা নৌ-যান শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের কার্যকরী সভাপতি মো.নুরুল আলম মাস্টার, সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর মাস্টার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল হোসেন, মো. রিদোয়ান, মো. ফরহাদ মাস্টার, মো. ফারভেজ সুখানী, মো. ইব্রাহিম, মো. কালু, মো. নুরুল আলম সুখানী, মো. সবুজ, মো. সেলিম, মো. দানু মিয়া, মনছুর আলী প্রমুখ।
সভা শেষে চট্টগ্রাম জেলা নৌ-যান শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের পক্ষ থেকে বীর শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধা জানিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন নেতৃবৃন্দ।




